নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই মাসে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ২৫৫ জন নারী ও কন্যাশিশু। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৬৪ জন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নারী ও কন্যা নির্যাতন বিষয়ক মাসিক পরিসংখ্যানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়। এতে জানানো হয়, ১৬টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে নারী ও কন্যা নির্যাতন বিষয়ক পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই মাসে ২ জন কন্যাশিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এবং ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছে ২ জন কন্যা। এছাড়াও ১৩ জন কন্যাসহ ২০ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাইয়ে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে ১৫ জন কন্যাসহ ১৮ জন। উত্ত্যক্তকরণের শিকার হয়েছে ৪ জন কন্যা। নারী ও কন্যা পাচারের ঘটনার শিকার ১ জন। ২ জন এসিডদগ্ধের শিকার হয়েছে। ৩ জন অগ্নিদগ্ধের শিকার হয়েছে, এর মধ্যে ১ জনের অগ্নিদগ্ধের কারণে মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন কারণে ১ জন কন্যাসহ ৪২ জনকে হত্যা করা হয়েছে। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১৩ জন, এর মধ্যে ৯ জনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে ২ জন কন্যাসহ ৯ জন।
পারিবারিক সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ২টি। ১ জন গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ৭ জন কন্যাসহ ২২ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ৭ জন কন্যাসহ ১৮ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৩ জন আত্মহত্যার প্ররোচনার শিকার হয়েছে। ৪ জন কন্যাসহ ৬ জন অপহরণের ঘটনার শিকার হয়েছে। এছাড়াও ৩ জন কন্যাকে অপহরণের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে ৩টি এবং বাল্যবিবাহের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে ৯টি। ১ জন কন্যাসহ ২ জন সাইবার ক্রাইমের শিকার হয়েছে। এছাড়া ৫ জন কন্যাসহ ১৩ জন বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

জুলাই মাসে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ২৫৫ জন নারী ও কন্যাশিশু। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৬৪ জন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নারী ও কন্যা নির্যাতন বিষয়ক মাসিক পরিসংখ্যানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়। এতে জানানো হয়, ১৬টি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে নারী ও কন্যা নির্যাতন বিষয়ক পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই মাসে ২ জন কন্যাশিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এবং ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছে ২ জন কন্যা। এছাড়াও ১৩ জন কন্যাসহ ২০ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাইয়ে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে ১৫ জন কন্যাসহ ১৮ জন। উত্ত্যক্তকরণের শিকার হয়েছে ৪ জন কন্যা। নারী ও কন্যা পাচারের ঘটনার শিকার ১ জন। ২ জন এসিডদগ্ধের শিকার হয়েছে। ৩ জন অগ্নিদগ্ধের শিকার হয়েছে, এর মধ্যে ১ জনের অগ্নিদগ্ধের কারণে মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন কারণে ১ জন কন্যাসহ ৪২ জনকে হত্যা করা হয়েছে। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১৩ জন, এর মধ্যে ৯ জনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে ২ জন কন্যাসহ ৯ জন।
পারিবারিক সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ২টি। ১ জন গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ৭ জন কন্যাসহ ২২ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ৭ জন কন্যাসহ ১৮ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৩ জন আত্মহত্যার প্ররোচনার শিকার হয়েছে। ৪ জন কন্যাসহ ৬ জন অপহরণের ঘটনার শিকার হয়েছে। এছাড়াও ৩ জন কন্যাকে অপহরণের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে ৩টি এবং বাল্যবিবাহের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে ৯টি। ১ জন কন্যাসহ ২ জন সাইবার ক্রাইমের শিকার হয়েছে। এছাড়া ৫ জন কন্যাসহ ১৩ জন বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দুদক জানিয়েছে, সাতজন নিম্ন আয়ের মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে একটি চক্র। সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমিলা জামান ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তা করেন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামানের ভাই ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের নির্দেশনা আগের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় দেওয়া হয়েছিল।
৫ ঘণ্টা আগে
সিআইডির অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। অভিযোগসংশ্লিষ্ট মো. কামরুজ্জামান ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন।
৫ ঘণ্টা আগে