
বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনগুলো থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি নামিয়ে ফেলা হচ্ছে। মৌখিকভাবে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন চারটি দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত।
গতকাল শনিবার এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির ছবি নামানোর বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বিভিন্ন অঞ্চলে তুলনামূলক সিনিয়র মিশন প্রধানের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে। অন্য অঞ্চলে একজন রাষ্ট্রদূত একই নির্দেশনা পেয়েছেন।’
অন্য তিনটি দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতেরা জানান, তাঁরা গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার একইরকম নির্দেশনা পেয়েছেন।
তিনটি দূতাবাস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্দেশনা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ছবি নামানো হয়েছে।
জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও জনকূটনীতি বিভাগের মহাপরিচালক শাহ আসিফ রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়ে ফেলার কথা শুনেছি। তবে এ বিষয়ে লিখিত কোনো নির্দেশনা পাইনি।’
কিছুদিন আগে একটি মিশনে যোগ দেওয়া মিশন প্রধান জানান, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই অনেক মিশন থেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি নামিয়ে ফেলা হয়। সাবধানতা হিসেবে কোনো কোনো মিশন রাষ্ট্রপতির ছবিও নামিয়ে ফেলে।
এই রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, যেসব দেশে অনেক বাংলাদেশি থাকেন, সেখান ‘মব’ হামলার শিকার হতে পারে, এমন আশঙ্কায় ছবিগুলো নামানো হয়।

বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি ও লুটপাট বন্ধে বিমানের কার্গো হোল্ড থেকে লাগেজ বেল্ট পর্যন্ত পুরো যাত্রাপথ টার্মিনালের সিসিটিভি মনিটরে সরাসরি সম্প্রচার করতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে এই নোটিশ পাঠান।
২ মিনিট আগে
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, প্রায় ১৬ বছর পর অনেক ত্যাগের বিনিময়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে কমিটি ও মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করবে।
২৮ মিনিট আগে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এ সাধারণ ছুটি থাকবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন-সংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হবে।
৪৩ মিনিট আগে
শিক্ষকদের বেতন ও অবসর ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধের নির্দেশনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একজন শিক্ষককে শুধু বেতন বা অবসর ভাতার জন্য কষ্ট করে অফিসে ঘুরতে হবে না। যথানিয়মে যথাসময়ে তাঁর প্রাপ্য অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে পৌঁছে দিতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে