Ajker Patrika

এজেন্ট নিয়োগ, জাল ভোট ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর নির্দেশনা ইসির

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচনী এজেন্ট ও পোলিং এজেন্ট নিয়োগ, তাঁদের দায়িত্ব-কর্তব্য, নির্বাচনী ব্যয় বিবরণী দাখিল এবং সন্ত্রাস ও জাল ভোট রোধে বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতিমধ্যে সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ-সংক্রান্ত এক পরিপত্র জারি করে এমন নির্দেশনা দেন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক আয়োজন করতে হবে। বৈঠকে প্রার্থী, তাঁদের নির্বাচনী এজেন্ট ও পোলিং এজেন্টদের সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী দায়িত্ব-কর্তব্য, নির্বাচনী ব্যয়ের বিধান ও আইন মেনে চলার বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।

নির্বাচনী এজেন্ট ও পোলিং এজেন্ট নিয়োগের বিষয়ে এতে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, প্রার্থী নিজ নির্বাচনী এলাকার যোগ্য ভোটারকে এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত নোটিশ দিতে হবে। প্রয়োজনে এজেন্ট পরিবর্তন বা বাতিল করা যাবে। এজেন্ট নিয়োগ না করলে প্রার্থী নিজেই নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে গণ্য হবেন। প্রতিটি ভোটকক্ষের জন্য একজন করে পোলিং এজেন্ট নিয়োগের সুযোগ থাকবে। ভোট গ্রহণের আগে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছে নিয়োগপত্র দেখাতে হবে। পোস্টাল ব্যালট গণনার সময়ও প্রার্থী বা তাঁর এজেন্ট উপস্থিত থাকতে পারবেন। ভোট গ্রহণ শুরু থেকে গণনা শেষ পর্যন্ত এজেন্টদের উপস্থিতি ও ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। ভোট গণনার পর প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ভোটের হিসাবসংবলিত প্রত্যয়িত অনুলিপি এজেন্টদের দেবেন। কেউ স্বাক্ষর বা রসিদ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তা লিখিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। ফল একত্রকরণের সময়ও প্রার্থী ও নির্বাচনী এজেন্টদের উপস্থিত থাকার সুযোগ থাকবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত