বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

সমালোচনার মুখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র (গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া) হিসেবে মুহাম্মদ আবু আবিদের নিয়োগ বাতিল করেছে সরকার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরার জন্য ১৫ এপ্রিল তাঁকে খণ্ডকালীন নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। যদিও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অর্গানোগ্রামে এ ধরনের কোনো পদ নেই।
আবু আবিদের এই নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফেসবুকে এ নিয়ে কঠোর সমালোচনা হয়। কারণ, সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের খবরাখবর গণমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশের জন্য মন্ত্রণালয়ে একজন স্থায়ী জনসংযোগ কর্মকর্তা রয়েছেন। তিনি নিয়মিতভাবে এই মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন এবং মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র পাঠান।
ফেসবুকে সমালোচনার মুখে নিয়োগের দুই দিন পর ১৭ এপ্রিল আবিদের নিয়োগ বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনটি আজ শনিবার প্রকাশ করা হয়েছে।
আবু আবিদ ফেসবুকে তাঁর বিষয়ে লিখেছেন, তিনি বাংলাদেশে টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও স্পোকসম্যান। এ ছাড়া দুর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং আলোকিত প্রতিদিনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও অনলাইন প্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।
নিয়োগ বাতিলের প্রজ্ঞাপনে আবু আবিদের বর্তমান ঠিকানা দেওয়া আছে ঢাকার কারওয়ান বাজার। তাঁর বাবার নাম মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। পটুয়ালাখীর দশমিনা উপজেলার দক্ষিণ আদমপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি।
নিয়োগ বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারির পর আবু আবিদ নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আমার মুখপাত্র পদটি বাতিল করা হয়েছে। ... যে পদের প্রতি আমার কোন লোভ ছিল না। সে পদ চলে যাওয়াতে আমার কিছু আসে যায় না। মানুষের ভালোবাসা আর দোয়ায় আমার সৃষ্টি। আমৃত্যু সেটাই ধরে রাখতে চাই।’
আরও খবর পড়ুন:

সমালোচনার মুখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র (গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া) হিসেবে মুহাম্মদ আবু আবিদের নিয়োগ বাতিল করেছে সরকার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরার জন্য ১৫ এপ্রিল তাঁকে খণ্ডকালীন নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। যদিও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অর্গানোগ্রামে এ ধরনের কোনো পদ নেই।
আবু আবিদের এই নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফেসবুকে এ নিয়ে কঠোর সমালোচনা হয়। কারণ, সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের খবরাখবর গণমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশের জন্য মন্ত্রণালয়ে একজন স্থায়ী জনসংযোগ কর্মকর্তা রয়েছেন। তিনি নিয়মিতভাবে এই মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন এবং মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র পাঠান।
ফেসবুকে সমালোচনার মুখে নিয়োগের দুই দিন পর ১৭ এপ্রিল আবিদের নিয়োগ বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনটি আজ শনিবার প্রকাশ করা হয়েছে।
আবু আবিদ ফেসবুকে তাঁর বিষয়ে লিখেছেন, তিনি বাংলাদেশে টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও স্পোকসম্যান। এ ছাড়া দুর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং আলোকিত প্রতিদিনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও অনলাইন প্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।
নিয়োগ বাতিলের প্রজ্ঞাপনে আবু আবিদের বর্তমান ঠিকানা দেওয়া আছে ঢাকার কারওয়ান বাজার। তাঁর বাবার নাম মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। পটুয়ালাখীর দশমিনা উপজেলার দক্ষিণ আদমপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি।
নিয়োগ বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারির পর আবু আবিদ নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আমার মুখপাত্র পদটি বাতিল করা হয়েছে। ... যে পদের প্রতি আমার কোন লোভ ছিল না। সে পদ চলে যাওয়াতে আমার কিছু আসে যায় না। মানুষের ভালোবাসা আর দোয়ায় আমার সৃষ্টি। আমৃত্যু সেটাই ধরে রাখতে চাই।’
আরও খবর পড়ুন:

তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
১২ ঘণ্টা আগে
পোস্টে প্রেস সচিব লিখেছেন, ‘শহীদ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর থেকে আমার মনে হচ্ছে তিনি (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) ভীষণ একা হয়ে পড়েছেন। একত্রে এই দুই নেতা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম এক সম্মানিত ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। সহমর্মিতা এবং নীরবে ধৈর্য ধরার ক্ষমতার...
১৩ ঘণ্টা আগে
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু জানান, রাজধানীতে নিজ বাসায় বর্ষীয়ান এ রাজনীতিকের মৃত্যু হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাদ জোহর টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে সারা দেশে অন্তত ৪২৮টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। ২০২৪ সালে গণপিটুনির ১৬৯টি ঘটনায় নিহত হয়েছিল ১৪৬ জন এবং আহত ছিল ১২৬ জন। আর ২০২৫ সালে গণপিটুনিতে ১৬৬ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৪৬০ জন। ২২০ জনকে আহতাবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গণপিটুনির ঘটনায় আহত
১৫ ঘণ্টা আগে