
বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটুর বিরুদ্ধে করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন মামলা প্রত্যাহারের অনুমতি দিয়ে তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। দুদকের বিশেষ পিপি মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলা প্রত্যাহার আবেদনে বলা হয়, ক্রিমিনাল ‘ল’ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৮–এর ১০(৪) ধারা ও ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার বিধানে দুদক মামলা দুটির প্রসিকিউশন প্রত্যাহারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তাই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহারসহ তাঁদের কোনো সম্পদ ক্রোক, অবরুদ্ধে ও বিদেশ গমনের নিষেধাজ্ঞা থাকলে তাঁর সব দায় হতে অব্যাহতি প্রদান করা প্রয়োজন।
৯০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেঙ্গল গ্রুপ লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটুর বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ২৩ এপ্রিল দুদকের উপপরিচালক মোনায়েম হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
গত ১১ জুলাই দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী বেঙ্গল গ্রুপ লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটুর দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ১২ লাখ ৪১ হাজার ৮৩৭ টাকার তথ্য গোপনের প্রমাণ পাওয়া যায়। এর বাইরে দুদকের অনুসন্ধানে ৯০ কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আমরা ইতিমধ্যে “ফ্যামিলি কার্ড” চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারা দেশে সবাই পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হচ্ছে “ফারমার্স কার্ড” বা “কৃষক কার্ড”। ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি।’
১ ঘণ্টা আগে
ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে
কমলাপুর রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টারগুলোর সামনে ভিড় ছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যাঁরা অনলাইনে অগ্রিম টিকিট কাটতে পারেননি, তাঁরা বিভিন্ন ট্রেনের স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
একসময় বলা হতো, বাঙালি কোনো যুবক কবিতা লেখেননি এমন হতে পারে না। তাঁদের মধ্যে সবাই না হোক, কেউ কেউ তো কবি হয়ে ওঠেন। আর বিক্রি যা-ই থাক, একসময় কবিতার বই বের হতো দেদার। এবার সংখ্যায় প্রকাশের শীর্ষে আছে কাব্যগ্রন্থই।
১২ ঘণ্টা আগে