নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে ঘর উপহার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ প্রকল্পের মাধ্যমে মাগুরা, পঞ্চগড়ের সব উপজেলাসহ সারা দেশের ৫২টি উপজেলার ভূমিহীন ও গৃহহীনেরা ঘর উপহার পেয়েছেন। ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার এ তথ্য জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তোফাজ্জল হোসেন জানান, এই ৫২ উপজেলায় ১৯ হাজার ৭৮০ পরিবার ভূমিহীন ও গৃহহীন ছিল। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব জানান, ২১ জুলাই তৃতীয় ধাপের দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৬ হাজার ২২৯টি ঘর ভার্চুয়ালি হস্তান্তর করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২১ জুলাই গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই ঘরগুলো হস্তান্তর করবেন। প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউপি, বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউপি, ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের চরবেতাগৈর, পঞ্চগড় সদর উপজেলার সদর ইউনিয়ন, মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার মহম্মদপুর সদর ইউপির আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন।
মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহ ও ভূমিহীনদের মাঝে প্রথম ধাপে ২ শতক জমিসহ ৬৩ হাজার ৯৯৯টি সেমিপাকা ঘর হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী। দ্বিতীয় ধাপে ৫৩ হাজার ৩৩০টি ঘর হস্তান্তর করেন তিনি। প্রথম দুই ধাপে ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি ঘর হস্তান্তর করা হয়।
২০২১-২২ অর্থবছরে তৃতীয় ধাপে ৬৭ হাজার ৮০০টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে গত ২৬ এপ্রিল ৩২ হাজার ৯০৪টি ঘর হস্তান্তর করা হয়। বাকি ২৬ হাজার ২২৯ ঘর আগামী ২১ জুলাই হস্তান্তর করা হবে। তিন ধাপে ১ লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি ঘর পাচ্ছেন গৃহহীন ও ভূমিহীনেরা। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত একক ঘরের জন্য বরাদ্দ করা অর্থের পরিমাণ ৪ হাজার ২৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। তৃতীয় পর্যায়ে চরাঞ্চলে বরাদ্দ বিশেষ ডিজাইনের গৃহের সংখ্যা ১ হাজার ২৪২টি।
২ হাজার ৯৬৭ কোটি ৯ লাখ টাকা দামের ৫ হাজার ৫১২ দশমিক ০৪ একর খাসজমি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়াও ১৩৪ কোটি টাকা মূল্যে ১৯১ দশমিক ৭৯ একর জমি কেনা হয়েছে। এ জমিতে ৮ হাজার ৪৬২টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে ঘর উপহার দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ প্রকল্পের মাধ্যমে মাগুরা, পঞ্চগড়ের সব উপজেলাসহ সারা দেশের ৫২টি উপজেলার ভূমিহীন ও গৃহহীনেরা ঘর উপহার পেয়েছেন। ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার এ তথ্য জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তোফাজ্জল হোসেন জানান, এই ৫২ উপজেলায় ১৯ হাজার ৭৮০ পরিবার ভূমিহীন ও গৃহহীন ছিল। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব জানান, ২১ জুলাই তৃতীয় ধাপের দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৬ হাজার ২২৯টি ঘর ভার্চুয়ালি হস্তান্তর করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২১ জুলাই গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই ঘরগুলো হস্তান্তর করবেন। প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউপি, বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউপি, ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের চরবেতাগৈর, পঞ্চগড় সদর উপজেলার সদর ইউনিয়ন, মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার মহম্মদপুর সদর ইউপির আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন।
মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহ ও ভূমিহীনদের মাঝে প্রথম ধাপে ২ শতক জমিসহ ৬৩ হাজার ৯৯৯টি সেমিপাকা ঘর হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী। দ্বিতীয় ধাপে ৫৩ হাজার ৩৩০টি ঘর হস্তান্তর করেন তিনি। প্রথম দুই ধাপে ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি ঘর হস্তান্তর করা হয়।
২০২১-২২ অর্থবছরে তৃতীয় ধাপে ৬৭ হাজার ৮০০টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে গত ২৬ এপ্রিল ৩২ হাজার ৯০৪টি ঘর হস্তান্তর করা হয়। বাকি ২৬ হাজার ২২৯ ঘর আগামী ২১ জুলাই হস্তান্তর করা হবে। তিন ধাপে ১ লাখ ৮৫ হাজার ১২৯টি ঘর পাচ্ছেন গৃহহীন ও ভূমিহীনেরা। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত একক ঘরের জন্য বরাদ্দ করা অর্থের পরিমাণ ৪ হাজার ২৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। তৃতীয় পর্যায়ে চরাঞ্চলে বরাদ্দ বিশেষ ডিজাইনের গৃহের সংখ্যা ১ হাজার ২৪২টি।
২ হাজার ৯৬৭ কোটি ৯ লাখ টাকা দামের ৫ হাজার ৫১২ দশমিক ০৪ একর খাসজমি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়াও ১৩৪ কোটি টাকা মূল্যে ১৯১ দশমিক ৭৯ একর জমি কেনা হয়েছে। এ জমিতে ৮ হাজার ৪৬২টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন রোববার (৪ জানুয়ারি) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মূলত রাজনৈতিক কারণেই দেশে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেছে।
৯ ঘণ্টা আগে