নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিনিয়োগকারীরা সফটওয়্যার পার্কের ভাড়ার ক্ষেত্রে যৌক্তিক ছাড় পাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। আজ বুধবার যশোরে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ন্যাশনাল ডেটা সেন্টারের (এনডিসি) ডিজাস্টার রিকভারি ডেটা সেন্টারের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি এই আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি ছয় মাসের মধ্যে ডিজাস্টার রিকভারি ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণের আশা প্রকাশ করেন।
ফয়েজ আহমদ যশোর সার্কিট হাউসে যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। বিনিয়োগকারীরা ভাড়া কমানোর দাবি তুললে তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে কমিটি করা হয়েছে। অতীতে বৈষম্যপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে রাজশাহী সফটওয়্যার পার্কের ভাড়া দেখানো হয়েছে বলে সেটাকে স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ধরলে হবে না। তবে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ এবং কর্মসংস্থানের পাইপলাইন বিবেচনায় ভাড়ার ক্ষেত্রে যৌক্তিক ডিসকাউন্ট (ছাড়) দেওয়া হবে।’ শর্ত হিসেবে তার আগে বকেয়া ভাড়া এবং বকেয়া ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করতে বলেন তিনি।
বিশেষ সহকারী বলেন, ‘বিগত সরকারের রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না করেই অর্থ লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। এতে সরকার এবং বিনিয়োগকারীরা—উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিষয়টি সমাধানে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।’ মতবিনিময় সভায় সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের অন্তত ৪০টি প্রকৃত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিজনেস কন্টিনিউটি সুরক্ষার ব্যাপারে আলোচনা হয়।
ফয়েজ আহমদ সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের কর্মকর্তাদের বলেন, ‘পার্কের অব্যবহৃত ফ্যাসিলিটিতে যশোরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে হ্যাকাথন, আইডিয়াথন, স্টার্টআপ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামসহ নিয়মিত বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করে স্টার্টআপের ইকোসিস্টেম পাইপলাইন তৈরি করতে হবে।’ এর বাইরে সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল ভেরিফিকেশন, সাইবার লিটারেসি বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত সেমিনারের আয়োজন করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। যশোরের জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম বিষয়টি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবেন বলে জানান।
এ সময় তিনি স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা বিষয়ে যশোরের এসপি রওনক জাহানের সঙ্গে আলোচনা করেন। বিশেষ সহকারী সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে সেবা ডট এক্সওয়াইজেড এবং চালডাল ডট কমের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
বিশেষ সহকারী যশোরে নতুন ডেটা সেন্টারের নকশা ও সাইট পরিদর্শন করেন। তিনি প্রস্তাবিত এবং বিদ্যমান ফ্যাসিলিটিসমূহের সার্বিক মান উন্নয়ন এবং অপারেশনাল এক্সিলেন্স ইত্যাদি বিষয়ে নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘আগামী ছয় মাসের মধ্যেই ন্যাশনাল ডেটা সেন্টার (এনডিসি) এবং ডিজিটাল রিকভারি ডেটা সেন্টারের সম্প্রসারণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা যায়।’
পরিদর্শন এবং মতবিনিময়কালে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম আমিরুল ইসলাম, যশোরের জেলা প্রশাসক আজহারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার রওনক জাহান, ডেটা সেন্টার কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিনিয়োগকারীরা সফটওয়্যার পার্কের ভাড়ার ক্ষেত্রে যৌক্তিক ছাড় পাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। আজ বুধবার যশোরে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ন্যাশনাল ডেটা সেন্টারের (এনডিসি) ডিজাস্টার রিকভারি ডেটা সেন্টারের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি এই আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি ছয় মাসের মধ্যে ডিজাস্টার রিকভারি ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণের আশা প্রকাশ করেন।
ফয়েজ আহমদ যশোর সার্কিট হাউসে যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। বিনিয়োগকারীরা ভাড়া কমানোর দাবি তুললে তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে কমিটি করা হয়েছে। অতীতে বৈষম্যপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে রাজশাহী সফটওয়্যার পার্কের ভাড়া দেখানো হয়েছে বলে সেটাকে স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ধরলে হবে না। তবে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ এবং কর্মসংস্থানের পাইপলাইন বিবেচনায় ভাড়ার ক্ষেত্রে যৌক্তিক ডিসকাউন্ট (ছাড়) দেওয়া হবে।’ শর্ত হিসেবে তার আগে বকেয়া ভাড়া এবং বকেয়া ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করতে বলেন তিনি।
বিশেষ সহকারী বলেন, ‘বিগত সরকারের রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না করেই অর্থ লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। এতে সরকার এবং বিনিয়োগকারীরা—উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিষয়টি সমাধানে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।’ মতবিনিময় সভায় সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের অন্তত ৪০টি প্রকৃত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিজনেস কন্টিনিউটি সুরক্ষার ব্যাপারে আলোচনা হয়।
ফয়েজ আহমদ সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের কর্মকর্তাদের বলেন, ‘পার্কের অব্যবহৃত ফ্যাসিলিটিতে যশোরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে হ্যাকাথন, আইডিয়াথন, স্টার্টআপ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামসহ নিয়মিত বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করে স্টার্টআপের ইকোসিস্টেম পাইপলাইন তৈরি করতে হবে।’ এর বাইরে সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল ভেরিফিকেশন, সাইবার লিটারেসি বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত সেমিনারের আয়োজন করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। যশোরের জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম বিষয়টি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবেন বলে জানান।
এ সময় তিনি স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা বিষয়ে যশোরের এসপি রওনক জাহানের সঙ্গে আলোচনা করেন। বিশেষ সহকারী সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে সেবা ডট এক্সওয়াইজেড এবং চালডাল ডট কমের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
বিশেষ সহকারী যশোরে নতুন ডেটা সেন্টারের নকশা ও সাইট পরিদর্শন করেন। তিনি প্রস্তাবিত এবং বিদ্যমান ফ্যাসিলিটিসমূহের সার্বিক মান উন্নয়ন এবং অপারেশনাল এক্সিলেন্স ইত্যাদি বিষয়ে নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘আগামী ছয় মাসের মধ্যেই ন্যাশনাল ডেটা সেন্টার (এনডিসি) এবং ডিজিটাল রিকভারি ডেটা সেন্টারের সম্প্রসারণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা যায়।’
পরিদর্শন এবং মতবিনিময়কালে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম আমিরুল ইসলাম, যশোরের জেলা প্রশাসক আজহারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার রওনক জাহান, ডেটা সেন্টার কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাওয়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাঁদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়া পর পোস্টাল ব্যালটে ছবি বা ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করতে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ছবি বা ভিডিও শেয়ার করলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটারের এনআইডি ব্লক করাসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে ইসি।
৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম এই ঘোষণা দেন। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তাসনিম জারা।
৯ ঘণ্টা আগে
সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে