নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন মহলের সঙ্গে পরামর্শ করার পর আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর। আজ বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ইসি আলমগীর জানান, আগামী রবিবার থেকে ধারাবাহিক সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন। পর্যায়ক্রমে শিক্ষাবিদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, নির্বাচন বিশ্লেষক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বসা হবে।
মো. আলমগীর বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনায় সবার পরামর্শের আলোকে রোডম্যাপ তৈরি করা হবে। সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য যা যা প্রয়োজন, তা করার চেষ্টা করা হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে সবার শেষে।
ইসি সূত্র বলছে, সংলাপের প্রথমে শিক্ষাবিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক এবং কয়েকটি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান উপাচার্যদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সংলাপ আয়োজন করা হবে। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও সংলাপ করার চিন্তা আছে ইসির। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু ঠিক হয়নি।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই এর আগে কোনো কমিশন সংলাপে বসেনি। এ ছাড়া কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন আগে রোডম্যাপ তৈরি করতে সংলাপে বসেছিল। আর বর্তমান কমিশন সবার সঙ্গে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী রোডম্যাপের কাজে হাত দিতে চায়। প্রয়োজনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আবারও দলগুলোসহ বিভিন্ন মহলের সঙ্গে বসতে পারে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।
এর আগে এ টি এম শামসুল হুদা, কাজী রকিব উদ্দীন ও নূরুল হুদা কমিশনও জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ করেছিল। নূরুল হুদা কমিশনের সংলাপে ৩৯টি রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, পর্যবেক্ষক সংস্থা, নারীনেত্রী ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছিলেন। সেই সংলাপে আসা সুপারিশগুলো তিন ভাগে ভাগ করেই মূলত দায়িত্ব শেষ করেছিল ইসি।

রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন মহলের সঙ্গে পরামর্শ করার পর আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর। আজ বুধবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ইসি আলমগীর জানান, আগামী রবিবার থেকে ধারাবাহিক সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন। পর্যায়ক্রমে শিক্ষাবিদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, নির্বাচন বিশ্লেষক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বসা হবে।
মো. আলমগীর বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনায় সবার পরামর্শের আলোকে রোডম্যাপ তৈরি করা হবে। সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য যা যা প্রয়োজন, তা করার চেষ্টা করা হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে সবার শেষে।
ইসি সূত্র বলছে, সংলাপের প্রথমে শিক্ষাবিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক এবং কয়েকটি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান উপাচার্যদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সংলাপ আয়োজন করা হবে। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও সংলাপ করার চিন্তা আছে ইসির। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু ঠিক হয়নি।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই এর আগে কোনো কমিশন সংলাপে বসেনি। এ ছাড়া কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন আগে রোডম্যাপ তৈরি করতে সংলাপে বসেছিল। আর বর্তমান কমিশন সবার সঙ্গে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী রোডম্যাপের কাজে হাত দিতে চায়। প্রয়োজনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আবারও দলগুলোসহ বিভিন্ন মহলের সঙ্গে বসতে পারে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।
এর আগে এ টি এম শামসুল হুদা, কাজী রকিব উদ্দীন ও নূরুল হুদা কমিশনও জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ করেছিল। নূরুল হুদা কমিশনের সংলাপে ৩৯টি রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, পর্যবেক্ষক সংস্থা, নারীনেত্রী ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছিলেন। সেই সংলাপে আসা সুপারিশগুলো তিন ভাগে ভাগ করেই মূলত দায়িত্ব শেষ করেছিল ইসি।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৫ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে