
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোকে জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বভাবিক পরিণতি হিসেবে জয়-পরাজয়কে মেনে নেবেন।
আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় সিইসি এই আহ্বান জানান।
ভাষণে সিইসি বলেন, ‘বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এর প্রাক্কালে আমার শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন। আগামীকাল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের। আরও স্মরণ করছি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের, যাঁদের রক্তের বিনিময়ে আমরা আজ গণতান্ত্রিক উত্তরণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছি। আমি তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আমি একই সঙ্গে আহত জুলাই যোদ্ধাদের আশু আরোগ্য ও স্বাভাবিক জীবনের জন্য দোয়া করছি।
‘এই নির্বাচনে ভোটদান আমাদের শুধু নাগরিক অধিকারই নয়, বরং দায়িত্ব। আমি আশা করি, আপনারা সকলে সচেতনভাবে এই দায়িত্ব পালন করবেন। রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও ভোটারদের প্রতি আহ্বান— শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ রক্ষার্থে সকলে দায়িত্বশীল ও যত্নবান হবেন।’
এ এম এম নাসির উদ্দিন আরও বলেন, ‘ভিন্নমত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি স্বাভাবিক বিষয়। বিষয়টি স্মরণে রেখে আপনারা উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে আসবেন, পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বভাবিক পরিণতি হিসেবে জয়-পরাজয়কে মেনে নেবেন।
‘ভোটার, প্রার্থী, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক, সেবা প্রদানকারী সংস্থা ও ব্যক্তিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে অনুরোধ—ব্যক্তিগত কষ্ট-ক্লেশ তুচ্ছ করে জাতীয় নির্বাচনের এই মহতী ব্যবস্থাকে সহযোগিতা করে সার্থক করে তুলুন।’
অনভিপ্রেত ঘটনা মোকাবিলায় সিইসি বলেন, ‘প্রিয় ভোটারগণ, আমরা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে চাই। যেকোনো অনভিপ্রেত ঘটনা মোকাবিলায় নির্বাচনী কর্মকর্তা, মাঠপর্যায়ে কর্মরত বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা করুন।
‘আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের সাক্ষী হতে পারব, এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে এবং পুনরায় আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কামনা করে শেষ করছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শূন্যপদ পূরণের জন্য ইতিমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর এবং ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। ৬ মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২ হাজার ৮৭৯ টি, ১ বছরের মধ্যে ৪৪৫৯টি এবং ৫ বছরের মধ্যে ৩১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
২৩ মিনিট আগে
সাংবাদিকদের নেটওয়ার্কিং ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ করে দিতে আগামী ৮ ও ৯ মে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’। গণমাধ্যম বিষয়ক সংস্থা মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) এই সম্মেলন আয়োজন করছে। সম্মেলনে ১০টির বেশি দেশের সাংবাদিকেরা অংশ নেবেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার জট নিরসনে ৮৭১ আদালত এবং ২৩২ বিচারকের পদ সৃজন করা হয়েছে বলে জানান আইনমন্ত্রী। এ ছাড়া আরও ৩০৪ বিচারকের পদ সৃজন প্রক্রিয়াধীন আছে। নতুন ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
গেটের সামনে নিরাপত্তা তল্লাশির ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে টার্ন স্টাইল, স্ক্যানিং পয়েন্ট এবং শুধু সংসদ সদস্যদের প্রবেশের নির্দেশনা সংবলিত সাইনবোর্ড দেখা গেছে। ভেতরে সভা ও অতিথি কার্ড প্রদর্শন সংক্রান্ত আরেকটি নির্দেশনাও টাঙানো রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে