নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে ডেঙ্গু সংক্রমণ পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হচ্ছে না। এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্রগুলো ধ্বংসসহ অন্যান্য ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয় বলেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিনই হাজারখানেক মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। গত একদিনেও আট শতাধিক রোগী ভর্তি হয়েছেন। মারা গেছেন পাঁচজন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৬২ জেলায় ছড়িয়ে পড়া ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ৮২০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় নতুন ভর্তি ৪৫০ জন এবং ঢাকার বাইরে ৩৭০ জন। এতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ যাবত ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ৮০২ জনে। একদিনে মারা গেছেন ৫ জন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮২ জনে ঠেকেছে।
সে হিসাবে প্রাণহানি ২০১৯ সালের সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেল। ওই বছর শুধু সরকারি হিসাবেই রেকর্ড ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়। যদিও বেসরকারি হিসাবে মৃত্যু তিনশ’র বেশি।
মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত সরকারি হিসাবের আওতায় থাকা সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৩ হাজার ২২৩ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৫৩টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৭ জন এবং ঢাকার বাইরে ১ হাজার ২৭৬ জন।
চলমান ভয়াবহ পরিস্থিতি চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে বলে ধারণা কীটতত্ত্ববিদদের। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার আজকের পত্রিকাকে বলেন, যেহেতু পরিস্থিতি এখনো ঊর্ধ্বমুখী তাই স্থানীয় সরকারের জোরালো পদক্ষেপের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা খুবই জরুরি। উভয়ের এগিয়ে আসার মাধ্যমে এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়া সম্ভব।

দেশে ডেঙ্গু সংক্রমণ পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হচ্ছে না। এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্রগুলো ধ্বংসসহ অন্যান্য ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয় বলেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিনই হাজারখানেক মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। গত একদিনেও আট শতাধিক রোগী ভর্তি হয়েছেন। মারা গেছেন পাঁচজন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৬২ জেলায় ছড়িয়ে পড়া ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ৮২০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় নতুন ভর্তি ৪৫০ জন এবং ঢাকার বাইরে ৩৭০ জন। এতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ যাবত ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ৮০২ জনে। একদিনে মারা গেছেন ৫ জন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮২ জনে ঠেকেছে।
সে হিসাবে প্রাণহানি ২০১৯ সালের সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেল। ওই বছর শুধু সরকারি হিসাবেই রেকর্ড ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়। যদিও বেসরকারি হিসাবে মৃত্যু তিনশ’র বেশি।
মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত সরকারি হিসাবের আওতায় থাকা সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৩ হাজার ২২৩ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৫৩টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৭ জন এবং ঢাকার বাইরে ১ হাজার ২৭৬ জন।
চলমান ভয়াবহ পরিস্থিতি চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে বলে ধারণা কীটতত্ত্ববিদদের। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার আজকের পত্রিকাকে বলেন, যেহেতু পরিস্থিতি এখনো ঊর্ধ্বমুখী তাই স্থানীয় সরকারের জোরালো পদক্ষেপের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা খুবই জরুরি। উভয়ের এগিয়ে আসার মাধ্যমে এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়া সম্ভব।

তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
১০ ঘণ্টা আগে
পোস্টে প্রেস সচিব লিখেছেন, ‘শহীদ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর থেকে আমার মনে হচ্ছে তিনি (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) ভীষণ একা হয়ে পড়েছেন। একত্রে এই দুই নেতা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম এক সম্মানিত ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। সহমর্মিতা এবং নীরবে ধৈর্য ধরার ক্ষমতার...
১১ ঘণ্টা আগে
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু জানান, রাজধানীতে নিজ বাসায় বর্ষীয়ান এ রাজনীতিকের মৃত্যু হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাদ জোহর টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে সারা দেশে অন্তত ৪২৮টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। ২০২৪ সালে গণপিটুনির ১৬৯টি ঘটনায় নিহত হয়েছিল ১৪৬ জন এবং আহত ছিল ১২৬ জন। আর ২০২৫ সালে গণপিটুনিতে ১৬৬ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৪৬০ জন। ২২০ জনকে আহতাবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গণপিটুনির ঘটনায় আহত
১৩ ঘণ্টা আগে