নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ২ হাজার ৭৪১ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম এই তথ্য জানান।
ইসি সচিব জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ২ হাজার ৭৪১ জনের মনোনয়নপত্র দাখিলের তথ্য পেয়েছি। ৩০ নিবন্ধিত দল এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে।
সূত্র জানায়, এবার মাত্র ২১টি মনোনয়ন অনলাইনে দাখিল করা হয়েছে। প্রার্থীদের এই সুযোগ করে দিতে প্রায় ২১ কোটি টাকা খরচ করেছে ইসি।
ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যেসব দল প্রার্থী দিয়েছে
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি (জেপি), বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম, এল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, গণতন্ত্রী পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জাসদ, জাকের পার্টি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, গণফোরাম, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ মুসলীগ লীগ (বিএমএল), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ), বাংলাদেশ কংগ্রেস, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–বাংলাদেশ জাসদ, বাংলাদেশ জাতীয়বাদী আন্দোলন–বিএনএম, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বিএসপি) প্রভৃতি।
যেসব দল প্রার্থী দেয়নি
বিএনপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি–এলডিপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জেএসডি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি–বিজেপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল–এনডিএম, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রভৃতি।
জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৩ হাজার ৫৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এ ছাড়া ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে ১ হাজার ১০৭, ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম সংসদে ২ হাজার ৪৬০, ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ২ হাজার ৫৬৩, ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ৩ হাজার ৯৩ এবং ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে ৩ হাজার ৮৫৫ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ২ হাজার ৭৪১ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম এই তথ্য জানান।
ইসি সচিব জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ২ হাজার ৭৪১ জনের মনোনয়নপত্র দাখিলের তথ্য পেয়েছি। ৩০ নিবন্ধিত দল এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে।
সূত্র জানায়, এবার মাত্র ২১টি মনোনয়ন অনলাইনে দাখিল করা হয়েছে। প্রার্থীদের এই সুযোগ করে দিতে প্রায় ২১ কোটি টাকা খরচ করেছে ইসি।
ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যেসব দল প্রার্থী দিয়েছে
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি (জেপি), বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম, এল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, গণতন্ত্রী পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জাসদ, জাকের পার্টি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, গণফোরাম, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ মুসলীগ লীগ (বিএমএল), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ), বাংলাদেশ কংগ্রেস, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–বাংলাদেশ জাসদ, বাংলাদেশ জাতীয়বাদী আন্দোলন–বিএনএম, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বিএসপি) প্রভৃতি।
যেসব দল প্রার্থী দেয়নি
বিএনপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি–এলডিপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জেএসডি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি–বিজেপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল–এনডিএম, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রভৃতি।
জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৩ হাজার ৫৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এ ছাড়া ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে ১ হাজার ১০৭, ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম সংসদে ২ হাজার ৪৬০, ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ২ হাজার ৫৬৩, ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ৩ হাজার ৯৩ এবং ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে ৩ হাজার ৮৫৫ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন।

২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
২ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার কোনো আসামি যাতে জামিন, অব্যাহতি বা খালাস না পান, তা নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
৩ ঘণ্টা আগে