
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার দুপুরে বিএনপির মিডিয়া সেল এ তথ্য জানিয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টায় প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে পৌঁছাবেন। তাঁর সঙ্গে মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরাও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
এদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। এ ছাড়া শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিদেশি কূটনীতিকরা। এরপরই শহীদ মিনার সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
আজ দুপুরে শহীদ মিনার পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য পলাশীর মোড়-জগন্নাথ হল ক্রসিং-শহীদ মিনার রুট অনুসরণ করতে হবে। এর বাইরে অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করা যাবে না। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এটি সবাইকে মেনে চলতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার থেকে রোমানা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্বর অথবা চাঁনখারপুল হয়ে শহীদ মিনার ত্যাগ করা যাবে। কেউ কোনো ধরনের ধারালো বস্তু বা দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে আসার চেষ্টা করবেন না।
তিনি বলেন, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে আজ সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে কিছু ডাইভারশন চালু থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সেসব ট্রাফিক নির্দেশনা অনুসরণ করে সহযোগিতা করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিশ্ব পর্যটন দিবসের মূল আয়োজন হবে ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। বিকেল সাড়ে ২টায় ১২টি থিমেটিক প্রদর্শনী স্টল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে।
২ ঘণ্টা আগে
ফ্যাসিবাদের শক্তিকে গোপনে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশের মাঠপর্যায়ের কিছু সদস্য দায়িত্ব পালনে অবহেলা করছেন, এমন তথ্য সরকারের কাছে রয়েছে। লোয়ার লেভেলে, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন না করার, অবহেলা...
২ ঘণ্টা আগে
পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পর এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বাংলাদেশকে বড় উৎপাদন ও তৈরি পোশাকের কেন্দ্র হিসেবে চেনে। এটি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি এবং তা অব্যাহত থাকবে। তবে আজকের বাংলাদেশ এর চেয়েও অনেক বেশি সম্ভাবনা ধারণ করে।
৩ ঘণ্টা আগে