নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী জ্ঞান প্রচার, সত্যের পক্ষে অবস্থান এবং মিথ্যা ও অশ্লীলতা পরিহার করা অপরিহার্য। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর শিক্ষা অনুসারে যদি সততা, নৈতিকতা ও কল্যাণকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার করা যায়, তাহলে এটি মানবতার কল্যাণে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠবে।
আজ সকালে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টারে সে দেশের ধর্ম বিষয়ক ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে আন্তর্জাতিক সীরাতুন্নবী (সা.) সম্মেলনের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে ধর্ম উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
এ বছর সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হলো— মহানবী (সা.) এর শিক্ষার আলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহারে শিখন ও প্রশিক্ষণে রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান বিশ্বে সোশ্যাল মিডিয়া একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি মানুষের চিন্তা-ভাবনা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধের ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে। সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে সোশ্যাল মিডিয়া জ্ঞানচর্চা, দ্বীনি দাওয়াত, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিকাশ এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের হাতিয়ার হতে পারে। তবে মাধ্যমের অপব্যবহার সমাজে অশ্লীলতা, ভ্রান্ত মতবাদ ও গুজব ছড়ানো এবং নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে।
পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি মন্ত্রণালয়ের ফেডারেল মন্ত্রী সরদার মুহাম্মদ ইউসুফের সভাপতিত্বে এ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সেদেশের দারিদ্র্য দূরীকরণ মন্ত্রী ইমরান শাহ, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতির ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ও শরীয়াহ কোর্টের প্রধান বিচারপতি শায়খ মাহমুদ সিদক, বাহরাইনের শরীয়াহ শুরা কাউন্সিলের সদস্য শায়খ আদিল আবদুর রহমান, মিশরের দারুল ইফতার সচিব শায়খ আবদুল হামিদ রাগীব প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী জ্ঞান প্রচার, সত্যের পক্ষে অবস্থান এবং মিথ্যা ও অশ্লীলতা পরিহার করা অপরিহার্য। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর শিক্ষা অনুসারে যদি সততা, নৈতিকতা ও কল্যাণকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার করা যায়, তাহলে এটি মানবতার কল্যাণে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠবে।
আজ সকালে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টারে সে দেশের ধর্ম বিষয়ক ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে আন্তর্জাতিক সীরাতুন্নবী (সা.) সম্মেলনের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে ধর্ম উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
এ বছর সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হলো— মহানবী (সা.) এর শিক্ষার আলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহারে শিখন ও প্রশিক্ষণে রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান বিশ্বে সোশ্যাল মিডিয়া একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এটি মানুষের চিন্তা-ভাবনা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধের ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে। সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে সোশ্যাল মিডিয়া জ্ঞানচর্চা, দ্বীনি দাওয়াত, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিকাশ এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের হাতিয়ার হতে পারে। তবে মাধ্যমের অপব্যবহার সমাজে অশ্লীলতা, ভ্রান্ত মতবাদ ও গুজব ছড়ানো এবং নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে।
পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি মন্ত্রণালয়ের ফেডারেল মন্ত্রী সরদার মুহাম্মদ ইউসুফের সভাপতিত্বে এ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সেদেশের দারিদ্র্য দূরীকরণ মন্ত্রী ইমরান শাহ, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতির ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ও শরীয়াহ কোর্টের প্রধান বিচারপতি শায়খ মাহমুদ সিদক, বাহরাইনের শরীয়াহ শুরা কাউন্সিলের সদস্য শায়খ আদিল আবদুর রহমান, মিশরের দারুল ইফতার সচিব শায়খ আবদুল হামিদ রাগীব প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
৪ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
৪ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৬ ঘণ্টা আগে