মো. হুমায়ূন কবীর, ঢাকা

আরও ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৩৯ জন ভোটার বেড়েছে। তাঁদের মধ্যে দেশে ৪ লাখ ৫১ হাজার ২২৯ জন এবং প্রবাসে থাকা ১২ হাজার ২১০ জন নতুন ভোটার হয়েছেন। গত আট মাসে তাঁরা নিজ উদ্যোগে ভোটার হন। অনিষ্পন্ন রয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ৭৪৪ জনের ভোটার হওয়ার আবেদন।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ১০ অঞ্চলের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা সহজীকরণ-সংক্রান্ত সভার ১০ অঞ্চলের নথি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। সম্প্রতি এই সভা হয়েছে। কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন গত ৫ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করায় চলতি বছর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ হাতে নিতে পারেনি ইসি সচিবালয়।
গত ২ মার্চ ভোটার দিবসে ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তখন ভোটার ছিল ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। নতুন ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৩৯ ভোটার যুক্ত হওয়ায় এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১২ কোটি ২৩ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৯ জনে। এ ছাড়া ২০২২ সালে হালনাগাদে ১৮ বছরের কম বয়সীদের তথ্য নেওয়া হয়েছিল। আগামী বছরের ২ মার্চ যে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে, সেখানে আরও ৮ লক্ষাধিক নতুন ভোটার যুক্ত হবে বলে ইসি সূত্র জানায়।
নির্বাচন কমিশনের সচিব শফিউল আজিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১০ অঞ্চলের কর্মকর্তাদের নিয়ে আমরা আবার বসব। যেসব আবেদন অনিষ্পন্ন আছে, সেগুলো কীভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে।’ এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, কমিশন না থাকায় এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি। নতুন কমিশন এসে হয়তো করবে।
ওই সভার নথি থেকে জানা যায়, রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার হয়েছেন ৩৩ হাজার ৪১৮ জন। আবেদন অনিষ্পন্ন আছে ৩১ হাজার ৯৪৬টি। খুলনা অঞ্চলে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার হয়েছেন ২৪ হাজার ৯০৪ জন। আবেদন অনিষ্পন্ন আছে ২৯ হাজার ২৫১টি। ২২ অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভোটার হয়েছেন ৩১ হাজার ৫৭৩ জন এবং আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি ৩৬ হাজার ১০টি।
কুমিল্লা অঞ্চলে ভোটার হয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৩৯৮ জন। আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে ২৬ হাজার ৮০০টি। এই অঞ্চলের প্রবাসীরা ৮ হাজার ৭৮৬টি আবেদন করেছেন। অনুমোদন হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯টি। বরিশাল অঞ্চলে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন ভোটার হয়েছেন ২০ হাজার ৮৬ জন। আবেদন অনিষ্পন্ন ১৯ হাজার ৫০৬টি। ফরিদপুর অঞ্চলে ২ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার হয়েছেন ২৬ হাজার ৫৯৭ জন, আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি ২০ হাজার ৮৬১টির।
ঢাকা অঞ্চলে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার হয়েছেন ৫৮ হাজার ৯৫৫ জন, আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে ৭২ হাজার ৭২২টি। ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত নতুন ভোটার হয়েছেন ৮১ হাজার ৮২৩ জন, আবেদন অনিষ্পন্ন ২৪ হাজার ৩৭৪টি। সিলেট অঞ্চলে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত নতুন ভোটার হয়েছেন ৩৭ হাজার ৮২৯ জন, আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি ২৪ হাজার ৫৪৬টির। রংপুর অঞ্চলে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন ভোটার হয়েছেন ৩২ হাজার ৬৪৬ জন, আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি ৩৪ হাজার ৭২৮টির।
ইসি ২৮ অক্টোবর এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন ভোটার নিবন্ধন, এনআইডি সংশোধন, ভোটার স্থানান্তর, ঠিকানা পরিবর্তন, স্মার্ট কার্ড সংগ্রহসহ এনআইডি বিষয়ে যেকোনো সেবার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা, উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে সেবার বিষয়ে জানতে ইসির হটলাইন নম্বর ১০৫-এ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টোল ফ্রি কথা বলা যাবে।

আরও ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৩৯ জন ভোটার বেড়েছে। তাঁদের মধ্যে দেশে ৪ লাখ ৫১ হাজার ২২৯ জন এবং প্রবাসে থাকা ১২ হাজার ২১০ জন নতুন ভোটার হয়েছেন। গত আট মাসে তাঁরা নিজ উদ্যোগে ভোটার হন। অনিষ্পন্ন রয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ৭৪৪ জনের ভোটার হওয়ার আবেদন।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ১০ অঞ্চলের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা সহজীকরণ-সংক্রান্ত সভার ১০ অঞ্চলের নথি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। সম্প্রতি এই সভা হয়েছে। কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন গত ৫ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করায় চলতি বছর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ হাতে নিতে পারেনি ইসি সচিবালয়।
গত ২ মার্চ ভোটার দিবসে ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তখন ভোটার ছিল ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। নতুন ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৩৯ ভোটার যুক্ত হওয়ায় এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১২ কোটি ২৩ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৯ জনে। এ ছাড়া ২০২২ সালে হালনাগাদে ১৮ বছরের কম বয়সীদের তথ্য নেওয়া হয়েছিল। আগামী বছরের ২ মার্চ যে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে, সেখানে আরও ৮ লক্ষাধিক নতুন ভোটার যুক্ত হবে বলে ইসি সূত্র জানায়।
নির্বাচন কমিশনের সচিব শফিউল আজিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১০ অঞ্চলের কর্মকর্তাদের নিয়ে আমরা আবার বসব। যেসব আবেদন অনিষ্পন্ন আছে, সেগুলো কীভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে।’ এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, কমিশন না থাকায় এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি। নতুন কমিশন এসে হয়তো করবে।
ওই সভার নথি থেকে জানা যায়, রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার হয়েছেন ৩৩ হাজার ৪১৮ জন। আবেদন অনিষ্পন্ন আছে ৩১ হাজার ৯৪৬টি। খুলনা অঞ্চলে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার হয়েছেন ২৪ হাজার ৯০৪ জন। আবেদন অনিষ্পন্ন আছে ২৯ হাজার ২৫১টি। ২২ অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভোটার হয়েছেন ৩১ হাজার ৫৭৩ জন এবং আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি ৩৬ হাজার ১০টি।
কুমিল্লা অঞ্চলে ভোটার হয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৩৯৮ জন। আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে ২৬ হাজার ৮০০টি। এই অঞ্চলের প্রবাসীরা ৮ হাজার ৭৮৬টি আবেদন করেছেন। অনুমোদন হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯টি। বরিশাল অঞ্চলে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন ভোটার হয়েছেন ২০ হাজার ৮৬ জন। আবেদন অনিষ্পন্ন ১৯ হাজার ৫০৬টি। ফরিদপুর অঞ্চলে ২ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার হয়েছেন ২৬ হাজার ৫৯৭ জন, আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি ২০ হাজার ৮৬১টির।
ঢাকা অঞ্চলে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার হয়েছেন ৫৮ হাজার ৯৫৫ জন, আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে ৭২ হাজার ৭২২টি। ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত নতুন ভোটার হয়েছেন ৮১ হাজার ৮২৩ জন, আবেদন অনিষ্পন্ন ২৪ হাজার ৩৭৪টি। সিলেট অঞ্চলে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত নতুন ভোটার হয়েছেন ৩৭ হাজার ৮২৯ জন, আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি ২৪ হাজার ৫৪৬টির। রংপুর অঞ্চলে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন ভোটার হয়েছেন ৩২ হাজার ৬৪৬ জন, আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি ৩৪ হাজার ৭২৮টির।
ইসি ২৮ অক্টোবর এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন ভোটার নিবন্ধন, এনআইডি সংশোধন, ভোটার স্থানান্তর, ঠিকানা পরিবর্তন, স্মার্ট কার্ড সংগ্রহসহ এনআইডি বিষয়ে যেকোনো সেবার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা, উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে সেবার বিষয়ে জানতে ইসির হটলাইন নম্বর ১০৫-এ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টোল ফ্রি কথা বলা যাবে।

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
১৬ মিনিট আগে
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
২ ঘণ্টা আগে
নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং নৌবহরের ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে তিনটি ল্যান্ডিং ক্র্যাফট ট্যাংক (এলসিটি) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত এলসিটি-১০১-এর লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তরিকুল ইসলাম।
৪ ঘণ্টা আগে