নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিদেশে পাচার হওয়া ২৩৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত আনতে শিগগিরই একটি বিশেষ আইন করা হচ্ছে।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
এর আগে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে নতুন আইন তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে শ্বেতপত্রের ফাইন্ডিংস ছিল ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বাইরে পাচার হয়ে যায়। এর মধ্যে ১৭ বিলিয়ন ডলার ছিল যেটি পাচার হয় বাংলাদেশের ব্যাংকিং সিস্টেম থেকে। এ টাকাটা উদ্ধারে প্রথম থেকেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রয়াস ছিল। অধ্যাপক ইউনূস প্রথম থেকেই বলে আসছেন এটা হচ্ছে আমাদের সরকারের টপ প্রায়োরিটি। এটা বাংলাদেশের মানুষের টাকা। আমরা যেভাবেই হোক টাকাটা ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছি।’
প্রেস সচিব আরও বলেন, ‘সেজন্য সেপ্টেম্বর মাসের ২৯ তারিখ একটা ১১ সদস্য বিশিষ্ট টাস্কফোর্স করা হয়। এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। এ টাস্কফোর্সের অন্য যারা এজেন্সি, অন্যান্য যে প্রতিষ্ঠান, তারা কতটুকু কী করছেন টাকাটা ফেরত আনার জন্য, এ বিষয়ে একটা বড় মিটিং হয়।
অধ্যাপক ইউনূস দ্রুততম সময়ে টাকা ফেরত আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে সভায় নির্দেশ দিয়েছেন।’
অধ্যাদেশের মাধ্যমে এ বিষয়ে আইন করা হবে বলেও জানিয়েছেন শফিকুল আলম।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেড় ঘণ্টার ওই সভার সিদ্ধান্ত তুলে ধরে প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রথম যে ডিসিশনটা সেটা হচ্ছে যে, একটা স্পেশাল আইন করা, এ টাকাটা কীভাবে আনা যায় সেটা তরান্বিত করার জন্য এবং টাস্কফোর্স যে কাজ করছে সে কাজগুলোর মধ্যে কোঅর্ডিনেশনটা স্মুথলি করার জন্য একটা আইন খুব শিগগিরই হবে। আপনারা হয়তো আগামী সপ্তাহের মধ্যে এ আইনটা দেখবেন। এই আইনটা হচ্ছে ত্বরান্বিত করে কীভাবে টাকাটা আনা যায়। এতে আইনের একটা কভার লাগবে। প্রচুর ল ফার্মের সঙ্গে টাস্কফোর্স কথা বলছে। এ ফার্মগুলোর সঙ্গে ইমপ্লিমেন্ট করতে এ আইন সাহায্য করবে।’
শফিকুল আলম বলেন, ‘বৈঠকে এনবিআর চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, অনেক ছেলে–মেয়ে বিদেশে পড়তে যায়। একটা কেসে দেখা গেছে, ছেলের টিউশন ফি হিসেবে ৪০০–৫০০ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। মানি লন্ডারিংটা কীভাবে হয়েছে দেখেন।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— উপ–প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, অপূর্ব জাহাঙ্গীর, সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিদেশে পাচার হওয়া ২৩৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত আনতে শিগগিরই একটি বিশেষ আইন করা হচ্ছে।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
এর আগে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে নতুন আইন তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে শ্বেতপত্রের ফাইন্ডিংস ছিল ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বাইরে পাচার হয়ে যায়। এর মধ্যে ১৭ বিলিয়ন ডলার ছিল যেটি পাচার হয় বাংলাদেশের ব্যাংকিং সিস্টেম থেকে। এ টাকাটা উদ্ধারে প্রথম থেকেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রয়াস ছিল। অধ্যাপক ইউনূস প্রথম থেকেই বলে আসছেন এটা হচ্ছে আমাদের সরকারের টপ প্রায়োরিটি। এটা বাংলাদেশের মানুষের টাকা। আমরা যেভাবেই হোক টাকাটা ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছি।’
প্রেস সচিব আরও বলেন, ‘সেজন্য সেপ্টেম্বর মাসের ২৯ তারিখ একটা ১১ সদস্য বিশিষ্ট টাস্কফোর্স করা হয়। এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। এ টাস্কফোর্সের অন্য যারা এজেন্সি, অন্যান্য যে প্রতিষ্ঠান, তারা কতটুকু কী করছেন টাকাটা ফেরত আনার জন্য, এ বিষয়ে একটা বড় মিটিং হয়।
অধ্যাপক ইউনূস দ্রুততম সময়ে টাকা ফেরত আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে সভায় নির্দেশ দিয়েছেন।’
অধ্যাদেশের মাধ্যমে এ বিষয়ে আইন করা হবে বলেও জানিয়েছেন শফিকুল আলম।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেড় ঘণ্টার ওই সভার সিদ্ধান্ত তুলে ধরে প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রথম যে ডিসিশনটা সেটা হচ্ছে যে, একটা স্পেশাল আইন করা, এ টাকাটা কীভাবে আনা যায় সেটা তরান্বিত করার জন্য এবং টাস্কফোর্স যে কাজ করছে সে কাজগুলোর মধ্যে কোঅর্ডিনেশনটা স্মুথলি করার জন্য একটা আইন খুব শিগগিরই হবে। আপনারা হয়তো আগামী সপ্তাহের মধ্যে এ আইনটা দেখবেন। এই আইনটা হচ্ছে ত্বরান্বিত করে কীভাবে টাকাটা আনা যায়। এতে আইনের একটা কভার লাগবে। প্রচুর ল ফার্মের সঙ্গে টাস্কফোর্স কথা বলছে। এ ফার্মগুলোর সঙ্গে ইমপ্লিমেন্ট করতে এ আইন সাহায্য করবে।’
শফিকুল আলম বলেন, ‘বৈঠকে এনবিআর চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, অনেক ছেলে–মেয়ে বিদেশে পড়তে যায়। একটা কেসে দেখা গেছে, ছেলের টিউশন ফি হিসেবে ৪০০–৫০০ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। মানি লন্ডারিংটা কীভাবে হয়েছে দেখেন।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— উপ–প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, অপূর্ব জাহাঙ্গীর, সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে