Ajker Patrika

সরকারের সিদ্ধান্তে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিল: সাক্ষীর জবানবন্দি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
সরকারের সিদ্ধান্তে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিল: সাক্ষীর জবানবন্দি
ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সরকারের সিদ্ধান্তে সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সাক্ষী ইমদাদুল হক মোল্লা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জবানবন্দিতে এ সাক্ষ্য দেন তিনি।

আজ রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তিন নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন ইমদাদুল। আসামি জয় পলাতক রয়েছেন। আর কারাগারে থাকা পলককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ১১ জানুয়ারি এই মামলায় অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।

ইমদাদুল হক মোল্লা বলেন, তিনি একজন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার। তিনি ‘অন্টিমেক্স কমিউনিকেশন লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

জবানবন্দিতে মো. ইমদাদুল হক মোল্লা বলেন, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই মহাখালী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে আগুন লাগে। ওই দিন বিকেল ৪টা থেকে কিছু কিছু এলাকায় ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হয়। রাত ৯টা থেকে ইন্টারনেট সেবা সারা দেশে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, ইন্টারনেট সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তাদের ওপরে আরও দুটি স্তর রয়েছে। ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হওয়ার বিষয়ে আইআইজির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায় আইসিটি থেকে ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বন্ধ বয়েছে। এরপর তারা বুঝতে পারেন সরকারের সিদ্ধান্তে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে।

ইমদাদুল হক বলেন, ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই তৎকালীন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক মহাখালী দুর্যোগ ব্যবস্থা ভবন পরিদর্শন করেন। তারা প্রতিমন্ত্রীকে ইন্টারনেট সেবা চালু করার জন্য অনুরোধ জানান। তখন প্রতিমন্ত্রী জানান ওই দিনই ইন্টারনেট সেবা চালু হবে। তারপর প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে বলেন, ডাটা সেন্টারে আগুন লাগার কারণে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি তাদের কাছে রাজনৈতিক বক্তব্য বলে মনে হয়েছে। কারণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে আগুন লেগেছিল, ডাটা সেন্টারে আগুন লাগেনি। যদিও আগুনে ভবনের বাইরে কিছু ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট ট্রান্সমিশন ক্যাবল পুড়ে গিয়েছিল। তবে এই ডাটা সেন্টারটি বন্ধ হলেও সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। কারণ সারা দেশে আরও ১৫–১৬ টি ডাটা সেন্টার ছিল।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

মঙ্গলবারের মধ্যে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার শোরুম অপসারণের নির্দেশ

কেন ব্যর্থ হলো ইসলামাবাদ সংলাপ, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কে কী চায়

নাগরিকত্ব পেতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান প্রসব, সুযোগ বন্ধ করছেন ট্রাম্প

চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ ইসলামাবাদ আলোচনা, ফিরে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল

আলোচনা এগিয়ে নিতে আগ্রহী দুই পক্ষই, নজর ট্রাম্পের দিকে

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত