নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের তিন পার্বত্য অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বাড়ছে। এতে পাড়া-মহল্লায় মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত রয়েছে এবং নীরবে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সম্মুখীন হচ্ছে। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এতে মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট নাও দিতে পারে। এ জন্য অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।
আজ মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। জানা গেছে, কমিটির আগের বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
সেখানে কমিটির সদস্য দীপংকর তালুকদার বলেন, ‘পার্বত্য এলাকায় মাঝে-মধ্যে অবৈধ অস্ত্রধারীদের কারণে অশান্ত হয়ে ওঠে। তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বেই তিন পার্বত্য জেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব করেন।’
পার্বত্য এলাকায় পাড়া-মহল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে নীরবে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করেন কমিটির সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেন তিনি।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা বলেন, ‘পার্বত্য বান্দরবানে বর্তমানে বিভিন্ন দল-উপদলের কারণে পাড়া-মহল্লায় মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত রয়েছে এবং মানুষ নীরবে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সম্মুখীন হচ্ছে। বিগত পাঁচ বছরে এখানে বিনা বিচারে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জটিল হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ওই বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী ও বান্দরবানের সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উ শৈ সিং পার্বত্য অঞ্চল থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের ব্যাপারে যা যা প্রয়োজন, তা করার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সংসদীয় কমিটির সদস্য দীপংকর তালুকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি, চাঁদাবাজদের কোণঠাসা করে রাখার ব্যবস্থা করতে আমরা সুপারিশ করেছি। যাতে করে পার্বত্য অঞ্চল শান্তিপূর্ণ থাকে, অস্থিতিশীল, অস্থির পরিস্থিতি না থাকে এবং সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারে সেই ব্যবস্থা নিতে বলেছি। কারণ অবৈধ অস্ত্রধারীরা মানুষকে ভোট দেওয়ার বিষয়ে প্রভাবিত করে। সেটা না হয়ে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট যাতে এ অঞ্চলে হয় সেই ব্যবস্থা নিতে বলেছি।’
এদিকে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবারের বৈঠকে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র যেন দেশে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে।
এদিকে বিগত বৈঠকে পাহাড়ি উগ্রবাদী সংগঠন কুকি চিনের (কেএনএফ) বিষয়ে কথা বলা হয়। বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা কেএনএফ নামে সামাজিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনী হিসেবে সংগঠনটি পরিচিতি লাভ করেছে। সংগঠনটি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের সঙ্গে জড়িত থাকায় সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। কেএনএফের সদস্যরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং জঙ্গিগোষ্ঠী সম্পৃক্ত হওয়ায় সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেকোনো সময় অবনতি হতে পারে।
কেএনএফের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য বান্দরবান জেলা পরিষদের একটি লিয়াজোঁ কমিটি আছে বলে জানা গেছে। ওই কমিটি এখন পর্যন্ত জুমে দুটি বৈঠক করেছে। সামনে সরাসরি বৈঠক করার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বৈঠকের বিষয়ে কিছু শর্ত কেএনএফ দিয়েছে। যার মধ্যে দুটো সেনাক্যাম্প সরিয়ে নেওয়ার কথা তারা বলেছে। তবে জেলা পরিষদ সেটাতে সায় দেয়নি।
বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য সরাসরি বৈঠকের জন্য একটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে বৈঠকের তারিখ জানা যাবে।’
বৈঠকে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ ভবনের নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ে শুরু করতে না পারায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।
মঙ্গলবার সংসদীয় কমিটির সভাপতি দবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হওয়া বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, দীপংকর তালুকদার, এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, বাসন্তী চাকমা এবং নোমান আল মাহমুদ।

দেশের তিন পার্বত্য অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বাড়ছে। এতে পাড়া-মহল্লায় মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত রয়েছে এবং নীরবে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সম্মুখীন হচ্ছে। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এতে মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট নাও দিতে পারে। এ জন্য অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।
আজ মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। জানা গেছে, কমিটির আগের বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
সেখানে কমিটির সদস্য দীপংকর তালুকদার বলেন, ‘পার্বত্য এলাকায় মাঝে-মধ্যে অবৈধ অস্ত্রধারীদের কারণে অশান্ত হয়ে ওঠে। তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বেই তিন পার্বত্য জেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব করেন।’
পার্বত্য এলাকায় পাড়া-মহল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে নীরবে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করেন কমিটির সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেন তিনি।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা বলেন, ‘পার্বত্য বান্দরবানে বর্তমানে বিভিন্ন দল-উপদলের কারণে পাড়া-মহল্লায় মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত রয়েছে এবং মানুষ নীরবে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সম্মুখীন হচ্ছে। বিগত পাঁচ বছরে এখানে বিনা বিচারে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জটিল হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ওই বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী ও বান্দরবানের সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উ শৈ সিং পার্বত্য অঞ্চল থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের ব্যাপারে যা যা প্রয়োজন, তা করার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সংসদীয় কমিটির সদস্য দীপংকর তালুকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি, চাঁদাবাজদের কোণঠাসা করে রাখার ব্যবস্থা করতে আমরা সুপারিশ করেছি। যাতে করে পার্বত্য অঞ্চল শান্তিপূর্ণ থাকে, অস্থিতিশীল, অস্থির পরিস্থিতি না থাকে এবং সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারে সেই ব্যবস্থা নিতে বলেছি। কারণ অবৈধ অস্ত্রধারীরা মানুষকে ভোট দেওয়ার বিষয়ে প্রভাবিত করে। সেটা না হয়ে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট যাতে এ অঞ্চলে হয় সেই ব্যবস্থা নিতে বলেছি।’
এদিকে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবারের বৈঠকে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র যেন দেশে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে।
এদিকে বিগত বৈঠকে পাহাড়ি উগ্রবাদী সংগঠন কুকি চিনের (কেএনএফ) বিষয়ে কথা বলা হয়। বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা কেএনএফ নামে সামাজিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনী হিসেবে সংগঠনটি পরিচিতি লাভ করেছে। সংগঠনটি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের সঙ্গে জড়িত থাকায় সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। কেএনএফের সদস্যরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং জঙ্গিগোষ্ঠী সম্পৃক্ত হওয়ায় সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেকোনো সময় অবনতি হতে পারে।
কেএনএফের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য বান্দরবান জেলা পরিষদের একটি লিয়াজোঁ কমিটি আছে বলে জানা গেছে। ওই কমিটি এখন পর্যন্ত জুমে দুটি বৈঠক করেছে। সামনে সরাসরি বৈঠক করার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বৈঠকের বিষয়ে কিছু শর্ত কেএনএফ দিয়েছে। যার মধ্যে দুটো সেনাক্যাম্প সরিয়ে নেওয়ার কথা তারা বলেছে। তবে জেলা পরিষদ সেটাতে সায় দেয়নি।
বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য সরাসরি বৈঠকের জন্য একটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে বৈঠকের তারিখ জানা যাবে।’
বৈঠকে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ ভবনের নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ে শুরু করতে না পারায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।
মঙ্গলবার সংসদীয় কমিটির সভাপতি দবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হওয়া বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, দীপংকর তালুকদার, এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, বাসন্তী চাকমা এবং নোমান আল মাহমুদ।

নিরাপত্তার বিবেচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
৬ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে গণভোট। সেখানে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন...
৮ ঘণ্টা আগে