নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, প্রতিনিয়ত বিশ্বে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এতে নতুন নতুন রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। পরিবেশদূষণের কারণে ১৫-২০ শতাংশ মানসিক রোগী বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে পরিবেশ, পানি দূষিত হচ্ছে। দেশের পরিবেশ ভালো থাকলে কৃষি, পানি, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং চাপ কম থাকবে। এগুলো ভালো রাখতে হবে, তবেই আমরা ভালো থাকব।’
জাহিদ মালেক বলেন, কলকারখানার গ্যাস ও যানবাহনের দূষিত ধোঁয়া পরিবেশ নষ্ট করছে। এতে ডায়রিয়া, কলেরা, চিকুনগুনিয়াসহ নানা নতুন-পুরোনো রোগ দেখা দিচ্ছে। দেশের অন্যান্য স্থানের চেয়ে ঢাকায় বায়ুদূষণ বেশি হচ্ছে। দেশে যে পরিমাণ বনাঞ্চল থাকার কথা, তা নেই।
পরিবেশ ধ্বংসে বাংলাদেশের হাত না থাকলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে হয় মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে প্রতিবছর ৬০ হাজার হেক্টর বন ধ্বংস হচ্ছে। পরিবেশ ধ্বংসে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও ইউরোপের দেশগুলোর বড় ভূমিকা থাকলেও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে প্রভাব মোকাবিলা করতে হয়।
পানি সমস্যার কারণে ডায়রিয়া বাড়ছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, পানি সমস্যার সমাধান করতে হবে। এর কারণে ডায়রিয়া, কলেরাসহ অন্যান্য রোগ বেড়েই চলেছে। ভেজাল খাদ্যের কারণে সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ বাড়ছে। তবে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাও ভালো রাখতে হবে। দেশকে ভালো রাখতে হলে দেশের সম্পদ ঠিক রাখতে হবে।
দেশের অন্যান্য উন্নয়নের পাশাপাশি স্বাস্থ্যব্যবস্থারও অনেক উন্নতি হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের গড় আয়ু এখন ৭৩ বছর। ভ্যাকসিনেও আমরা অনেক ভালো করেছি, বিশ্বে অষ্টম হয়েছি। লক্ষ্যমাত্রার ৯৫ ভাগ মানুষকে টিকা দিয়েছি। ভালো কাজ করেছি বিধায় জিডিপি এখনো সাতে রয়েছে। পাশের শ্রীলঙ্কা এখন দেউলিয়া, তারা হয়তো ভালো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। কিন্তু আমাদের খাদ্যে কোনো ঘাটতি নেই। ৪৫ বিলিয়ন ডলার আমাদের রিজার্ভ রয়েছে। মাথাপিছু ঋণ অনেক দেশের তুলনায় কম রয়েছে।’

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, প্রতিনিয়ত বিশ্বে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এতে নতুন নতুন রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। পরিবেশদূষণের কারণে ১৫-২০ শতাংশ মানসিক রোগী বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে পরিবেশ, পানি দূষিত হচ্ছে। দেশের পরিবেশ ভালো থাকলে কৃষি, পানি, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে এবং চাপ কম থাকবে। এগুলো ভালো রাখতে হবে, তবেই আমরা ভালো থাকব।’
জাহিদ মালেক বলেন, কলকারখানার গ্যাস ও যানবাহনের দূষিত ধোঁয়া পরিবেশ নষ্ট করছে। এতে ডায়রিয়া, কলেরা, চিকুনগুনিয়াসহ নানা নতুন-পুরোনো রোগ দেখা দিচ্ছে। দেশের অন্যান্য স্থানের চেয়ে ঢাকায় বায়ুদূষণ বেশি হচ্ছে। দেশে যে পরিমাণ বনাঞ্চল থাকার কথা, তা নেই।
পরিবেশ ধ্বংসে বাংলাদেশের হাত না থাকলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে হয় মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে প্রতিবছর ৬০ হাজার হেক্টর বন ধ্বংস হচ্ছে। পরিবেশ ধ্বংসে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও ইউরোপের দেশগুলোর বড় ভূমিকা থাকলেও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে প্রভাব মোকাবিলা করতে হয়।
পানি সমস্যার কারণে ডায়রিয়া বাড়ছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, পানি সমস্যার সমাধান করতে হবে। এর কারণে ডায়রিয়া, কলেরাসহ অন্যান্য রোগ বেড়েই চলেছে। ভেজাল খাদ্যের কারণে সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ বাড়ছে। তবে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাও ভালো রাখতে হবে। দেশকে ভালো রাখতে হলে দেশের সম্পদ ঠিক রাখতে হবে।
দেশের অন্যান্য উন্নয়নের পাশাপাশি স্বাস্থ্যব্যবস্থারও অনেক উন্নতি হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের গড় আয়ু এখন ৭৩ বছর। ভ্যাকসিনেও আমরা অনেক ভালো করেছি, বিশ্বে অষ্টম হয়েছি। লক্ষ্যমাত্রার ৯৫ ভাগ মানুষকে টিকা দিয়েছি। ভালো কাজ করেছি বিধায় জিডিপি এখনো সাতে রয়েছে। পাশের শ্রীলঙ্কা এখন দেউলিয়া, তারা হয়তো ভালো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। কিন্তু আমাদের খাদ্যে কোনো ঘাটতি নেই। ৪৫ বিলিয়ন ডলার আমাদের রিজার্ভ রয়েছে। মাথাপিছু ঋণ অনেক দেশের তুলনায় কম রয়েছে।’

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
১৭ মিনিট আগে
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
২ ঘণ্টা আগে
নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং নৌবহরের ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে তিনটি ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক (এলসিটি) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত এলসিটি-১০১-এর লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তরিকুল ইসলাম।
৪ ঘণ্টা আগে