
ভয়েসেস অব বাংলাদেশ শীর্ষক একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক মৌখিক ইতিহাসের ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সহায়তায় বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে চলছে মৌখিক ইতিহাস সংগ্রহের কার্যক্রম।
মহান মুক্তিযুদ্ধ, প্রেক্ষাপট ও সমকালীন সমাজের ভিত নির্মাণে নারী ও প্রান্তিক মানুষের অবদান নথিবদ্ধ করার একটি সামগ্রিক প্রয়াসের নাম ‘ভয়েসেস অব বাংলাদেশ‘।
কর্মসূচির সমন্বয়ক আইক্যান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের আলামনাই আইরিন খান বলেন, 'মৌখিক ইতিহাস সংগ্রহ কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন; পরবর্তী পাঁচ দশকে ঘটে যাওয়া নানা রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক ঘটনা তুলে ধরা হচ্ছে। দেশের নানান প্রান্তের মুক্তিযোদ্ধা, নারী জনগোষ্ঠী, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী গবেষক-পেশাজীবী-লেখক, সমাজের অগ্রগণ্য ব্যক্তি, সংস্কৃতি কর্মী, শিক্ষার্থী ও সাধারন মানুষের কাছ থেকে সংরক্ষণ করা হচ্ছে নানান ভাষ্য। মৌখিক ইতিহাস সংগ্রহের মাধ্যমে বহুমাত্রিক ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরির মাধ্যমে অজানা ভাষ্য ও গল্প দেশের মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ হচ্ছে।'
মৌখিক ইতিহাস সংরক্ষণের অংশ হিসেবে ভয়েসেস অব বাংলাদেশের কার্যক্রম নিয়ে রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলোজি, খুলনাতে এক্সিবিশন, সেমিনার, ফিল্ম প্রদর্শনী ও আর্কাইভিং সেশন আয়োজন করা হয়েছে।
প্রকল্পের গবেষক আশা জাহিদ বলেন, 'মুক্তিযুদ্ধের নানান পরিপ্রেক্ষিত নানান অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করে অনলাইনে ডিজিটাল মাধ্যমে আর্কাইভিং করা হচ্ছে। এই কার্যক্রমে সাধারণ তরুণ থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আগ্রহ আছে এমন ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করতে পারেন।'
বিস্তারিত জানা যাবে: https://www.facebook.com/vobjourneyto50- এই ফেসবুক পেজে।
এসব সেমিনারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক প্রণব কুমার পাণ্ডে, হাবিবুর রহমান, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাবিতা রেজওয়ানা, পুলিশ কর্মকর্তা আশরাফী খানম এবং ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সম্মেলনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের নানান বিষয়গুলো তুলে ধরার পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তনিরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

ভয়েসেস অব বাংলাদেশ শীর্ষক একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক মৌখিক ইতিহাসের ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সহায়তায় বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে চলছে মৌখিক ইতিহাস সংগ্রহের কার্যক্রম।
মহান মুক্তিযুদ্ধ, প্রেক্ষাপট ও সমকালীন সমাজের ভিত নির্মাণে নারী ও প্রান্তিক মানুষের অবদান নথিবদ্ধ করার একটি সামগ্রিক প্রয়াসের নাম ‘ভয়েসেস অব বাংলাদেশ‘।
কর্মসূচির সমন্বয়ক আইক্যান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের আলামনাই আইরিন খান বলেন, 'মৌখিক ইতিহাস সংগ্রহ কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন; পরবর্তী পাঁচ দশকে ঘটে যাওয়া নানা রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক ঘটনা তুলে ধরা হচ্ছে। দেশের নানান প্রান্তের মুক্তিযোদ্ধা, নারী জনগোষ্ঠী, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী গবেষক-পেশাজীবী-লেখক, সমাজের অগ্রগণ্য ব্যক্তি, সংস্কৃতি কর্মী, শিক্ষার্থী ও সাধারন মানুষের কাছ থেকে সংরক্ষণ করা হচ্ছে নানান ভাষ্য। মৌখিক ইতিহাস সংগ্রহের মাধ্যমে বহুমাত্রিক ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরির মাধ্যমে অজানা ভাষ্য ও গল্প দেশের মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ হচ্ছে।'
মৌখিক ইতিহাস সংরক্ষণের অংশ হিসেবে ভয়েসেস অব বাংলাদেশের কার্যক্রম নিয়ে রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলোজি, খুলনাতে এক্সিবিশন, সেমিনার, ফিল্ম প্রদর্শনী ও আর্কাইভিং সেশন আয়োজন করা হয়েছে।
প্রকল্পের গবেষক আশা জাহিদ বলেন, 'মুক্তিযুদ্ধের নানান পরিপ্রেক্ষিত নানান অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করে অনলাইনে ডিজিটাল মাধ্যমে আর্কাইভিং করা হচ্ছে। এই কার্যক্রমে সাধারণ তরুণ থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আগ্রহ আছে এমন ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করতে পারেন।'
বিস্তারিত জানা যাবে: https://www.facebook.com/vobjourneyto50- এই ফেসবুক পেজে।
এসব সেমিনারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক প্রণব কুমার পাণ্ডে, হাবিবুর রহমান, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাবিতা রেজওয়ানা, পুলিশ কর্মকর্তা আশরাফী খানম এবং ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সম্মেলনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের নানান বিষয়গুলো তুলে ধরার পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তনিরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

সস্ত্রীক বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছেন।
৯ মিনিট আগে
২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
২ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
৩ ঘণ্টা আগে