আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশে সংঘটিত শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আহত হওয়া ২০ জনের বেশি শিক্ষার্থীর দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করেছেন লন্ডনের একটি বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতালের সার্জনেরা।
লন্ডনের মুর ফিল্ডস আই হসপিটালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ মাহি মোকিত এবং নিয়াজ ইসলাম গত মাসে ঢাকায় এসে আহতদের চোখে অস্ত্রোপচার করেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমন্ত্রণে তাঁরা বাংলাদেশ সফরে এসে ১৪ থেকে ৩০ বছর বয়সী প্রায় ১৫০ জন আহতকে পরীক্ষা করেন। আহতদের সবাই জুলাইয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে চোখে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। এদের মধ্যে বেশির ভাগই গত বছর প্রাথমিক চিকিৎসা পেয়েছিলেন।
মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক আইটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরে এসে দুই দিনের মধ্যে ২৪ জন রোগীর চোখে অস্ত্রোপচার করেছিল চিকিৎসক দলটি। রোগীদের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনাই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। এ ছাড়া যারা অস্ত্রোপচারের উপযুক্ত ছিলেন না, তাঁদের জন্য স্থানীয় চিকিৎসকদের সহযোগিতায় একটি পুনর্বাসন পরিকল্পনাও তৈরি করা হয়েছে।
মুর ফিল্ডস হাসপাতালের সিনিয়র ভিটরিওরেটিনাল কনসালট্যান্ট মাহি মোকিত বলেছেন, ‘এই মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পেরে এবং তাঁদের সাহায্য করতে পেরে আমরা সম্মানিত বোধ করছি। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন একটি অভিজ্ঞতা ছিল। যারা মাসের পর মাস দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে বসে ছিলেন, তাঁদের আবার আলো দেখাতে পারা নিঃসন্দেহে একটি পরম সৌভাগ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘এক রোগী রোহানের কথা এখনো স্মরণে আছে। পুলিশ যখন তাঁর উভয় চোখে গুলি করে তিনি তখন তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে ছিলেন। তাঁর একটি চোখ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু অন্যটিতে আমরা রেটিনা ঠিক করে এবং ক্ষতচিহ্ন দূর করে অস্ত্রোপচার করেছি। আশা করছি, অস্ত্রোপচারের পর তাঁর দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে ফিরে আসবে।’
মাহি মোকিতের তথ্যমতে, অন্য একজন রোগী রোমেলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অস্ত্রোপচার করে তাঁর রেটিনাল ডিটাচমেন্ট মেরামত করা হয়েছে। তাঁর দৃষ্টিশক্তিও ধীরে ধীরে উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও একটি চমকপ্রদ ঘটনা ঘটেছে মিনহাজ নামে ২০ বছর বয়সী এক রোগীর চোখে। মাহি মোকিত বলেন, ‘তাঁর চোখে এখনো গত জুলাইয়ের বুলেটটি রয়ে গিয়েছিল। জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আমরা সেটি সরিয়ে ফেলি এবং চোখের ক্ষত সারিয়ে তুলি।’
আন্দোলনের সময় আনুমানিক ১ হাজার মানুষ কোনো না কোনোভাবে চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাদের মধ্যে প্রায় ৭০০ জনকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকা জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মুর ফিল্ডস-এর বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের চক্ষু অস্ত্রোপচারে দক্ষ করে তুলতেও প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, যেন ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আরও অনেকের দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করা যায়।
মুর ফিল্ডস-এর সিনিয়র মেডিকেল রেটিনা বিশেষজ্ঞ নিয়াজ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের সহকর্মীদের সঙ্গে আমাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ভাগাভাগি করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা চাই, তাঁরা যেন ভবিষ্যতে আরও অনেকের চোখ রক্ষা করতে পারেন—এটাই আমাদের প্রকৃত উত্তরাধিকার।’

গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশে সংঘটিত শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আহত হওয়া ২০ জনের বেশি শিক্ষার্থীর দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করেছেন লন্ডনের একটি বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতালের সার্জনেরা।
লন্ডনের মুর ফিল্ডস আই হসপিটালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ মাহি মোকিত এবং নিয়াজ ইসলাম গত মাসে ঢাকায় এসে আহতদের চোখে অস্ত্রোপচার করেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমন্ত্রণে তাঁরা বাংলাদেশ সফরে এসে ১৪ থেকে ৩০ বছর বয়সী প্রায় ১৫০ জন আহতকে পরীক্ষা করেন। আহতদের সবাই জুলাইয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে চোখে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। এদের মধ্যে বেশির ভাগই গত বছর প্রাথমিক চিকিৎসা পেয়েছিলেন।
মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক আইটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরে এসে দুই দিনের মধ্যে ২৪ জন রোগীর চোখে অস্ত্রোপচার করেছিল চিকিৎসক দলটি। রোগীদের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনাই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। এ ছাড়া যারা অস্ত্রোপচারের উপযুক্ত ছিলেন না, তাঁদের জন্য স্থানীয় চিকিৎসকদের সহযোগিতায় একটি পুনর্বাসন পরিকল্পনাও তৈরি করা হয়েছে।
মুর ফিল্ডস হাসপাতালের সিনিয়র ভিটরিওরেটিনাল কনসালট্যান্ট মাহি মোকিত বলেছেন, ‘এই মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পেরে এবং তাঁদের সাহায্য করতে পেরে আমরা সম্মানিত বোধ করছি। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন একটি অভিজ্ঞতা ছিল। যারা মাসের পর মাস দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে বসে ছিলেন, তাঁদের আবার আলো দেখাতে পারা নিঃসন্দেহে একটি পরম সৌভাগ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘এক রোগী রোহানের কথা এখনো স্মরণে আছে। পুলিশ যখন তাঁর উভয় চোখে গুলি করে তিনি তখন তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে ছিলেন। তাঁর একটি চোখ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু অন্যটিতে আমরা রেটিনা ঠিক করে এবং ক্ষতচিহ্ন দূর করে অস্ত্রোপচার করেছি। আশা করছি, অস্ত্রোপচারের পর তাঁর দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে ফিরে আসবে।’
মাহি মোকিতের তথ্যমতে, অন্য একজন রোগী রোমেলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অস্ত্রোপচার করে তাঁর রেটিনাল ডিটাচমেন্ট মেরামত করা হয়েছে। তাঁর দৃষ্টিশক্তিও ধীরে ধীরে উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও একটি চমকপ্রদ ঘটনা ঘটেছে মিনহাজ নামে ২০ বছর বয়সী এক রোগীর চোখে। মাহি মোকিত বলেন, ‘তাঁর চোখে এখনো গত জুলাইয়ের বুলেটটি রয়ে গিয়েছিল। জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আমরা সেটি সরিয়ে ফেলি এবং চোখের ক্ষত সারিয়ে তুলি।’
আন্দোলনের সময় আনুমানিক ১ হাজার মানুষ কোনো না কোনোভাবে চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাদের মধ্যে প্রায় ৭০০ জনকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকা জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মুর ফিল্ডস-এর বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের চক্ষু অস্ত্রোপচারে দক্ষ করে তুলতেও প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, যেন ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আরও অনেকের দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করা যায়।
মুর ফিল্ডস-এর সিনিয়র মেডিকেল রেটিনা বিশেষজ্ঞ নিয়াজ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের সহকর্মীদের সঙ্গে আমাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ভাগাভাগি করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা চাই, তাঁরা যেন ভবিষ্যতে আরও অনেকের চোখ রক্ষা করতে পারেন—এটাই আমাদের প্রকৃত উত্তরাধিকার।’

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
৪ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
৪ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৬ ঘণ্টা আগে