
‘নির্বাচনের দিনে যদি কোনো ধরনের সহিংসতা হয়, তাহলে দেখতে পারবেন কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়’—ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এবারের নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পাঁচ জেলায় দায়িত্বরত তিন বাহিনীর সব অধিনায়ক, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
মতবিনিময় সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই নির্বাচনটা খুবই উৎসবমুখর হবে এবং ফ্রি-ফেয়ার হবে। কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। এবারের মতো যে পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে, কোনো ইতিহাসে আপনারা দেখাতে পারবেন না।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা আগের অন্য নির্বাচনগুলো দেখেন, অন্য নির্বাচনগুলোতে যে রকম সহিংসতা হতো, এবার কিন্তু আল্লাহ দিলে এখন পর্যন্ত হয়নি। আমরা আশা করব, সামনেও হবে না। অন্যান্য সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী ভোট প্রাঙ্গণে যেতে পারত না, এবার আমাদের সিনিয়র সচিব ভালো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন, প্রতিটি ভোট প্রাঙ্গণে তারা যেতে পারবে। এ ছাড়া নির্বাচনের দিনে যদি কোনো ধরনের সহিংসতা হয়, তাহলে দেখতে পারবেন কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’
এ ছাড়া ফরিদপুর অঞ্চলের নির্বাচনী প্রস্তুতি খুব ভালো রয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রতিটি কেন্দ্রেই সিসিটিভি ও ড্রোনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেসব কেন্দ্রে বাউন্ডারি নেই, সেখানে বাঁশ দিয়ে ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গণি, বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই যোদ্ধাদের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখার প্রশংসা করে বিগত ১৭ বছরে নির্যাতিত বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের জন্যও বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন...
৩ মিনিট আগে
মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত কর্মকাণ্ডের জন্য বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘এখনো সময় আছে, ভেবেচিন্তে দেখতে পারেন। বাংলাদেশ সম্পর্কে আপনাদের অবস্থান পরিষ্কার করে আমাদের ও বাংলাদেশকে জানানো উচিত।’
৪০ মিনিট আগে
‘সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২’ প্রকল্পের আওতায় ৬৫ জন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যের অনুকূলে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য এই বিশেষ বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে ৩০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে...
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির নামের সঙ্গে ‘জাতীয়তাবাদ’ শব্দটা আছে। আমরা দেখতে চাই তারা কীভাবে সীমান্ত হত্যা বন্ধ করে। সে বিষয়ে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। আমরা জাতীয়তাবাদী সরকারকে সমতার ভিত্তিতে, সমমর্যাদায় সমতা নীতি নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে বলব। বাংলাদেশ ফার্স্ট এটি যেন শুধু মুখে মুখে না থাকে...
১ ঘণ্টা আগে