আগামী ১০ মে শুরু হতে যাচ্ছে পুলিশ সপ্তাহ। চার দিনব্যাপী এই আয়োজনের উদ্বোধনী দিনে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) প্রদান করা হবে। এ বছর মোট ১০৭ জন সদস্যকে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় অবদান রাখার কারণে র্যাবে দায়িত্ব পালনকারী সেনা ও বিমানবাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তাও পদক পাচ্ছেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনোনীতদের হাতে পদক তুলে দেবেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে—পুলিশ সপ্তাহ শুরুর আগেই আগামী ২ মে পদকের জন্য মনোনীতদের রাজারবাগ পুলিশ লাইনস প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত চিঠিতে ডিআইজি (কনফিডেনশিয়াল) মো. কামরুল আহসান সই করেছেন। চিঠিতে পদকপ্রাপ্ত ১০৭ জন সদস্যের নাম, পদবি ও ঠিকানাও সংযুক্ত রয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ ৪০০ জনকে বিপিএম ও পিপিএম পদক দেওয়া হয়েছিল। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ১১৭ জন এবং তার আগের বছর ২৩০ জন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত বছর সাত দিনের পরিবর্তে তিন দিনে সীমিত আকারে পুলিশ সপ্তাহ আয়োজন করা হয়। তখন কোনো প্যারেড, শিল্ড প্যারেড বা অন্যান্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়নি। এমনকি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মিলন, বিশেষ প্রকাশনা কিংবা গণমাধ্যমে বিশেষ অনুষ্ঠানও হয়নি।
তবে এবারের পুলিশ সপ্তাহে পূর্ণাঙ্গ আয়োজন ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উদ্যাপন কমিটি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শেষ হয়েছে। ২৫ কার্যদিবসের বৈঠকে মোট ৯৪টি বিল পাস হয়েছে, ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপিত হয়েছে, গঠিত হয়েছে সাতটি কমিটি আর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর প্রায় ৪০ ঘণ্টার আলোচনায় অংশ নিয়েছেন ২৮০ জন সংসদ সদস্য।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘মাননীয় স্পিকার, এই যে চেয়ারটা আপনি দেখছেন, যে চেয়ারে আমি এখানে বসছি, আপনার সামনে, মাননীয় স্পিকার, এই চেয়ার কঠিন একটি চেয়ার মাননীয় স্পিকার। এ চেয়ার দেখলে মনে হয় বসতে খুব আরাম। আসলে মাননীয় স্পিকার মোটেও আরামের না।’
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সংসদ যাতে কোনোভাবেই ব্যর্থ না হয়, সে বিষয়ে নিজ দল ও বিরোধী দলসহ সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমরা বিতর্ক করব, আলোচনা করব; কিন্তু কোনোভাবেই এই সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।’
৩ ঘণ্টা আগে
অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধারের সংখ্যা বৃদ্ধি, গণপিটুনি ও মব সহিংসতার বিস্তার—আইনের শাসনের দুর্বলতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। সীমান্ত এলাকায় হতাহতের ঘটনা, অপহরণ ও নির্যাতন এবং পার্বত্য অঞ্চলে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনাও নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
৫ ঘণ্টা আগে