
বাংলা নতুন বছরের সূর্য উঠতেই রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন নগরবাসী। বৈশাখী শাড়ি আর পাঞ্জাবিতে নতুন বছরকে আবাহন করতে এসেছেন তরুণ-তরুণীরা। রমনার বটমূলে প্রভাতি আয়োজন শেষে আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় চারুকলা থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রা।
এবারের প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। শোভাযাত্রায় আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা তুলে ধরতে পাঁচটি মোটিফ রাখা হয়েছে—লাল ঝুঁটির মোরগ, কাঠের হাতি, পায়রা, দোতারা ও টেপা পুতুলের কায়দায় তৈরি করা ঘোড়া।

পাশাপাশি বাঙালির ঐতিহ্যের প্রতীক ছোট ছোট নানা উপকরণ যুক্ত ছিল শোভাযাত্রায়। ছিল ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের পাঁচটি পটচিত্রও—যার বিষয়বস্তু বাংলাদেশ, গাজীরপট, সম্রাট আকবর, বনবিবি ও বেহুলা। এবারও ছিল বিভিন্ন জাতিসত্তার শিল্পীদের অংশগ্রহণে তাদের সংস্কৃতিকে উপস্থাপন।

শোভাযাত্রায় শুরুতে ছিল পুলিশের একটি সজ্জিত ঘোর সওয়ার দল, জাতীয় পতাকা হাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, তারপরে সংস্কৃতি মন্ত্রী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দসহ অতিথিরা। এর পর চারুকলার শিক্ষার্থীদের হাতে নানা ধরনের মুখোশ, এরপরেই ছিল মূল মোটিফগুলো।

শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ থানা পর্যন্ত গিয়ে আবার উল্টোমুখে ঘুরে রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর ও বাংলা একাডেমি হয়ে চারুকলা অনুষদে ফিরে আসে।
নিরাপত্তার কারণে আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঢাবি ক্যাম্পাসে সব অনুষ্ঠান বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে। বিকেল ৫টার পর আর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করা যাবে না, শুধু বের হওয়া যাবে।

প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই কৃষকদের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের মাধ্যমে দেশব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। সেখানে তিনি কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন। ভাষণ শেষে পৌর উদ্যানে কৃষিমেলার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
১৮ মিনিট আগে
সকাল সোয়া ৬টায় সম্মিলিত গান ‘জাগো আলোক লগনে’ গেয়ে শুরু হয়েছে ছায়ানটের নতুন বছরকে আবাহন। একে একে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রসংগীত ‘এ কী সুগন্ধহিল্লোল বহিল’ ও ‘তোমার হাতের রাখীখানি বাঁধো আমার দখিন-হাতে’, ‘বাজাও আমারে বাজাও’।
২ ঘণ্টা আগে
বঙ্গাব্দ ১৪৩২-এর সূর্য শেষবারের মতো ডুব দিয়েছে গতকাল সোমবার। আজ মঙ্গলবার ভোরে পূর্ব দিগন্তে উঁকি দিয়েছে নতুন বছরের প্রথম সূর্য। জাতির প্রত্যাশা, সেই নতুন সূর্যের আলো ছড়িয়ে যাবে প্রাণে প্রাণে। উৎসবপ্রিয় এ দেশের মানুষ আজ নতুন বাংলা বছরকে বরণ করে নেবেন গান, কবিতা আর শোভাযাত্রার মাধ্যমে।
৪ ঘণ্টা আগে
জীর্ণ পুরোনোকে ঝোড়ো হাওয়ায় উড়িয়ে দিয়ে এসেছে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩। সারা দেশে চলছে বর্ষবরণে নানা আয়োজন। আর এই বর্ষবরণের ঐতিহ্যেরই অন্যতম বিলীয়মান অনুষঙ্গ হালখাতা উৎসব। নতুন বছরের প্রথম দিন ব্যবসায়ীদের খদ্দেরের সঙ্গে দেনা-পাওনা মিটিয়ে লেনদেন হালনাগাদ করার পর্বই হালখাতা।
৯ ঘণ্টা আগে