Ajker Patrika

গুজব-অপপ্রচারকারীদের সাইবার আইনে অন্তর্ভুক্তি বিবেচনা করছে সরকার: সংসদে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২৪ জুন ২০২৬, ১৯: ২৪
গুজব-অপপ্রচারকারীদের সাইবার আইনে অন্তর্ভুক্তি বিবেচনা করছে সরকার: সংসদে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী
সংসদে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ছবি: সংগৃহীত

গুজব ও অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সাইবার সুরক্ষা আইনে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক আইডি ব্যবহার করে অপপ্রচার, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার প্রতিরোধে সরকার বিভিন্ন আইনগত, প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নিয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসনের প্রশ্নের জবাবে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী এই তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, ‘বিটিআরসি কর্তৃক ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক প্রভৃতি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে ক্ষতিকর, ভুয়া ও গুজব কনটেন্ট অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করে ভুয়া আইডি শনাক্তকরণ, সাইবার অপরাধ তদন্ত এবং অপপ্রচারকারীদের শনাক্ত করার কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল পরিবেশে নিশ্চিত করতে সরকার আইনগত কাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপপ্রচার ও অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রেখেছে।’

যশোর-৪ আসনের সদস্য গোলাম রছুলের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘বিটিআরসি কর্তৃক সাইবার সুরক্ষা আইন অনুযায়ী জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা গোয়েন্দা সংস্থার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আপত্তিকর তথ্য-উপাত্ত বা সাইট অপসারণ বা ব্লক করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা অপারেটরদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ধরনের কার্যক্রমের জন্য বিটিআরসির নিজস্ব কোনো প্রযুক্তি যন্ত্রপাতি নেই। মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা বন্ধে বিটিআরসি ও বাংলাদেশ ব্যাংক মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহারকারীদের নিবন্ধনের সঠিকতা যাচাই ও নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনার কার্যক্রম চলছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘মোবাইল সিম নিবন্ধনপ্রক্রিয়াকে আরও সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ফেশিয়াল রিকগনিশনভিত্তিক যাচাইকরণ পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

ঢাকা-১৯ আসনের দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘বিটিসিএলর বর্তমানে টেলিফোন গ্রাহকের সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার।’

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ্য সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১-এর বাণিজ্যিক ব্যবহারের মাধ্যমে ৭৬৪ কোটি ১০ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। ১৬৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা নিট মুনাফা করেছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত