আজকের পত্রিকা ডেস্ক

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিস্তারিত জানতে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদকে খুব প্রয়োজন। মইন হাসিনাসহ যারা বিদেশে রয়েছেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ইতিমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দূতাবাসগুলোতে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টসে (বিআরআইসিএম) মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। সেখানে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সভাপতি বলেন, ‘কমিশন ইতিমধ্যে ৩৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে তিনজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল, দুজন মেজর জেনারেল, পাঁচজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও পাঁচজন কর্নেল রয়েছেন। যারা অনেকেই অবসরে গেছেন। সর্বশেষ গতকাল বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের ছেলে সাক্ষ্য দিয়ে গেছেন।’
আ ল ম ফজলুর রহমান বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে আমাদের আরও অনেকের সঙ্গে বলা প্রয়োজন। এ জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন ব্যক্তির ওপর বিদেশ গমনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিছু বিদেশি দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যা নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’
তবে কার কার বিরুদ্ধে বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে, তাদের সংখ্যাই বা কত, এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেননি তিনি।
ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আপাতত তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম কোন কোন দূতাবাসে যোগাযোগ করে পলাতকদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে তাদের নাম বলতে পারছি না। তবে জেনারেল মইন শেখ হাসিনার মতো এমন আরও অনেককে প্রয়োজন।’

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিস্তারিত জানতে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদকে খুব প্রয়োজন। মইন হাসিনাসহ যারা বিদেশে রয়েছেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ইতিমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দূতাবাসগুলোতে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টসে (বিআরআইসিএম) মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। সেখানে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সভাপতি বলেন, ‘কমিশন ইতিমধ্যে ৩৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে তিনজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল, দুজন মেজর জেনারেল, পাঁচজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও পাঁচজন কর্নেল রয়েছেন। যারা অনেকেই অবসরে গেছেন। সর্বশেষ গতকাল বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের ছেলে সাক্ষ্য দিয়ে গেছেন।’
আ ল ম ফজলুর রহমান বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে আমাদের আরও অনেকের সঙ্গে বলা প্রয়োজন। এ জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন ব্যক্তির ওপর বিদেশ গমনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিছু বিদেশি দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যা নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’
তবে কার কার বিরুদ্ধে বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে, তাদের সংখ্যাই বা কত, এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেননি তিনি।
ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আপাতত তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম কোন কোন দূতাবাসে যোগাযোগ করে পলাতকদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে তাদের নাম বলতে পারছি না। তবে জেনারেল মইন শেখ হাসিনার মতো এমন আরও অনেককে প্রয়োজন।’

২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
২ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার কোনো আসামি যাতে জামিন, অব্যাহতি বা খালাস না পান, তা নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
৩ ঘণ্টা আগে