Ajker Patrika

ভ্যাট রিটার্ন ও পেমেন্ট জমা দিতে হবে মাসে মাসে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ০২
ভ্যাট রিটার্ন ও পেমেন্ট জমা দিতে হবে মাসে মাসে

ভ্যাট আদায় বাড়াতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি তিন মাস পরপর ভ্যাট রিটার্ন ও পেমেন্ট জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল করে আগের মাসিক জমা এবং পেমেন্ট ব্যবস্থা পুনর্বহাল করতে যাচ্ছে সরকার।

আজ সোমবার এ জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে এই খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ে রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইনের ৬৪ ধারা সংশোধনের জন্য মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতি তিন কর মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করার বিধানের পরিবর্তে প্রতি কর মেয়াদের জন্য মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ১৫ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করার বিধান পুনঃপ্রবর্তন করা হয়েছে খসড়ায়। ১৫তম দিবসে সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে দাখিলপত্র পেশ করতে হবে।

কোনো সরকারি, আধা সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বিমা এবং শূন্য রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর মেয়াদ সমাপ্তির অনধিক ২০ দিনের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করতে পারবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ বাজেটে ত্রৈমাসিক ভ্যাট দাখিল ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকারের কাছে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়ে বলেছিল, এর ফলে ভ্যাট আদায় মন্থর হয়ে পড়েছে।

অভিনন্দন প্রস্তাব গ্রহণ

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের মর্যাদাপূর্ণ অংশগ্রহণ উপলক্ষে অভিনন্দন প্রস্তাব গ্রহণ করেছে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এক ঐতিহাসিক ঘটনা, যা বাংলাদেশের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দিয়েছেন; ইতিপূর্বে তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য দিয়েছিলেন এবং তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে বক্তব্য দিয়েছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একই পরিবারের তিনজন সদস্যের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব বিশ্বের ইতিহাসে অনন্য ঘটনা। চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী ৩২টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও সভায় অংশ নিয়েছেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়া ছাড়াও তিনি সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দিয়েছেন, ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্ব পরিসরে তুলে ধরেছে এবং দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত