
তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় দণ্ডিত মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’-এর সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও পরিচালক এ এস এম নাসির উদ্দিন এলান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে গিয়েছেন। আজ সোমবার তাঁরা ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আফরিন আখতারের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা অ্যাম্বাসির অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) পেজে তাঁদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের ছবি পোস্ট করা হয়েছে।
ওই পোস্টে বলা হয়েছে, ‘যখন কোনো প্রাণবন্ত নাগরিক সমাজ এগিয়ে যায় এবং সুরক্ষিত থাকে, তখন সরকার আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করে। আমাদের নাগরিক সমাজের বিজয়ীদের স্বাগত জানাতে পেরে আমরা সম্মানিত। আমরা আপনাদের (নাগরিক সমাজ) প্রচেষ্টাকে সালাম জানাই!’
পোস্টে জুড়ে দেওয়া ছবির ওপর আরও লেখা হয়েছে, ‘আমরা নাগরিক সমাজকে ভালোবাসি।’
এদিকে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে অভিযানের সময় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর মামলায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর তাঁদের দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে এ মামলায় ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে ১০ অক্টোবর এ দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আদিলুর ও নাসিরের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ স্থগিত করে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করা হয় বলে ওই দিন জানিয়েছিলেন তাঁদের আইনজীবীদের একজন রুহুল আমিন।
এরপর গতকাল রোববার বিকেলে জামিনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যার পর তাঁরা কারাগার থেকে জামিনে ছাড়া পান। গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত এক মাস কারাগারে ছিলেন এ দুই অধিকারকর্মী।

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় দণ্ডিত মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’-এর সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও পরিচালক এ এস এম নাসির উদ্দিন এলান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে গিয়েছেন। আজ সোমবার তাঁরা ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আফরিন আখতারের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা অ্যাম্বাসির অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) পেজে তাঁদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের ছবি পোস্ট করা হয়েছে।
ওই পোস্টে বলা হয়েছে, ‘যখন কোনো প্রাণবন্ত নাগরিক সমাজ এগিয়ে যায় এবং সুরক্ষিত থাকে, তখন সরকার আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করে। আমাদের নাগরিক সমাজের বিজয়ীদের স্বাগত জানাতে পেরে আমরা সম্মানিত। আমরা আপনাদের (নাগরিক সমাজ) প্রচেষ্টাকে সালাম জানাই!’
পোস্টে জুড়ে দেওয়া ছবির ওপর আরও লেখা হয়েছে, ‘আমরা নাগরিক সমাজকে ভালোবাসি।’
এদিকে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে অভিযানের সময় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর মামলায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর তাঁদের দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে এ মামলায় ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে ১০ অক্টোবর এ দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আদিলুর ও নাসিরের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ স্থগিত করে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করা হয় বলে ওই দিন জানিয়েছিলেন তাঁদের আইনজীবীদের একজন রুহুল আমিন।
এরপর গতকাল রোববার বিকেলে জামিনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যার পর তাঁরা কারাগার থেকে জামিনে ছাড়া পান। গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত এক মাস কারাগারে ছিলেন এ দুই অধিকারকর্মী।

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
৩ ঘণ্টা আগে