নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়া ও বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদ নিয়ে আদালতের নির্দেশনার কপি পাওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এমন মন্তব্য করেন।
জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন দিতে আদালতের রায় এসেছে, আপনারা কী করবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘এখন পর্যন্ত জামায়াতের নিবন্ধন ও প্রতীকের ব্যাপারে আমরা কোনো পর্যবেক্ষণ পাইনি। পর্যবেক্ষণ পাওয়ার পরে আইনগতভাবে যেটা প্রযোজ্য, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জামায়াতের প্রতীকের ব্যাপারেও বলছি, আইনগতভাবে যেটা প্রাপ্য, সেভাবেই পাবে। প্রতীকের ব্যাপারে, তাদের নিবন্ধনের ব্যাপারে কী পর্যবেক্ষণ আছে, ডকুমেন্ট না থাকলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমার কিছু বলার থাকে না।’
ইশরাকের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছেন আদালত। এই বিষয়ে আপনারা কী ভাবছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, ‘ইশরাকের ব্যাপারে মাননীয় আদালতের কোনো পর্যবেক্ষণ আমরা পাইনি। পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা যেটা আসবে, আমরা সেভাবে ব্যবস্থা নেব। আমি আবারও বলছি, কোনো কাগজ না পাওয়া পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দিতে পারব না। আমরা কাগজটা পাওয়ার পর পর্যবেক্ষণ দিতে পারব।’
আজ ইশরাকের মেয়র পদের শেষ দিন—এমন বিষয় উত্থাপন করা হলে ইসি সচিব বলেন, ‘শেষ দিন কি শুরুর দিন, এই ব্যাপারেও আমার একই কথা। যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত থেকে কোনো কাগজ না পাচ্ছি, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন দিকে বিষয়টা গড়াবে, সেটা কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। কমিশনের সেই এখতিয়ার আছে। তবে কাগজ না পেলে কী করে সিদ্ধান্ত নেবে।’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়া ও বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদ নিয়ে আদালতের নির্দেশনার কপি পাওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এমন মন্তব্য করেন।
জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন দিতে আদালতের রায় এসেছে, আপনারা কী করবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘এখন পর্যন্ত জামায়াতের নিবন্ধন ও প্রতীকের ব্যাপারে আমরা কোনো পর্যবেক্ষণ পাইনি। পর্যবেক্ষণ পাওয়ার পরে আইনগতভাবে যেটা প্রযোজ্য, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জামায়াতের প্রতীকের ব্যাপারেও বলছি, আইনগতভাবে যেটা প্রাপ্য, সেভাবেই পাবে। প্রতীকের ব্যাপারে, তাদের নিবন্ধনের ব্যাপারে কী পর্যবেক্ষণ আছে, ডকুমেন্ট না থাকলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমার কিছু বলার থাকে না।’
ইশরাকের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছেন আদালত। এই বিষয়ে আপনারা কী ভাবছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, ‘ইশরাকের ব্যাপারে মাননীয় আদালতের কোনো পর্যবেক্ষণ আমরা পাইনি। পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা যেটা আসবে, আমরা সেভাবে ব্যবস্থা নেব। আমি আবারও বলছি, কোনো কাগজ না পাওয়া পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দিতে পারব না। আমরা কাগজটা পাওয়ার পর পর্যবেক্ষণ দিতে পারব।’
আজ ইশরাকের মেয়র পদের শেষ দিন—এমন বিষয় উত্থাপন করা হলে ইসি সচিব বলেন, ‘শেষ দিন কি শুরুর দিন, এই ব্যাপারেও আমার একই কথা। যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত থেকে কোনো কাগজ না পাচ্ছি, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন দিকে বিষয়টা গড়াবে, সেটা কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। কমিশনের সেই এখতিয়ার আছে। তবে কাগজ না পেলে কী করে সিদ্ধান্ত নেবে।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
২ ঘণ্টা আগে
দুদক জানিয়েছে, সাতজন নিম্ন আয়ের মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে একটি চক্র। সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমিলা জামান ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তা করেন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামানের ভাই ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান
৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের নির্দেশনা আগের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় দেওয়া হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
সিআইডির অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। অভিযোগসংশ্লিষ্ট মো. কামরুজ্জামান ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন।
৪ ঘণ্টা আগে