আজ রোববার থেকে পরবর্তী তিন দিন (মঙ্গলবার পর্যন্ত) সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় ছয় ঘণ্টা করা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে।
গতকাল শনিবার জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রবি থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত সরকারি অফিস চলবে। ব্যাংক, বিমা ও আদালত তাদের মতো করে সময় নির্ধারণ করবে।
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘাত-সহিংসতার মধ্যে গত সপ্তাহে তিন দিন (রবি, সোম ও মঙ্গলবার) সাধারণ ছুটির পর বুধবার থেকে সীমিত পরিসরে চালু হয় সরকারি অফিস। বুধ ও বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত চলে অফিস।
ছুটির অন্য শর্তগুলো আগের মতোই থাকবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা। অর্থাৎ জরুরি পরিষেবা যেমন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস ও বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এ-সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবেন। এ ছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এই সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মী, চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী, ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরা এই সময়সূচির আওতার বাইরে থাকবেন।
দেশব্যাপী কারফিউ চলমান থাকবে। তবে দেশের পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে উন্নতি হওয়ায় আজ রবি থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ঢাকা, গাজীপুর ও নরসিংদী জেলায় কারফিউ সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শিথিল থাকবে।
গতকাল শনিবার রাতে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। এর আগে তিনি আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ঢাকা ও আশপাশের চারটি জেলায় ১১ ঘণ্টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল করা হয়েছে। অন্যান্য জেলায় জেলা প্রশাসন কারফিউ শিথিল-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।

জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে দ্বিতীয় মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনা শেষ হলো সমঝোতা ছাড়াই। সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে তারা। সংবিধান সংস্কার হয় না, সংশোধনের মাধ্যমে পরিবর্তন হয়। তবে বিরোধী দল বলেছে, তারা বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার চায়। তারা সংশোধনের বিরোধী নয়।
১ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে—রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯.৩০ থেকে ৩.৩০ পর্যন্ত অধস্তন আদালতের কার্যক্রম চলবে। ১-১.৩০ পর্যন্ত যোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতি থাকবে।
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই জাতীয় সনদে সবাই স্বাক্ষর করেছেন, নিশ্চয় ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেখেই স্বাক্ষর দিয়েছেন। তাহলে একমত হইনি এমন বিষয়ও গণভোটে দেওয়া হলো কেন? আসলে গোঁজামিল দিয়ে জনগণকে গণভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে...
৩ ঘণ্টা আগে
তিন মাসে ১০৪ জনকে অস্ত্রসংক্রান্ত, ৪৮৪ জনকে হত্যাসংক্রান্ত, ১৭৪ জনকে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণ-সংক্রান্ত, ৬১ জনকে ছিনতাইসংক্রান্ত, ডাকাত চক্রের বিরুদ্ধে অভিযানে ১০৬ জনকে, মানব পাচারবিরোধী অভিযানে ২৬, নাশকতার অভিযোগে ১০ ও অন্যান্য অভিযোগসহ মাদকে জড়িতের...
৪ ঘণ্টা আগে