নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, সংস্কার ছাড়া দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) আদালতে এ কথা বলেন তিনি।
ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচনের অভিযোগে বিএনপির করা মামলায় আজ তাঁর রিমান্ড শুনানি হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে শুনানির সময় সাবেক সিইসি আদালতের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, ২০২৪ সালের নির্বাচন ছিল ডামি নির্বাচন। এটি ছিল প্রহসনের নির্বাচন। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা না হওয়ার কারণেই এই ডামি নির্বাচন হয়েছে।
হাবিবুল আউয়ালের এমন উত্তরের পর তাঁকে আদালত প্রশ্ন করেন, তাহলে তিনি পদত্যাগ করলেন না কেন? আদালতের এই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘অতীতে কোনো সিইসি পদত্যাগ করেননি। পদত্যাগ করার রেকর্ড এ দেশে নেই।’
তাঁর আমলে রাজনৈতিক সমঝোতার অভাবে একতরফা নির্বাচন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে এখানে আমাকে পয়সা দেওয়ার কোনো প্রশ্ন আসেনি। আমার জীবনে আমি অর্থ আত্মসাৎ বা দুর্নীতি করিনি।’
তিনি বাংলাদেশ স্বাধীনের পর শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে নির্বাচন ও ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন। এসব নির্বাচনের বিভিন্ন অনিয়মের দিক তুলে ধরেন।
কোন নির্বাচন বিতর্কিতমুক্ত ছিল—এমন প্রশ্ন রেখে হাবিবুল আউয়াল বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালেও কিন্তু মানুষকে পথে আটকে নমিনেশন দিতে দেওয়া হয়নি। শেখ মুজিবের ক্ষমতার যে লোভ, তিনিও নিজেকে সামলাতে পারেননি। সেই সময়ও কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। দলীয় সরকারের অধীনে সব নির্বাচনই বিতর্কিত। তিনি বলেন, তখনো কোনো সিইসি বা নির্বাচন কমিশনারেরা পদত্যাগ করেননি।
সংস্কার ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না জানিয়ে হাবিবুল আউয়াল বলেন, ১ হাজার বছরেও নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না, যদি না কিছু মৌলিক সংস্কার করা হয়।
পরে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তাঁর ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। গতকাল বুধবার তাঁকে মগবাজার এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।
প্রহসনের নির্বাচন করার অভিযোগে ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কে এম নূরুল হুদা, ২০২৪ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে ২২ জুন সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন খান।

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, সংস্কার ছাড়া দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) আদালতে এ কথা বলেন তিনি।
ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচনের অভিযোগে বিএনপির করা মামলায় আজ তাঁর রিমান্ড শুনানি হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে শুনানির সময় সাবেক সিইসি আদালতের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, ২০২৪ সালের নির্বাচন ছিল ডামি নির্বাচন। এটি ছিল প্রহসনের নির্বাচন। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা না হওয়ার কারণেই এই ডামি নির্বাচন হয়েছে।
হাবিবুল আউয়ালের এমন উত্তরের পর তাঁকে আদালত প্রশ্ন করেন, তাহলে তিনি পদত্যাগ করলেন না কেন? আদালতের এই প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘অতীতে কোনো সিইসি পদত্যাগ করেননি। পদত্যাগ করার রেকর্ড এ দেশে নেই।’
তাঁর আমলে রাজনৈতিক সমঝোতার অভাবে একতরফা নির্বাচন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে এখানে আমাকে পয়সা দেওয়ার কোনো প্রশ্ন আসেনি। আমার জীবনে আমি অর্থ আত্মসাৎ বা দুর্নীতি করিনি।’
তিনি বাংলাদেশ স্বাধীনের পর শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে নির্বাচন ও ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন। এসব নির্বাচনের বিভিন্ন অনিয়মের দিক তুলে ধরেন।
কোন নির্বাচন বিতর্কিতমুক্ত ছিল—এমন প্রশ্ন রেখে হাবিবুল আউয়াল বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালেও কিন্তু মানুষকে পথে আটকে নমিনেশন দিতে দেওয়া হয়নি। শেখ মুজিবের ক্ষমতার যে লোভ, তিনিও নিজেকে সামলাতে পারেননি। সেই সময়ও কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। দলীয় সরকারের অধীনে সব নির্বাচনই বিতর্কিত। তিনি বলেন, তখনো কোনো সিইসি বা নির্বাচন কমিশনারেরা পদত্যাগ করেননি।
সংস্কার ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না জানিয়ে হাবিবুল আউয়াল বলেন, ১ হাজার বছরেও নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না, যদি না কিছু মৌলিক সংস্কার করা হয়।
পরে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তাঁর ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। গতকাল বুধবার তাঁকে মগবাজার এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।
প্রহসনের নির্বাচন করার অভিযোগে ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কে এম নূরুল হুদা, ২০২৪ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে ২২ জুন সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন খান।

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
৪ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
৪ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৬ ঘণ্টা আগে