Ajker Patrika

গাজী নজরুলের বিষয়ে স্পিকারের দিকে তাকিয়ে ইসি: আব্দুর রহমানেল মাছউদ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
গাজী নজরুলের বিষয়ে স্পিকারের দিকে তাকিয়ে ইসি: আব্দুর রহমানেল মাছউদ
গাজী নজরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

সংসদ সদস্যকে বহিষ্কারের দলীয় চিঠির ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের করার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেছেন, এই নিয়ে স্পিকারের রেফারেন্সসহ চিঠির অপেক্ষায় থাকবেন তারা। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, দলের চিঠির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া একটা কন্ট্রোভার্সিয়াল বিষয়। স্পিকার আমাদের কাছে রেফার করলে ডিসপিউট নিয়ে পর্যালোচনা, শুনানি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জামায়াত থেকে বহিষ্কার সাতক্ষীরা-৪ আসনের গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না তা নিয়ে আলোচনার মধ্যে ইসির করণীয় নিয়ে কথা বলেন এ নির্বাচন কমিশনার।

সোমবার রাতে এক নারীর সঙ্গে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদসদস্য গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে প্রথমে জামায়াতের নেতাকর্মীরা এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বলে দাবি করেন। এরপর মঙ্গলবার সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে একটি পোস্ট লিখে সেখানে ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন।

পরদিন বুধবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি সভায় মজলিসে শূরার এই সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সংবিধান ও নির্বাচনী আইন আরপিও অনুযায়ী দল থেকে পদত্যাগ করলে এমপি পদ থাকবে কি না এ নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলছেন, শুধু দলের বহিষ্কারের চিঠি দিয়ে এমপি পদ থাকা না থাকার আলোচনা একটা বিতর্কিত বিষয়। সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের পদ নিয়ে স্পিকার বা জাতীয় সংসদের তরফ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স বা চিঠি পেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন।

সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যের অযোগ্যতার বিষয়ে স্পিকারের রেফারেন্স-এর কথা তুলে ধরেন এই নির্বাচন কমিশনার। তিনি আরও বলেন, দল বহিষ্কার করলে ইসির কিছু করার সুযোগ নেই। তবে দল থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্পিকার আমাদের রেফার করলে বা জাতীয় সংসদের তরফ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স বা চিঠি পাওয়া গেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত