শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি এবং সরকারি প্লট নেবেন না বলে জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।
বিএনপির বৈঠকে সিদ্ধান্তে বলা হয়, ‘সংসদীয় দলের প্রথম সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যে বিএনপির কোনো সম্মানিত সংসদ সদস্য ডিউটি-ফ্রি গাড়ি নেবেন না এবং সরকারি বরাদ্দে কোনো প্লট নেবেন না।’
এদিকে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যদের ব্যবহারের জন্য ৫০টি গাড়ি ও চালক প্রস্তুত রেখেছে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর। আজ মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, বরাদ্দকৃত ৫০টি যানবাহনের মধ্যে ৩০টি ‘ক্যামরি’ ও ২০টি ‘ল্যান্সার’ মডেলের গাড়ি রয়েছে। প্রতিটি গাড়ির সঙ্গে একজন করে চালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের নাম ও মোবাইল নম্বর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জানান, নতুন সরকারের মন্ত্রীদের জন্য ৩৭টি বাড়ি প্রস্তুত রেখেছে। তাঁদের জন্য গাড়িও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ৩৭টি বাড়ি প্রস্তুত করে রেখেছি। মিন্টো রোড, হেয়ার রোড, ধানমন্ডি ও গুলশানে এই বাড়িগুলো রয়েছে। প্রয়োজনে আরও কয়েকটি বাড়ি প্রস্তুত করার প্রস্তুতি চলছে। ৩৭টি বাড়ির মধ্যে অনেকটিতে বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা বসবাস করছেন।’
১৯৭৩ সালের ‘দ্য মিনিস্টার্স, মিনিস্টার্স অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টার্স (রিমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট’ (সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংশোধিত) এবং সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত অর্ডার অনুযায়ী মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য আবাসন ও গাড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়।
আবাসন ও সাজসজ্জা বরাদ্দ
সরকার মন্ত্রীদের জন্য রাজধানীর অভিজাত এলাকায় সুসজ্জিত বাসভবন দেয়। এই বাসভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও টেলিফোন বিলের সম্পূর্ণটাই রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে পরিশোধ করা হয়। যদি কোনো মন্ত্রী সরকারি বাসভবনে না থেকে নিজ বাড়িতে বা ভাড়া বাড়িতে থাকেন, তবে তিনি প্রতি মাসে ৮০ হাজার টাকা ঘরভাড়া পান (প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের ক্ষেত্রে ৭০ হাজার টাকা)। এ ছাড়া সরকারি বাড়ি সাজসজ্জা বা আসবাবপত্রের জন্য একজন মন্ত্রী বছরে ৫ লাখ টাকা এবং প্রতিমন্ত্রীরা ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারেন।
বিলাসবহুল গাড়ি ও জ্বালানি সুবিধা
মন্ত্রীদের জন্য সার্বক্ষণিক সরকারি গাড়ি এবং একজন চালক বরাদ্দ থাকেন। বিশেষ প্রয়োজনে তাঁরা অতিরিক্ত একটি জিপ গাড়িও ব্যবহারের সুযোগ পান। জ্বালানি বাবদ মন্ত্রীরা দৈনিক ১৮ লিটার তেলের সমপরিমাণ অর্থ পান।
অন্যদিকে, সংসদ সদস্যরা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য শুল্কমুক্ত বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির বিশেষ সুবিধা পান, যা সাধারণ নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল। যাতায়াত ভাতা হিসেবে সংসদ সদস্যরা মাসে ৭০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াতের জন্য বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ট্রাভেল পাস বা ভাতা পেয়ে থাকেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেড় বছরের বেশি সময় পর গঠিত হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। আজ মঙ্গলবার দেশের সব নির্বাচিত সংসদ সদস্য, মন্ত্রিপরিষদের প্রধানসহ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেছেন। বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়...
১৭ মিনিট আগে
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন ঘটে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের। বিশেষ এই প্রেক্ষাপটে ওই বছরের ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। তারপর অতিবাহিত হয়েছে দেড় বছর। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের
১ ঘণ্টা আগে
গণভোটের ফলাফল স্থগিত চেয়ে রিট করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং গণভোটের ফলাফল ঘোষণা করে ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত গেজেট স্থগিত চেয়ে রিটটি করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জাতীয় সংসদে আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং পরে গোপনীয়তার শপথবাক্য পাঠ করান।
২ ঘণ্টা আগে