নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে সার্চ কমিটিতে বিভিন্ন পক্ষ থেকে ৩২২ জনের নাম এসেছে। সে তালিকা গতকাল সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সেই তালিকার বাইরেও ইসি গঠনের জন্য প্রয়োজনে আরও নাম খুঁজতে পারবে সার্চ কমিটি।
সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে আজ মঙ্গলবার বৈঠক শেষে এমন কথাই বলেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
আজ আটজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে সার্চ কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে আমন্ত্রিতদের মধ্যে চারজন আসেননি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সার্চ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দিচ্ছে। সে হিসেবে কমিটির বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবও উপস্থিত ছিলেন।
যাদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে, তাঁদের বাইরেও কারো নাম রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব করা হবে কি না, সেই প্রশ্নে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সার্চ কমিটি তো সার্চ যেভাবে করার কথা সেভাবে করবে। যদি আরও সার্চ করার প্রয়োজন হয় সেভাবে ওনারা দেখবেন।’
খুব শিগগিরই সার্চে কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে ১০ জনের নাম সুপারিশ করবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
সার্চ কমিটি যাদের নাম প্রকাশ করেছে, তাঁদের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, এ প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা যারা সাবমিট করেছেন তাঁরা বলতে পারবেন। কমিটির কাছেও এই জিনিসটা আসছে। কমিটি কালকের মধ্যেই এটা বিবেচনা করবে, এটা সম্মতি নিয়ে হয়েছে কি না।’
প্রকাশিত নামগুলো সংশোধন করা হয়েছে জানিয়ে আনোয়ারুল বলেন, ‘এগুলো কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হবে। তারপর তাঁরা তাদের কার্যপদ্ধতি ঠিক করে এখন থেকে সিলেকশনের দিকে যাবেন।’
চূড়ান্তভাবে যে ১০ জনের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করা হবে, সেগুলো প্রকাশ করা হবে কি না, সে বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব কোনো মন্তব্য করেননি।
সার্চ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেওয়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গতকাল সোমবার রাতে সার্চ কমিটিতে জমা পড়া ৩২২ জনের নাম প্রকাশ করে। অবশ্য ছয়জনের নাম দুইবার করে থাকায় তালিকায় নাম রয়েছে মূলত ৩১৬ জনের। কার নাম কে বা কাদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছে সে তথ্য তালিকায় জানানো হয়নি। যদিও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এমন একটি দাবি ছিল।
আজ বিকেলে চারজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে বৈঠক করে সার্চ কমিটি। বৈঠকে অংশ নেওয়া সাংবাদিকেরা জানান, যেসব রাজনৈতিক দল এখনো নাম প্রস্তাব করেনি তারা ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নাম জমা দিতে পারবে বলে সার্চ কমিটি তাঁদের জানিয়েছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে সার্চ কমিটিতে বিভিন্ন পক্ষ থেকে ৩২২ জনের নাম এসেছে। সে তালিকা গতকাল সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সেই তালিকার বাইরেও ইসি গঠনের জন্য প্রয়োজনে আরও নাম খুঁজতে পারবে সার্চ কমিটি।
সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে আজ মঙ্গলবার বৈঠক শেষে এমন কথাই বলেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
আজ আটজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে সার্চ কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে আমন্ত্রিতদের মধ্যে চারজন আসেননি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সার্চ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দিচ্ছে। সে হিসেবে কমিটির বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবও উপস্থিত ছিলেন।
যাদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে, তাঁদের বাইরেও কারো নাম রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাব করা হবে কি না, সেই প্রশ্নে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সার্চ কমিটি তো সার্চ যেভাবে করার কথা সেভাবে করবে। যদি আরও সার্চ করার প্রয়োজন হয় সেভাবে ওনারা দেখবেন।’
খুব শিগগিরই সার্চে কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে ১০ জনের নাম সুপারিশ করবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
সার্চ কমিটি যাদের নাম প্রকাশ করেছে, তাঁদের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, এ প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা যারা সাবমিট করেছেন তাঁরা বলতে পারবেন। কমিটির কাছেও এই জিনিসটা আসছে। কমিটি কালকের মধ্যেই এটা বিবেচনা করবে, এটা সম্মতি নিয়ে হয়েছে কি না।’
প্রকাশিত নামগুলো সংশোধন করা হয়েছে জানিয়ে আনোয়ারুল বলেন, ‘এগুলো কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হবে। তারপর তাঁরা তাদের কার্যপদ্ধতি ঠিক করে এখন থেকে সিলেকশনের দিকে যাবেন।’
চূড়ান্তভাবে যে ১০ জনের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করা হবে, সেগুলো প্রকাশ করা হবে কি না, সে বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব কোনো মন্তব্য করেননি।
সার্চ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেওয়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গতকাল সোমবার রাতে সার্চ কমিটিতে জমা পড়া ৩২২ জনের নাম প্রকাশ করে। অবশ্য ছয়জনের নাম দুইবার করে থাকায় তালিকায় নাম রয়েছে মূলত ৩১৬ জনের। কার নাম কে বা কাদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছে সে তথ্য তালিকায় জানানো হয়নি। যদিও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এমন একটি দাবি ছিল।
আজ বিকেলে চারজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে বৈঠক করে সার্চ কমিটি। বৈঠকে অংশ নেওয়া সাংবাদিকেরা জানান, যেসব রাজনৈতিক দল এখনো নাম প্রস্তাব করেনি তারা ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নাম জমা দিতে পারবে বলে সার্চ কমিটি তাঁদের জানিয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫০১ জনই কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক। অর্থাৎ গতকাল বুধবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থীর ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশই কোটিপতি। ৭ জন প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ শতকোটি টাকার বেশি।
৩ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি-সংক্রান্ত গবেষণার জন্য পৃথক ইনস্টিটিউশন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের আলাদা ইনস্টিটিউট হতে হবে। এটা মন্ত্রণালয়ের অধীনে হলে চলবে না। এটি একটি আলাদা শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হবে, যা পৃথিবীতে এ-সম্পর্কিত যত সংস্থা আছে, সবকটির সঙ্গে
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের আকাশসীমায় সিলেট থেকে লন্ডনগামী বিমানের ফ্লাইটে যাত্রী অসুস্থ হলেও সেখানে জরুরি অবতরণ করেননি পাইলট। প্রায় তিন ঘণ্টা পর ঢাকায় ফিরে অবতরণের পর ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গত ৩১ ডিসেম্বরের এ ঘটনায় তদন্তের মুখে পড়েছেন ওই ফ্লাইটের পাইলট।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল আবেদনের ভিড় বাড়ছে। গতকাল বুধবার আপিল কার্যক্রমের তৃতীয় দিনে ইসির স্থাপিত বুথগুলোয় মোট ১৩১টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ১২৮ জন এবং রাজশাহী-৫, কিশোরগঞ্জ-৫ ও নোয়াখালী-৫ আসনের বৈধ প্রার্থীর বি
৯ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫০১ জনই কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক। অর্থাৎ গতকাল বুধবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থীর ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশই কোটিপতি। ৭ জন প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ শতকোটি টাকার বেশি।
সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)। এই তালিকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জাতীয় পার্টি, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছেন।
যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রার্থীরা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁদের আয়, সম্পদ, মামলাসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য দিয়েছেন। হলফনামায় আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণের ঘরে প্রার্থীরা নিজেদের সম্পদ উল্লেখ করেছেন। আজকের পত্রিকা এই তথ্য বিশ্লেষণে মাইক্রোসফট এক্সেল সফটওয়্যার ব্যবহার করেছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদের ৩০০ আসনের জন্য মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন আগ্রহীরা। তবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত জমা পড়ে ২ হাজার ৫৬৮টি। এগুলোর মধ্যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৯০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বাকি ৪৭৮ জন ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাছাই শেষে ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
হলফনামায় দেওয়া হিসাব প্রার্থী কীভাবে মিলিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখার ওপর জোর দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, কেউ শতকোটি বা হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েও সম্পত্তি গোপন করল কি না বা আয় না থাকলেও নিজেকে কোটি টাকার মালিক দেখাল কি না, এসব খতিয়ে দেখতে হবে।
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীদের ১০ ধরনের তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করতে হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে পেশা, আয়ের উৎস, শিক্ষাগত যোগ্যতা, মামলা-সংক্রান্ত তথ্য এবং প্রার্থী ও তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের সম্পদের বিবরণ। হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এমনকি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরও হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রমাণ মিললে সংসদের মেয়াদ চলাকালীন সদস্যপদ বাতিল করা যেতে পারে। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচন থেকে প্রার্থীদের হলফনামা দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়।
কোন দলের কোটিপতি প্রার্থী কত
বৈধ প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দল হিসেবে বিএনপির কোটিপতি প্রার্থী ২১২ জন। জামায়াতে ইসলামীর ৬৪ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৫, জাতীয় পার্টির ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ১২; গণঅধিকার পরিষদ, এনসিপি ও আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) ৫ জন করে এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ৪ জন প্রার্থী কোটিপতি। এ ছাড়া স্বতন্ত্র ৫৮ জন এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ৭১ জন প্রার্থী কোটিপতি।
হলফনামার তথ্য বলছে, বিভাগভিত্তিক হিসেবে সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী ঢাকা বিভাগে, ১৪৩ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে চট্টগ্রাম বিভাগ, যেখানে কোটিপতি প্রার্থী ১১৪ জন। রংপুর বিভাগে ৫১ জন, রাজশাহীতে ৪৭, খুলনায় ৪০, বরিশালে ৩৯, সিলেটে ৩৭ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৩০ জন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন।
বান্দরবান ছাড়া দেশের সব জেলায় অন্তত একজন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী ঢাকা জেলায়, ৫১ জন। এরপর চট্টগ্রামে ৩৬ জন এবং কুমিল্লায় ২১ জন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। নোয়াখালীতে ১৭, ময়মনসিংহে ১৬, নারায়ণগঞ্জে ১৫ ও সিলেটে ১৩ প্রার্থী আছেন এই তালিকায়।
বরিশাল, টাঙ্গাইল ও নরসিংদী জেলায় কোটিপতি প্রার্থী ১২ জন করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১১ এবং বগুড়া ও গাজীপুরে ১০ জন করে কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। রংপুর ও সুনামগঞ্জে ৯ জন করে; চাঁদপুর, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, মাদারীপুর ও মৌলভীবাজারে ৮ জন করে প্রার্থী কোটিপতি। বাগেরহাট, লালমনিরহাট, হবিগঞ্জ, রাজশাহী, ফেনী, নেত্রকোনা, নীলফামারী, খুলনা, গোপালগঞ্জ, নওগাঁ ও ঝালকাঠি জেলায় ৭ জন করে কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন।
জামালপুর, কক্সবাজার, নাটোর, ফরিদপুর, ভোলা, মানিকগঞ্জ, যশোর, লক্ষ্মীপুর ও সিরাজগঞ্জে রয়েছেন ৬ জন করে কোটিপতি প্রার্থী। শরীয়তপুর, পিরোজপুর, পাবনা, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম ও কুষ্টিয়ায় ৫ জন করে; কিশোরগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, নড়াইল, বরগুনা ও মুন্সিগঞ্জে ৪ জন করে এবং রাজবাড়ী, সাতক্ষীরা, পঞ্চগড় ও ঝিনাইদহে ৩ জন করে প্রার্থী এমন সম্পদের মালিক। মেহেরপুর, মাগুরা ও জয়পুরহাটে রয়েছেন ২ জন করে; রাঙামাটি, শেরপুর, খাগড়াছড়ি ও চুয়াডাঙ্গায় একজন করে কোটিপতি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
শীর্ষস্থানীয় ১০ সম্পদশালী প্রার্থী
হলফনামা অনুযায়ী, শীর্ষ ১০ সম্পদশালী প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনই বিএনপির। বাকি ৪ জনের দুজন স্বতন্ত্র এবং জামায়াতে ইসলামীর একজন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন। শীর্ষ ২০ তালিকায় বিএনপির প্রার্থী ১৪ জন, স্বতন্ত্র ৪ এবং জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের একজন করে প্রার্থী রয়েছেন।
হলফনামায় উল্লেখ করা সম্পদের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছেন চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৩৬৫ কোটি ৫ লাখ ২৮ হাজার ৮৩৬ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান, তাঁর সম্পদ ২৬৫ কোটি ৩ লাখ ২ হাজার ৯৫৭ টাকার।
তৃতীয় স্থানে থাকা কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহেরের সম্পদ আছে ২০৪ কোটি ৬২ লাখ ৯ হাজার ৪৩০ টাকার। এরপর রয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. জাকির হোসেন পাটওয়ারী (তাঁর সম্পদ ১২৬ কোটি ৪৭ লাখ ৫৫ হাজার ৭৩৬ টাকার) এবং চাঁদপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ (সম্পদ ১১৮ কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৯ টাকার)।
সম্পদে ষষ্ঠ ও সপ্তম স্থানে রয়েছেন ফেনী-৩ (সোনাগাজী–দাগনভূঞা) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লা। আবদুল আউয়াল মিন্টুর সম্পদ ১১৬ কোটি ৯০ লাখ ৮৯ হাজার ১৫৯ টাকার। এনায়াত উল্লার সম্পদের পরিমাণ ১০৮ কোটি ৭৭ লাখ ৮০ হাজার ৯৯৯ টাকা।
সম্পদে শীর্ষস্থানীয় ১০ জনের শেষ তিনজন হলেন টাঙ্গাইল-৮ আসনে (বাসাইল-সখীপুর) স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর, ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন ও ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির ফখর উদ্দিন আহমেদ। তাঁদের সম্পদের পরিমাণ যথাক্রমে ৯৮ কোটি ৮৫ লাখ ১৯ হাজার ৬৩৮ টাকা, ৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ১৯ হাজার ১১২ টাকা এবং ৮৪ কোটি ৭৫ লাখ ১ হাজার ২৯১ টাকা।
ভোটে টাকার প্রভাব নিয়ে মিশ্র মত
নির্বাচনে টাকা ও কালোটাকার ছড়াছড়ি নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অভিযোগ রয়েছে, অনেক প্রার্থী টাকা ছড়িয়ে নির্বাচন প্রভাবিত করেন। এবারের নির্বাচনেও টাকার প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন মহল আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
এবারের নির্বাচনে এতসংখ্যক কোটিপতি প্রার্থী থাকায় তা বাড়তি কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। গতকাল বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু আজকের পত্রিকাকে বলেন, আর্থিক সামর্থ্য থাকা তো অপরাধ নয়; বরং প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং বিশেষত নির্বাচনে তা গুরুত্ব বহন করে। সেই হিসেবে আদর্শিক ব্যাপার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, সচ্ছলতাও গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি নির্বাচনে কোনো খারাপ প্রভাব ফেলবে না বলেই তিনি মনে করেন। ভোটাররা কোন বিবেচনায় কাকে ভোট দেবেন, সেটিই মুখ্য।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আমরা প্রার্থীর সম্পত্তিকে নয়, তাঁর নৈতিকতা ও জনপ্রিয়তা আছে কি না, সেটি গুরুত্ব দিয়েছি। সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব—এই নীতিতেই আমাদের প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, কারও কাছে যদি কালোটাকা থাকে, সেই টাকা তো অবশ্যই নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে। প্রভাব ঠেকাতে আরপিও থাকলেও প্রয়োগ নেই। প্রয়োগ থাকলে কালোটাকার প্রভাব ঠেকানো যেত।
এনসিপির নির্বাচনী মিডিয়া কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম বলেন, তাঁদের দলে কোটিপতি প্রার্থী কম থাকাকে তাঁরা দুর্বলতা নয়, বরং শক্তি হিসেবে দেখেন। কারণ, তাঁদের প্রার্থীদের জনগণ ভালোবেসে অর্থ দিচ্ছে, সময় দিচ্ছে, শ্রম দিচ্ছে। কোটিপতি প্রার্থীরা হয়তো অর্থের জোরে পোস্টার, ব্যানার ও প্রচারে বাড়তি সুবিধা নিতে পারেন, কিন্তু ভোটকেন্দ্রে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ।
সম্পদের তথ্য যাচাইয়ের তাগিদ
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হলফনামায় প্রার্থীদের দেওয়া সম্পদের তথ্য যাচাই করা উচিত। এ ক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার পরামর্শ দেন তাঁরা।
হলফনামায় দেওয়া প্রার্থীদের সম্পদের তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ এখনো আছে বলে মনে করেন গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, উপযুক্ত তথ্য-উপাত্তসহ হলফনামা নেওয়া উচিত। প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের সঠিক হিসাব পাওয়া যায় না এবং এগুলোকে নির্ণয় করার মতো ইনস্ট্রুমেন্টও নির্বাচন কমিশনের হাতে নেই। প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়সংক্রান্ত বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আনা প্রয়োজন।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘ঘোষণা অনুযায়ী তাঁরা কোটিপতি। কিন্তু এখন তাঁদের কত কোটি টাকা আছে, আমরা তো জানি না। আমাদের আশঙ্কা এবং অনেকের ধারণা, অনেক প্রার্থী তাঁদের তথ্য গোপন করছেন কিংবা বিভ্রান্তমূলক তথ্য দিচ্ছেন। আমরা নির্বাচন কমিশনকে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এসব তথ্য খতিয়ে দেখার প্রস্তাব করেছিলাম। কমিশন ওই প্রস্তাব আংশিক গ্রহণ করেছে। নির্বাচনের পরও এসব তথ্য খতিয়ে দেখা দরকার।’
হলফনামায় দেওয়া তথ্যের পর্যাপ্ততা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতা দীর্ঘদিনের বলে মন্তব্য করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, হলফনামার তথ্য যেহেতু আয়কর রিটার্নের তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া বাঞ্ছনীয়, সে জন্য এনবিআরের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ও দুদকের কাছে মানুষের প্রত্যাশা—কোনো ধরনের ভয়-করুণার ঊর্ধ্বে থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় হলফনামার তথ্য যাচাই করা। অসংগতির ক্ষেত্রে ইসির এখতিয়ার প্রার্থিতা বাতিল করা, এনবিআরের দায়িত্ব কর ফাঁকির জন্য, দুদকের এখতিয়ার অবৈধ সূত্রে অর্জিত অর্থ-সম্পদের প্রমাণসাপেক্ষে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫০১ জনই কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক। অর্থাৎ গতকাল বুধবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থীর ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশই কোটিপতি। ৭ জন প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ শতকোটি টাকার বেশি।
সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)। এই তালিকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জাতীয় পার্টি, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছেন।
যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রার্থীরা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁদের আয়, সম্পদ, মামলাসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য দিয়েছেন। হলফনামায় আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণের ঘরে প্রার্থীরা নিজেদের সম্পদ উল্লেখ করেছেন। আজকের পত্রিকা এই তথ্য বিশ্লেষণে মাইক্রোসফট এক্সেল সফটওয়্যার ব্যবহার করেছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদের ৩০০ আসনের জন্য মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন আগ্রহীরা। তবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত জমা পড়ে ২ হাজার ৫৬৮টি। এগুলোর মধ্যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৯০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বাকি ৪৭৮ জন ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাছাই শেষে ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
হলফনামায় দেওয়া হিসাব প্রার্থী কীভাবে মিলিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখার ওপর জোর দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, কেউ শতকোটি বা হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েও সম্পত্তি গোপন করল কি না বা আয় না থাকলেও নিজেকে কোটি টাকার মালিক দেখাল কি না, এসব খতিয়ে দেখতে হবে।
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীদের ১০ ধরনের তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করতে হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে পেশা, আয়ের উৎস, শিক্ষাগত যোগ্যতা, মামলা-সংক্রান্ত তথ্য এবং প্রার্থী ও তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের সম্পদের বিবরণ। হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এমনকি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরও হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রমাণ মিললে সংসদের মেয়াদ চলাকালীন সদস্যপদ বাতিল করা যেতে পারে। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচন থেকে প্রার্থীদের হলফনামা দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়।
কোন দলের কোটিপতি প্রার্থী কত
বৈধ প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দল হিসেবে বিএনপির কোটিপতি প্রার্থী ২১২ জন। জামায়াতে ইসলামীর ৬৪ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৫, জাতীয় পার্টির ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ১২; গণঅধিকার পরিষদ, এনসিপি ও আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) ৫ জন করে এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ৪ জন প্রার্থী কোটিপতি। এ ছাড়া স্বতন্ত্র ৫৮ জন এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ৭১ জন প্রার্থী কোটিপতি।
হলফনামার তথ্য বলছে, বিভাগভিত্তিক হিসেবে সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী ঢাকা বিভাগে, ১৪৩ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে চট্টগ্রাম বিভাগ, যেখানে কোটিপতি প্রার্থী ১১৪ জন। রংপুর বিভাগে ৫১ জন, রাজশাহীতে ৪৭, খুলনায় ৪০, বরিশালে ৩৯, সিলেটে ৩৭ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৩০ জন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন।
বান্দরবান ছাড়া দেশের সব জেলায় অন্তত একজন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী ঢাকা জেলায়, ৫১ জন। এরপর চট্টগ্রামে ৩৬ জন এবং কুমিল্লায় ২১ জন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। নোয়াখালীতে ১৭, ময়মনসিংহে ১৬, নারায়ণগঞ্জে ১৫ ও সিলেটে ১৩ প্রার্থী আছেন এই তালিকায়।
বরিশাল, টাঙ্গাইল ও নরসিংদী জেলায় কোটিপতি প্রার্থী ১২ জন করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১১ এবং বগুড়া ও গাজীপুরে ১০ জন করে কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। রংপুর ও সুনামগঞ্জে ৯ জন করে; চাঁদপুর, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, মাদারীপুর ও মৌলভীবাজারে ৮ জন করে প্রার্থী কোটিপতি। বাগেরহাট, লালমনিরহাট, হবিগঞ্জ, রাজশাহী, ফেনী, নেত্রকোনা, নীলফামারী, খুলনা, গোপালগঞ্জ, নওগাঁ ও ঝালকাঠি জেলায় ৭ জন করে কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন।
জামালপুর, কক্সবাজার, নাটোর, ফরিদপুর, ভোলা, মানিকগঞ্জ, যশোর, লক্ষ্মীপুর ও সিরাজগঞ্জে রয়েছেন ৬ জন করে কোটিপতি প্রার্থী। শরীয়তপুর, পিরোজপুর, পাবনা, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম ও কুষ্টিয়ায় ৫ জন করে; কিশোরগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, নড়াইল, বরগুনা ও মুন্সিগঞ্জে ৪ জন করে এবং রাজবাড়ী, সাতক্ষীরা, পঞ্চগড় ও ঝিনাইদহে ৩ জন করে প্রার্থী এমন সম্পদের মালিক। মেহেরপুর, মাগুরা ও জয়পুরহাটে রয়েছেন ২ জন করে; রাঙামাটি, শেরপুর, খাগড়াছড়ি ও চুয়াডাঙ্গায় একজন করে কোটিপতি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
শীর্ষস্থানীয় ১০ সম্পদশালী প্রার্থী
হলফনামা অনুযায়ী, শীর্ষ ১০ সম্পদশালী প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনই বিএনপির। বাকি ৪ জনের দুজন স্বতন্ত্র এবং জামায়াতে ইসলামীর একজন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন। শীর্ষ ২০ তালিকায় বিএনপির প্রার্থী ১৪ জন, স্বতন্ত্র ৪ এবং জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের একজন করে প্রার্থী রয়েছেন।
হলফনামায় উল্লেখ করা সম্পদের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছেন চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৩৬৫ কোটি ৫ লাখ ২৮ হাজার ৮৩৬ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান, তাঁর সম্পদ ২৬৫ কোটি ৩ লাখ ২ হাজার ৯৫৭ টাকার।
তৃতীয় স্থানে থাকা কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহেরের সম্পদ আছে ২০৪ কোটি ৬২ লাখ ৯ হাজার ৪৩০ টাকার। এরপর রয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. জাকির হোসেন পাটওয়ারী (তাঁর সম্পদ ১২৬ কোটি ৪৭ লাখ ৫৫ হাজার ৭৩৬ টাকার) এবং চাঁদপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ (সম্পদ ১১৮ কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৯ টাকার)।
সম্পদে ষষ্ঠ ও সপ্তম স্থানে রয়েছেন ফেনী-৩ (সোনাগাজী–দাগনভূঞা) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লা। আবদুল আউয়াল মিন্টুর সম্পদ ১১৬ কোটি ৯০ লাখ ৮৯ হাজার ১৫৯ টাকার। এনায়াত উল্লার সম্পদের পরিমাণ ১০৮ কোটি ৭৭ লাখ ৮০ হাজার ৯৯৯ টাকা।
সম্পদে শীর্ষস্থানীয় ১০ জনের শেষ তিনজন হলেন টাঙ্গাইল-৮ আসনে (বাসাইল-সখীপুর) স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর, ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন ও ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির ফখর উদ্দিন আহমেদ। তাঁদের সম্পদের পরিমাণ যথাক্রমে ৯৮ কোটি ৮৫ লাখ ১৯ হাজার ৬৩৮ টাকা, ৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ১৯ হাজার ১১২ টাকা এবং ৮৪ কোটি ৭৫ লাখ ১ হাজার ২৯১ টাকা।
ভোটে টাকার প্রভাব নিয়ে মিশ্র মত
নির্বাচনে টাকা ও কালোটাকার ছড়াছড়ি নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অভিযোগ রয়েছে, অনেক প্রার্থী টাকা ছড়িয়ে নির্বাচন প্রভাবিত করেন। এবারের নির্বাচনেও টাকার প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন মহল আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
এবারের নির্বাচনে এতসংখ্যক কোটিপতি প্রার্থী থাকায় তা বাড়তি কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। গতকাল বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু আজকের পত্রিকাকে বলেন, আর্থিক সামর্থ্য থাকা তো অপরাধ নয়; বরং প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং বিশেষত নির্বাচনে তা গুরুত্ব বহন করে। সেই হিসেবে আদর্শিক ব্যাপার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, সচ্ছলতাও গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি নির্বাচনে কোনো খারাপ প্রভাব ফেলবে না বলেই তিনি মনে করেন। ভোটাররা কোন বিবেচনায় কাকে ভোট দেবেন, সেটিই মুখ্য।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আমরা প্রার্থীর সম্পত্তিকে নয়, তাঁর নৈতিকতা ও জনপ্রিয়তা আছে কি না, সেটি গুরুত্ব দিয়েছি। সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব—এই নীতিতেই আমাদের প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, কারও কাছে যদি কালোটাকা থাকে, সেই টাকা তো অবশ্যই নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে। প্রভাব ঠেকাতে আরপিও থাকলেও প্রয়োগ নেই। প্রয়োগ থাকলে কালোটাকার প্রভাব ঠেকানো যেত।
এনসিপির নির্বাচনী মিডিয়া কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম বলেন, তাঁদের দলে কোটিপতি প্রার্থী কম থাকাকে তাঁরা দুর্বলতা নয়, বরং শক্তি হিসেবে দেখেন। কারণ, তাঁদের প্রার্থীদের জনগণ ভালোবেসে অর্থ দিচ্ছে, সময় দিচ্ছে, শ্রম দিচ্ছে। কোটিপতি প্রার্থীরা হয়তো অর্থের জোরে পোস্টার, ব্যানার ও প্রচারে বাড়তি সুবিধা নিতে পারেন, কিন্তু ভোটকেন্দ্রে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ।
সম্পদের তথ্য যাচাইয়ের তাগিদ
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হলফনামায় প্রার্থীদের দেওয়া সম্পদের তথ্য যাচাই করা উচিত। এ ক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার পরামর্শ দেন তাঁরা।
হলফনামায় দেওয়া প্রার্থীদের সম্পদের তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ এখনো আছে বলে মনে করেন গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, উপযুক্ত তথ্য-উপাত্তসহ হলফনামা নেওয়া উচিত। প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের সঠিক হিসাব পাওয়া যায় না এবং এগুলোকে নির্ণয় করার মতো ইনস্ট্রুমেন্টও নির্বাচন কমিশনের হাতে নেই। প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়সংক্রান্ত বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আনা প্রয়োজন।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘ঘোষণা অনুযায়ী তাঁরা কোটিপতি। কিন্তু এখন তাঁদের কত কোটি টাকা আছে, আমরা তো জানি না। আমাদের আশঙ্কা এবং অনেকের ধারণা, অনেক প্রার্থী তাঁদের তথ্য গোপন করছেন কিংবা বিভ্রান্তমূলক তথ্য দিচ্ছেন। আমরা নির্বাচন কমিশনকে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এসব তথ্য খতিয়ে দেখার প্রস্তাব করেছিলাম। কমিশন ওই প্রস্তাব আংশিক গ্রহণ করেছে। নির্বাচনের পরও এসব তথ্য খতিয়ে দেখা দরকার।’
হলফনামায় দেওয়া তথ্যের পর্যাপ্ততা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতা দীর্ঘদিনের বলে মন্তব্য করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, হলফনামার তথ্য যেহেতু আয়কর রিটার্নের তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া বাঞ্ছনীয়, সে জন্য এনবিআরের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ও দুদকের কাছে মানুষের প্রত্যাশা—কোনো ধরনের ভয়-করুণার ঊর্ধ্বে থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় হলফনামার তথ্য যাচাই করা। অসংগতির ক্ষেত্রে ইসির এখতিয়ার প্রার্থিতা বাতিল করা, এনবিআরের দায়িত্ব কর ফাঁকির জন্য, দুদকের এখতিয়ার অবৈধ সূত্রে অর্জিত অর্থ-সম্পদের প্রমাণসাপেক্ষে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে সার্চ কমিটিতে বিভিন্ন পক্ষ থেকে ৩২২ জনের নাম এসেছে। সে তালিকা গতকাল সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সেই তালিকার বাইরেও ইসি গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে নাম সুপারিশ করতে পারবে সার্চ কমিটি।
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি-সংক্রান্ত গবেষণার জন্য পৃথক ইনস্টিটিউশন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের আলাদা ইনস্টিটিউট হতে হবে। এটা মন্ত্রণালয়ের অধীনে হলে চলবে না। এটি একটি আলাদা শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হবে, যা পৃথিবীতে এ-সম্পর্কিত যত সংস্থা আছে, সবকটির সঙ্গে
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের আকাশসীমায় সিলেট থেকে লন্ডনগামী বিমানের ফ্লাইটে যাত্রী অসুস্থ হলেও সেখানে জরুরি অবতরণ করেননি পাইলট। প্রায় তিন ঘণ্টা পর ঢাকায় ফিরে অবতরণের পর ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গত ৩১ ডিসেম্বরের এ ঘটনায় তদন্তের মুখে পড়েছেন ওই ফ্লাইটের পাইলট।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল আবেদনের ভিড় বাড়ছে। গতকাল বুধবার আপিল কার্যক্রমের তৃতীয় দিনে ইসির স্থাপিত বুথগুলোয় মোট ১৩১টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ১২৮ জন এবং রাজশাহী-৫, কিশোরগঞ্জ-৫ ও নোয়াখালী-৫ আসনের বৈধ প্রার্থীর বি
৯ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি-সংক্রান্ত গবেষণার জন্য পৃথক ইনস্টিটিউশন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের আলাদা ইনস্টিটিউট হতে হবে। এটা মন্ত্রণালয়ের অধীনে হলে চলবে না। এটি একটি আলাদা শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হবে, যা পৃথিবীতে এ-সম্পর্কিত যত সংস্থা আছে, সবকটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে এবং পলিসি তৈরিতে সরকারকে সাহায্য করবে।
আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত মহাপরিকল্পনা ২০২৬-৫০ উপস্থাপন করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ সময় তিনি এ নির্দেশ দেন।
অতীতে যা হয়েছে, সবই খাপছাড়া উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘একদম শুরু থেকে চিন্তা করতে হবে। একরকমভাবে হয়ে আসছে সে জন্য সেই পথেই যেতে হবে—এমন কোনো কথা নেই। অনেক কিছু ভুল লোকেশনে, ভুল স্ট্রাকচারে হয়েছে। এমনটা যেন আর না ঘটতে পারে। একটা কাঠামো, নিয়মের মধ্যে যেন থাকে, সেটা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। সে জন্য গবেষণাকেন্দ্র জরুরি।’ প্রধান উপদেষ্টা একই সঙ্গে বিকল্প উৎস নিয়েও গবেষণার নির্দেশ দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, এই মহাপরিকল্পনায় জ্বালানি খাতে দ্রুত প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কীভাবে দক্ষতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করে জলবায়ু প্রভাব কমানো সম্ভব এবং একই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সুযোগও সৃষ্টি করা যায়, তা তুলে ধরা হয়েছে।
বিদ্যুৎ-চাহিদা ২০৫০ সালের মধ্যে ১৭ গিগাওয়াট থেকে বেড়ে ৫৯ গিগাওয়াটে পৌঁছাবে, যা পরিবেশগত ও সামাজিক চাপ সৃষ্টি করবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় মোট নিঃসরণ বাড়বে, তবে পরিচ্ছন্ন ও অধিক দক্ষ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে (০.৬২ থেকে ০.৩৫ টন CO₂/মেগাওয়াট-ঘণ্টা)।
২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু-সংক্রান্ত উদ্যোগসমূহের মাধ্যমে বার্ষিক ৬৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন কার্বণ ডাই-অক্সাইড এবং ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন টন কার্বণ ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে।
মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে কিছু সংস্কার বাস্তবায়ন হয়েছে। এর মধ্যে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’ (যা সাধারণত কুইক রেন্টাল আইন নামে পরিচিত) বাতিল করা হয়েছে, মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ গ্রহণ করা হয়েছে এবং রিনিউবেল এনার্জি পলিসি ২০২৫, রুফটপ সোলার প্রোগ্রাম ২০২৫ এবং নেট মিটারিং গাইডলাইন ২০২৫ গ্রহণ করা হয়েছে।
আজকের সভায় বিদ্যুৎ উৎপাদন, ট্রান্সমিশন, সরবরাহ, পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক সাসটেইনেবিলিটি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিষয়ে কিছু সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়েছে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রাইমারি এনার্জি সেক্টরকে আরও নিরাপদ, দক্ষ, কম আমদানিনির্ভর ও আর্থিকভাবে টেকসই করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬–৫০ মেয়াদে জ্বালানি খাতে ৭০–৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বিদ্যুৎ খাতে ১০৭ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে।
এ মহাপরিকল্পনার লক্ষ্য হলো দেশীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত দায়বদ্ধতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী ও টেকসই প্রাথমিক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা।
সভায় আগের তিনটি মহাপরিকল্পনার পলিসি গ্যাপ চিহ্নিত করে তা সংক্ষেপে পর্যালোচনা করা হয়েছে। নতুন মহাপরিকল্পনা তিন ধাপে (প্রথম ধাপ ২০২৬-৩০ সাল, দ্বিতীয় ধাপ ২০৩০-৪০ সাল ও তৃতীয় ধাপ ২০৪০-৫০ সাল) বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এর মধ্যে ২০২৬ থেকে ২০৩০-এর মধ্যে ফার্স্ট ট্র্যাক প্রায়োরিটি প্রজেক্টস পরিকল্পনায় অফশোর অনুসন্ধান রাউন্ড (Offshore Exploration Round), গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি (Gas Production Boost), এলএনজি সরবরাহ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ (LNG Supply Security), রিফাইনারি সক্ষমতা সম্প্রসারণ (Refinery Capacity Expansion), কৌশলগত জ্বালানি মজুত সক্ষমতা সম্প্রসারণের (Strategic Storage Expansion) কাজ হবে।
দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত প্রকল্পসমূহে অফশোর গ্যাস উন্নয়ন, বৃহৎ পরিসরে রিফাইনিং ও পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প সম্প্রসারণ, হাইড্রোজেন ও অ্যামোনিয়া অবকাঠামো উন্নয়ন, ভূতাপীয় (জিওথার্মাল) শক্তি উন্নয়ন এবং জোয়ার-ভাটা ও সমুদ্র তরঙ্গভিত্তিক শক্তি উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বিস্তারিতভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের খুটিনাটি তুলে ধরার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ এখানে। এটা সবল হলে অর্থনীতি দাঁড়াবে। দেশের প্রতিটি মানুষের জীবনকে এই খাত প্রভাবিত করে।
দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে এ-সংক্রান্ত একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি-সংক্রান্ত গবেষণার জন্য পৃথক ইনস্টিটিউশন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের আলাদা ইনস্টিটিউট হতে হবে। এটা মন্ত্রণালয়ের অধীনে হলে চলবে না। এটি একটি আলাদা শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হবে, যা পৃথিবীতে এ-সম্পর্কিত যত সংস্থা আছে, সবকটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে এবং পলিসি তৈরিতে সরকারকে সাহায্য করবে।
আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত মহাপরিকল্পনা ২০২৬-৫০ উপস্থাপন করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ সময় তিনি এ নির্দেশ দেন।
অতীতে যা হয়েছে, সবই খাপছাড়া উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘একদম শুরু থেকে চিন্তা করতে হবে। একরকমভাবে হয়ে আসছে সে জন্য সেই পথেই যেতে হবে—এমন কোনো কথা নেই। অনেক কিছু ভুল লোকেশনে, ভুল স্ট্রাকচারে হয়েছে। এমনটা যেন আর না ঘটতে পারে। একটা কাঠামো, নিয়মের মধ্যে যেন থাকে, সেটা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। সে জন্য গবেষণাকেন্দ্র জরুরি।’ প্রধান উপদেষ্টা একই সঙ্গে বিকল্প উৎস নিয়েও গবেষণার নির্দেশ দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, এই মহাপরিকল্পনায় জ্বালানি খাতে দ্রুত প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কীভাবে দক্ষতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করে জলবায়ু প্রভাব কমানো সম্ভব এবং একই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সুযোগও সৃষ্টি করা যায়, তা তুলে ধরা হয়েছে।
বিদ্যুৎ-চাহিদা ২০৫০ সালের মধ্যে ১৭ গিগাওয়াট থেকে বেড়ে ৫৯ গিগাওয়াটে পৌঁছাবে, যা পরিবেশগত ও সামাজিক চাপ সৃষ্টি করবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় মোট নিঃসরণ বাড়বে, তবে পরিচ্ছন্ন ও অধিক দক্ষ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে (০.৬২ থেকে ০.৩৫ টন CO₂/মেগাওয়াট-ঘণ্টা)।
২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু-সংক্রান্ত উদ্যোগসমূহের মাধ্যমে বার্ষিক ৬৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন কার্বণ ডাই-অক্সাইড এবং ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন টন কার্বণ ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে।
মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে কিছু সংস্কার বাস্তবায়ন হয়েছে। এর মধ্যে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’ (যা সাধারণত কুইক রেন্টাল আইন নামে পরিচিত) বাতিল করা হয়েছে, মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ গ্রহণ করা হয়েছে এবং রিনিউবেল এনার্জি পলিসি ২০২৫, রুফটপ সোলার প্রোগ্রাম ২০২৫ এবং নেট মিটারিং গাইডলাইন ২০২৫ গ্রহণ করা হয়েছে।
আজকের সভায় বিদ্যুৎ উৎপাদন, ট্রান্সমিশন, সরবরাহ, পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক সাসটেইনেবিলিটি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিষয়ে কিছু সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়েছে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রাইমারি এনার্জি সেক্টরকে আরও নিরাপদ, দক্ষ, কম আমদানিনির্ভর ও আর্থিকভাবে টেকসই করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬–৫০ মেয়াদে জ্বালানি খাতে ৭০–৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বিদ্যুৎ খাতে ১০৭ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে।
এ মহাপরিকল্পনার লক্ষ্য হলো দেশীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত দায়বদ্ধতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সব মানুষের জন্য নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী ও টেকসই প্রাথমিক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা।
সভায় আগের তিনটি মহাপরিকল্পনার পলিসি গ্যাপ চিহ্নিত করে তা সংক্ষেপে পর্যালোচনা করা হয়েছে। নতুন মহাপরিকল্পনা তিন ধাপে (প্রথম ধাপ ২০২৬-৩০ সাল, দ্বিতীয় ধাপ ২০৩০-৪০ সাল ও তৃতীয় ধাপ ২০৪০-৫০ সাল) বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এর মধ্যে ২০২৬ থেকে ২০৩০-এর মধ্যে ফার্স্ট ট্র্যাক প্রায়োরিটি প্রজেক্টস পরিকল্পনায় অফশোর অনুসন্ধান রাউন্ড (Offshore Exploration Round), গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি (Gas Production Boost), এলএনজি সরবরাহ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ (LNG Supply Security), রিফাইনারি সক্ষমতা সম্প্রসারণ (Refinery Capacity Expansion), কৌশলগত জ্বালানি মজুত সক্ষমতা সম্প্রসারণের (Strategic Storage Expansion) কাজ হবে।
দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত প্রকল্পসমূহে অফশোর গ্যাস উন্নয়ন, বৃহৎ পরিসরে রিফাইনিং ও পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প সম্প্রসারণ, হাইড্রোজেন ও অ্যামোনিয়া অবকাঠামো উন্নয়ন, ভূতাপীয় (জিওথার্মাল) শক্তি উন্নয়ন এবং জোয়ার-ভাটা ও সমুদ্র তরঙ্গভিত্তিক শক্তি উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বিস্তারিতভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের খুটিনাটি তুলে ধরার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ এখানে। এটা সবল হলে অর্থনীতি দাঁড়াবে। দেশের প্রতিটি মানুষের জীবনকে এই খাত প্রভাবিত করে।
দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে এ-সংক্রান্ত একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে সার্চ কমিটিতে বিভিন্ন পক্ষ থেকে ৩২২ জনের নাম এসেছে। সে তালিকা গতকাল সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সেই তালিকার বাইরেও ইসি গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে নাম সুপারিশ করতে পারবে সার্চ কমিটি।
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫০১ জনই কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক। অর্থাৎ গতকাল বুধবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থীর ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশই কোটিপতি। ৭ জন প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ শতকোটি টাকার বেশি।
৩ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের আকাশসীমায় সিলেট থেকে লন্ডনগামী বিমানের ফ্লাইটে যাত্রী অসুস্থ হলেও সেখানে জরুরি অবতরণ করেননি পাইলট। প্রায় তিন ঘণ্টা পর ঢাকায় ফিরে অবতরণের পর ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গত ৩১ ডিসেম্বরের এ ঘটনায় তদন্তের মুখে পড়েছেন ওই ফ্লাইটের পাইলট।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল আবেদনের ভিড় বাড়ছে। গতকাল বুধবার আপিল কার্যক্রমের তৃতীয় দিনে ইসির স্থাপিত বুথগুলোয় মোট ১৩১টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ১২৮ জন এবং রাজশাহী-৫, কিশোরগঞ্জ-৫ ও নোয়াখালী-৫ আসনের বৈধ প্রার্থীর বি
৯ ঘণ্টা আগেবিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

পাকিস্তানের আকাশসীমায় সিলেট থেকে লন্ডনগামী বিমানের ফ্লাইটে যাত্রী অসুস্থ হলেও সেখানে জরুরি অবতরণ করেননি পাইলট। প্রায় তিন ঘণ্টা পর ঢাকায় ফিরে অবতরণের পর ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গত ৩১ ডিসেম্বরের এ ঘটনায় তদন্তের মুখে পড়েছেন ওই ফ্লাইটের পাইলট।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিমান সূত্র জানায়, বিমানের ফ্লাইট বিজি-২০১ সিলেট থেকে উড্ডয়নের পর পাকিস্তানের আকাশসীমায় লাহোরের কাছাকাছি পৌঁছালে এক যাত্রী হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পাইলট ‘মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি’ ঘোষণা করে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফেরত আনার সিদ্ধান্ত নেন। ঢাকায় অবতরণের পর ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
মেডিক্যাল ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে কাছাকাছি কোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ করা নিয়ম। পাকিস্তানের আকাশসীমায় থাকাকালীন লাহোর বা নিকটবর্তী অন্য কোনো বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করলে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পাওয়া সম্ভব হতো। সেক্ষেত্রে রোগী বেঁচেও যেতে পারতেন। কিন্তু পাইলট তা না করে কেন তিন ঘণ্টা সময়ক্ষেপন করে ঢাকায় ফিরলেন, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
এর আগে ২০২৩ সালে লন্ডনগামী একই ফ্লাইটে অসুস্থ হয়ে এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকের মৃত্যু হয়। তখনও উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লেও জরুরি অবতরণ না করে উড়োজাহাজটি সরাসরি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল—এ নিয়ে তখনও সমালোচনা হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় বায়ুচাপের পরিবর্তন, কেবিন প্রেসার কমে যাওয়া, ঝাঁকুনি কিংবা মানসিক চাপ অনেক রোগীর জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে বয়স্ক বা দীর্ঘদিন অসুস্থ যাত্রীরা এসব ধকল সহ্য করতে পারেন না। তাই যাত্রার আগে স্বাস্থ্যগত তথ্য গোপন না করার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘অনেক বিদেশি এয়ারলাইন্স অসুস্থ বা অতিবৃদ্ধ যাত্রী পরিবহনে সতর্ক থাকে এবং ক্ষেত্রবিশেষে ‘ফিট টু ফ্লাই’ সনদ দাবি করে। কিন্তু বিমান নানা বাস্তবতায় যাত্রীকে না বলতে পারে না। কখনো কখনো গ্রাউন্ড স্টাফের সহায়তায় যাত্রীরা অসুস্থতার বিষয় গোপন করেই দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইটে উঠে পড়েন।’

পাকিস্তানের আকাশসীমায় সিলেট থেকে লন্ডনগামী বিমানের ফ্লাইটে যাত্রী অসুস্থ হলেও সেখানে জরুরি অবতরণ করেননি পাইলট। প্রায় তিন ঘণ্টা পর ঢাকায় ফিরে অবতরণের পর ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গত ৩১ ডিসেম্বরের এ ঘটনায় তদন্তের মুখে পড়েছেন ওই ফ্লাইটের পাইলট।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিমান সূত্র জানায়, বিমানের ফ্লাইট বিজি-২০১ সিলেট থেকে উড্ডয়নের পর পাকিস্তানের আকাশসীমায় লাহোরের কাছাকাছি পৌঁছালে এক যাত্রী হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পাইলট ‘মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি’ ঘোষণা করে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফেরত আনার সিদ্ধান্ত নেন। ঢাকায় অবতরণের পর ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
মেডিক্যাল ইমার্জেন্সির ক্ষেত্রে কাছাকাছি কোনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ করা নিয়ম। পাকিস্তানের আকাশসীমায় থাকাকালীন লাহোর বা নিকটবর্তী অন্য কোনো বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করলে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পাওয়া সম্ভব হতো। সেক্ষেত্রে রোগী বেঁচেও যেতে পারতেন। কিন্তু পাইলট তা না করে কেন তিন ঘণ্টা সময়ক্ষেপন করে ঢাকায় ফিরলেন, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
এর আগে ২০২৩ সালে লন্ডনগামী একই ফ্লাইটে অসুস্থ হয়ে এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকের মৃত্যু হয়। তখনও উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লেও জরুরি অবতরণ না করে উড়োজাহাজটি সরাসরি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল—এ নিয়ে তখনও সমালোচনা হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় বায়ুচাপের পরিবর্তন, কেবিন প্রেসার কমে যাওয়া, ঝাঁকুনি কিংবা মানসিক চাপ অনেক রোগীর জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে বয়স্ক বা দীর্ঘদিন অসুস্থ যাত্রীরা এসব ধকল সহ্য করতে পারেন না। তাই যাত্রার আগে স্বাস্থ্যগত তথ্য গোপন না করার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘অনেক বিদেশি এয়ারলাইন্স অসুস্থ বা অতিবৃদ্ধ যাত্রী পরিবহনে সতর্ক থাকে এবং ক্ষেত্রবিশেষে ‘ফিট টু ফ্লাই’ সনদ দাবি করে। কিন্তু বিমান নানা বাস্তবতায় যাত্রীকে না বলতে পারে না। কখনো কখনো গ্রাউন্ড স্টাফের সহায়তায় যাত্রীরা অসুস্থতার বিষয় গোপন করেই দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইটে উঠে পড়েন।’

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে সার্চ কমিটিতে বিভিন্ন পক্ষ থেকে ৩২২ জনের নাম এসেছে। সে তালিকা গতকাল সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সেই তালিকার বাইরেও ইসি গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে নাম সুপারিশ করতে পারবে সার্চ কমিটি।
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫০১ জনই কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক। অর্থাৎ গতকাল বুধবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থীর ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশই কোটিপতি। ৭ জন প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ শতকোটি টাকার বেশি।
৩ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি-সংক্রান্ত গবেষণার জন্য পৃথক ইনস্টিটিউশন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের আলাদা ইনস্টিটিউট হতে হবে। এটা মন্ত্রণালয়ের অধীনে হলে চলবে না। এটি একটি আলাদা শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হবে, যা পৃথিবীতে এ-সম্পর্কিত যত সংস্থা আছে, সবকটির সঙ্গে
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল আবেদনের ভিড় বাড়ছে। গতকাল বুধবার আপিল কার্যক্রমের তৃতীয় দিনে ইসির স্থাপিত বুথগুলোয় মোট ১৩১টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ১২৮ জন এবং রাজশাহী-৫, কিশোরগঞ্জ-৫ ও নোয়াখালী-৫ আসনের বৈধ প্রার্থীর বি
৯ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল আবেদনের ভিড় বাড়ছে। গতকাল বুধবার আপিল কার্যক্রমের তৃতীয় দিনে ইসির স্থাপিত বুথগুলোয় মোট ১৩১টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ১২৮ জন এবং রাজশাহী-৫, কিশোরগঞ্জ-৫ ও নোয়াখালী-৫ আসনের বৈধ প্রার্থীর বিরুদ্ধে তিনটি আবেদন জমা পড়েছে।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন চত্বরে স্থাপিত ১০টি অঞ্চলের বুথে সংক্ষুব্ধরা আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়ে আবেদন জমা দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ঢাকা অঞ্চলে ৩১ টি, কুমিল্লা অঞ্চলে ১৯ টি, ময়মনসিংহ অঞ্চলে ১৬ টি, খুলনা অঞ্চলে ১১ টি, রাজশাহী অঞ্চলে ১৫ টি, রংপুর অঞ্চলে ৯ টি, ফরিদপুর অঞ্চলে ৭ টি, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১০ টি, বরিশাল অঞ্চলে ৯টি ও সিলেট অঞ্চলে ৪ টি।
কমিশন সূত্র জানায়, প্রথম দিন প্রার্থিতা ফেরত পেতে ৪১ ও একজন বৈধ প্রার্থীর বিরুদ্ধে একটি এবং দ্বিতীয় দিন প্রার্থিতা ফেরত পেতে ১২২টি আবেদন জমা পড়েছিল। আপিলকারীদের বড় অংশই মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী।
ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধরা ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ইসিতে আপিল আবেদন করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল আবেদনের ভিড় বাড়ছে। গতকাল বুধবার আপিল কার্যক্রমের তৃতীয় দিনে ইসির স্থাপিত বুথগুলোয় মোট ১৩১টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ১২৮ জন এবং রাজশাহী-৫, কিশোরগঞ্জ-৫ ও নোয়াখালী-৫ আসনের বৈধ প্রার্থীর বিরুদ্ধে তিনটি আবেদন জমা পড়েছে।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন চত্বরে স্থাপিত ১০টি অঞ্চলের বুথে সংক্ষুব্ধরা আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়ে আবেদন জমা দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ঢাকা অঞ্চলে ৩১ টি, কুমিল্লা অঞ্চলে ১৯ টি, ময়মনসিংহ অঞ্চলে ১৬ টি, খুলনা অঞ্চলে ১১ টি, রাজশাহী অঞ্চলে ১৫ টি, রংপুর অঞ্চলে ৯ টি, ফরিদপুর অঞ্চলে ৭ টি, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১০ টি, বরিশাল অঞ্চলে ৯টি ও সিলেট অঞ্চলে ৪ টি।
কমিশন সূত্র জানায়, প্রথম দিন প্রার্থিতা ফেরত পেতে ৪১ ও একজন বৈধ প্রার্থীর বিরুদ্ধে একটি এবং দ্বিতীয় দিন প্রার্থিতা ফেরত পেতে ১২২টি আবেদন জমা পড়েছিল। আপিলকারীদের বড় অংশই মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী।
ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধরা ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ইসিতে আপিল আবেদন করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে সার্চ কমিটিতে বিভিন্ন পক্ষ থেকে ৩২২ জনের নাম এসেছে। সে তালিকা গতকাল সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সেই তালিকার বাইরেও ইসি গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে নাম সুপারিশ করতে পারবে সার্চ কমিটি।
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫০১ জনই কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক। অর্থাৎ গতকাল বুধবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থীর ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশই কোটিপতি। ৭ জন প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ শতকোটি টাকার বেশি।
৩ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি-সংক্রান্ত গবেষণার জন্য পৃথক ইনস্টিটিউশন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের আলাদা ইনস্টিটিউট হতে হবে। এটা মন্ত্রণালয়ের অধীনে হলে চলবে না। এটি একটি আলাদা শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হবে, যা পৃথিবীতে এ-সম্পর্কিত যত সংস্থা আছে, সবকটির সঙ্গে
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের আকাশসীমায় সিলেট থেকে লন্ডনগামী বিমানের ফ্লাইটে যাত্রী অসুস্থ হলেও সেখানে জরুরি অবতরণ করেননি পাইলট। প্রায় তিন ঘণ্টা পর ঢাকায় ফিরে অবতরণের পর ওই যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গত ৩১ ডিসেম্বরের এ ঘটনায় তদন্তের মুখে পড়েছেন ওই ফ্লাইটের পাইলট।
৮ ঘণ্টা আগে