নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ে ৫২তম সীমান্ত সম্মেলন শুরু হয়েছে। আজ রোববার বেলা ৩টা থেকে ঢাকার পিলখানার বিজিবি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। এটি ২১ জুলাই পর্যন্ত চলবে। বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদের নেতৃত্বে ২০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেছে। অপরদিকে বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী পঙ্কজ কুমার সিংয়ের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছে। ভারতীয় প্রতিনিধিদলে বিএসএফ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও ভারতের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা যোগদান করেছেন।
সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ এবং স্বর্ণসহ অন্যান্য চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচারসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সীমান্ত নদীর তীর সংরক্ষণ, বিভিন্ন সশস্ত্র উগ্রবাদী-সন্ত্রাসী সংগঠন বা গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত তাৎক্ষণিক তথ্যবিনিময়; সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির বিভিন্ন উপায় ও বিবিধ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া ভারত থেকে বাংলাদেশে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সম্মেলন উপলক্ষে পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ভারতীয় প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার প্রতীক পদ্মা সেতু ও কক্সবাজারের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করবে। সীমান্ত সম্মেলন উপলক্ষে রোববার সকালে বিএসএফ মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধিদল ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে বিজিবি মহাপরিচালক প্রতিনিধিদলকে অভ্যর্থনা জানায়। ২১ জুলাই সকালে সম্মেলনের যৌথ আলোচনার দলিল (Joint Record of Discussions-JRD) স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে সীমান্ত সম্মেলন শেষ হবে এবং একই দিন ভারতীয় প্রতিনিধিদল ঢাকা ত্যাগ করবে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ে ৫২তম সীমান্ত সম্মেলন শুরু হয়েছে। আজ রোববার বেলা ৩টা থেকে ঢাকার পিলখানার বিজিবি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। এটি ২১ জুলাই পর্যন্ত চলবে। বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদের নেতৃত্বে ২০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেছে। অপরদিকে বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী পঙ্কজ কুমার সিংয়ের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছে। ভারতীয় প্রতিনিধিদলে বিএসএফ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও ভারতের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা যোগদান করেছেন।
সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ এবং স্বর্ণসহ অন্যান্য চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচারসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সীমান্ত নদীর তীর সংরক্ষণ, বিভিন্ন সশস্ত্র উগ্রবাদী-সন্ত্রাসী সংগঠন বা গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত তাৎক্ষণিক তথ্যবিনিময়; সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির বিভিন্ন উপায় ও বিবিধ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া ভারত থেকে বাংলাদেশে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সম্মেলন উপলক্ষে পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ভারতীয় প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার প্রতীক পদ্মা সেতু ও কক্সবাজারের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করবে। সীমান্ত সম্মেলন উপলক্ষে রোববার সকালে বিএসএফ মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধিদল ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে বিজিবি মহাপরিচালক প্রতিনিধিদলকে অভ্যর্থনা জানায়। ২১ জুলাই সকালে সম্মেলনের যৌথ আলোচনার দলিল (Joint Record of Discussions-JRD) স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে সীমান্ত সম্মেলন শেষ হবে এবং একই দিন ভারতীয় প্রতিনিধিদল ঢাকা ত্যাগ করবে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
৭ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৯ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে