আজকের পত্রিকা ডেস্ক

নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আগামী ১৮ তারিখ সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক সম্মেলনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের বার্তা দেওয়া হবে। আজ রোববার দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি আনোয়ারুল বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাজ হলো নির্বাচন করা। নির্বাচনে জেলা প্রশাসকেরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ডিসিদের জন্য আমাদের বার্তা থাকবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকার। কারণ নির্বাচন না হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
ইসি আরও বলেন, ‘আমরা একটি উত্তম নির্বাচন করতে চাচ্ছি। যেকোনো মূল্যে এটি করতে হবে। সেই বার্তাটি আমরা দেওয়ার চেষ্টা করব।’
মাঠ প্রশাসন কমিশনের কথা শোনে না, এমন সমালোচনা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে, এই প্রশাসনকে নিয়েই হয়েছে। যেহেতু সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চাপ বা প্রভাব থাকবে না, সেহেতু আমরা আশাবাদী সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হবে। এতে করে কেউ সাহস পাবে না। কারণ আমাদের সামনে ভালো উদাহরণও রয়েছে, খারাপ উদাহরণও রয়েছে। কমিশন বিশ্বাস করে, খারাপ উদাহরণ সৃষ্টি হবে না এবং উত্তম নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে হবে।’
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিলের দাবি প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে ইসি আনোয়ারুল বলেন, ‘আমাদের এ বিষয়ে বলার সময় আসেনি। আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে। আরও সময় লাগবে আমাদের। এখনই কিছু বলতে চাচ্ছি না। সময়ই আমাদের গাইড করবে আমরা কী করব।’
ডিসিদের দলীয় মানসিকতার বিষয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনের কাজে সহায়তা করার জন্য সবাই বাধ্য। যখন তফসিল হবে এবং নির্বাচন কমিশন যখন মনে করবে যেখানে যে নিরপেক্ষ ডিসিকে পদায়ন প্রয়োজন, সেই বিষয়ে কমিশন কঠোরভাবে অটল থাকবে।
নিজস্ব কর্মকর্তাদের রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, কমিশন এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
সীমানা পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৪০০ আবেদন এসেছে। আবেদনগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে। নির্বাচন কমিশনের কাছে যথোপযুক্ত হবে, সেটাই হবে।

নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আগামী ১৮ তারিখ সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক সম্মেলনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের বার্তা দেওয়া হবে। আজ রোববার দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি আনোয়ারুল বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাজ হলো নির্বাচন করা। নির্বাচনে জেলা প্রশাসকেরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ডিসিদের জন্য আমাদের বার্তা থাকবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকার। কারণ নির্বাচন না হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
ইসি আরও বলেন, ‘আমরা একটি উত্তম নির্বাচন করতে চাচ্ছি। যেকোনো মূল্যে এটি করতে হবে। সেই বার্তাটি আমরা দেওয়ার চেষ্টা করব।’
মাঠ প্রশাসন কমিশনের কথা শোনে না, এমন সমালোচনা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে, এই প্রশাসনকে নিয়েই হয়েছে। যেহেতু সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চাপ বা প্রভাব থাকবে না, সেহেতু আমরা আশাবাদী সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হবে। এতে করে কেউ সাহস পাবে না। কারণ আমাদের সামনে ভালো উদাহরণও রয়েছে, খারাপ উদাহরণও রয়েছে। কমিশন বিশ্বাস করে, খারাপ উদাহরণ সৃষ্টি হবে না এবং উত্তম নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে হবে।’
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিলের দাবি প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে ইসি আনোয়ারুল বলেন, ‘আমাদের এ বিষয়ে বলার সময় আসেনি। আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে। আরও সময় লাগবে আমাদের। এখনই কিছু বলতে চাচ্ছি না। সময়ই আমাদের গাইড করবে আমরা কী করব।’
ডিসিদের দলীয় মানসিকতার বিষয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনের কাজে সহায়তা করার জন্য সবাই বাধ্য। যখন তফসিল হবে এবং নির্বাচন কমিশন যখন মনে করবে যেখানে যে নিরপেক্ষ ডিসিকে পদায়ন প্রয়োজন, সেই বিষয়ে কমিশন কঠোরভাবে অটল থাকবে।
নিজস্ব কর্মকর্তাদের রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, কমিশন এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
সীমানা পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৪০০ আবেদন এসেছে। আবেদনগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে। নির্বাচন কমিশনের কাছে যথোপযুক্ত হবে, সেটাই হবে।

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৯ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
১১ ঘণ্টা আগে