নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতির গঠিত সার্চ কমিটির সঙ্গে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের বৈঠক শেষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস মিলনায়তনে বৈঠকটি শুরু হয়।
বৈঠকে আট জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে আমন্ত্রণ জানানো হলেও চারজনই আসেননি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, চ্যানেল আইয়ের বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সম্পাদক ইনাম আহমদ চৌধুরী। আর বৈঠকে অংশ না নেওয়া চারজন হলেন ইংরেজি দৈনিক নিউএজ সম্পাদক নূরুল কবীর, মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ এবং ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক জাফর সোবহান।
বৈঠক শেষে মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘আমরা বলেছি যোগ্যতার ভিত্তিতে যেন নারী ও সংখ্যালঘু থেকে একজন করে কমিশনার নিয়োগ হয়। যোগ্যতার ভিত্তিতে সব পেশার লোকজন নিয়ে একটি ভারসাম্যমূলক নির্বাচন কমিশন তৈরি হয়। কোনো একটি পেশার ওপর যাতে জোর দেওয়া না হয়। যাঁদের নাম এসেছে তাঁদের সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া দরকার। জানা দরকার, কোনো সুবিধা নিতে তাঁরা রাজনৈতিক ভোল পাল্টেছেন কি না। কোনো আর্থিক কেলেঙ্কারি আছে কি না।’
গতকাল নাম প্রকাশ করা উচিত হয়নি উল্লেখ করে মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘এখানে অনেকেই আছেন তাঁরা নিজেরাই জানেন না তাঁদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। তালিকায় নাম দেখে হয়তো তাঁরা খুশি হয়েছেন কিন্তু যদি তাঁরা নির্বাচিত না হন তখন তাঁরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়বেন।’
বৈঠক শেষে নঈম নিজাম বলেন, ‘যিনি সর্বজন গ্রহণযোগ্য এবং যাঁকে নিয়ে বিতর্ক হবে না এমন ব্যক্তিদের নাম যেন রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব করা হয়।’
এর আগে গত শনি ও রোববার তিন দফায় দেশের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠক করে সার্চ কমিটি। সেখানে আগামী নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটিকে বিভিন্ন পরামর্শ দেন তাঁরা। বৈঠকগুলোতে আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কয়েকজন অনুপস্থিত ছিলেন।
এরই মধ্যে গতকাল সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করতে সার্চ কমিটির কাছে যে নামগুলো এসেছে তা প্রকাশ করা হয়। সার্চ কমিটির পক্ষ থেকে ৩২২ জনের কথা বলা হলেও সেখানে ছয়জনের নাম দুইবার করে ছিল। নাম প্রস্তাবে আমলাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে সার্চ কমিটি চাইলে এই প্রস্তাবের বাইরে থেকেও রাষ্ট্রপতির কাছে নাম সুপারিশ করতে পারবে বলে জানা গেছে।
সার্চ কমিটি সিইসি ও ইসি পদে নিয়োগের জন্য একেকটি পদের বিপরীতে দুজন করে ব্যক্তির নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে। সেখান থেকে একজনকে সিইসি ও চারজনকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি।
৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে প্রধান করে সার্চ কমিটি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি। সার্চ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, মহাহিসাব নিরীক্ষক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো. ছহুল হোসাইন এবং কথাসাহিত্যিক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ আনোয়ারা সৈয়দ হক।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতির গঠিত সার্চ কমিটির সঙ্গে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের বৈঠক শেষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস মিলনায়তনে বৈঠকটি শুরু হয়।
বৈঠকে আট জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে আমন্ত্রণ জানানো হলেও চারজনই আসেননি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, চ্যানেল আইয়ের বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সম্পাদক ইনাম আহমদ চৌধুরী। আর বৈঠকে অংশ না নেওয়া চারজন হলেন ইংরেজি দৈনিক নিউএজ সম্পাদক নূরুল কবীর, মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ এবং ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক জাফর সোবহান।
বৈঠক শেষে মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘আমরা বলেছি যোগ্যতার ভিত্তিতে যেন নারী ও সংখ্যালঘু থেকে একজন করে কমিশনার নিয়োগ হয়। যোগ্যতার ভিত্তিতে সব পেশার লোকজন নিয়ে একটি ভারসাম্যমূলক নির্বাচন কমিশন তৈরি হয়। কোনো একটি পেশার ওপর যাতে জোর দেওয়া না হয়। যাঁদের নাম এসেছে তাঁদের সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া দরকার। জানা দরকার, কোনো সুবিধা নিতে তাঁরা রাজনৈতিক ভোল পাল্টেছেন কি না। কোনো আর্থিক কেলেঙ্কারি আছে কি না।’
গতকাল নাম প্রকাশ করা উচিত হয়নি উল্লেখ করে মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘এখানে অনেকেই আছেন তাঁরা নিজেরাই জানেন না তাঁদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। তালিকায় নাম দেখে হয়তো তাঁরা খুশি হয়েছেন কিন্তু যদি তাঁরা নির্বাচিত না হন তখন তাঁরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়বেন।’
বৈঠক শেষে নঈম নিজাম বলেন, ‘যিনি সর্বজন গ্রহণযোগ্য এবং যাঁকে নিয়ে বিতর্ক হবে না এমন ব্যক্তিদের নাম যেন রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব করা হয়।’
এর আগে গত শনি ও রোববার তিন দফায় দেশের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠক করে সার্চ কমিটি। সেখানে আগামী নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটিকে বিভিন্ন পরামর্শ দেন তাঁরা। বৈঠকগুলোতে আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কয়েকজন অনুপস্থিত ছিলেন।
এরই মধ্যে গতকাল সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করতে সার্চ কমিটির কাছে যে নামগুলো এসেছে তা প্রকাশ করা হয়। সার্চ কমিটির পক্ষ থেকে ৩২২ জনের কথা বলা হলেও সেখানে ছয়জনের নাম দুইবার করে ছিল। নাম প্রস্তাবে আমলাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে সার্চ কমিটি চাইলে এই প্রস্তাবের বাইরে থেকেও রাষ্ট্রপতির কাছে নাম সুপারিশ করতে পারবে বলে জানা গেছে।
সার্চ কমিটি সিইসি ও ইসি পদে নিয়োগের জন্য একেকটি পদের বিপরীতে দুজন করে ব্যক্তির নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে। সেখান থেকে একজনকে সিইসি ও চারজনকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি।
৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে প্রধান করে সার্চ কমিটি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি। সার্চ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, মহাহিসাব নিরীক্ষক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো. ছহুল হোসাইন এবং কথাসাহিত্যিক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ আনোয়ারা সৈয়দ হক।

নিরাপত্তার বিবেচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
৯ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে গণভোট। সেখানে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন...
১১ ঘণ্টা আগে