Ajker Patrika

জনতা ব্যাংকের ১৩৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
জনতা ব্যাংকের ১৩৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ
কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে আজ রোববার বিকেলে সালমান এফ রহমানকে সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আনা হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

ঋণের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আজ রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তাঁকে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে একটি দল।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, গত ৮ জানুয়ারি ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ওই মামলায় আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আজ ছিল রিমান্ডের প্রথম দিন।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সালমান এফ রহমানের ভাই এ এস এফ রহমান। এ ছাড়া সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান এবং এ এস এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমানকেও ওই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

এ ছাড়া বেক্সিমকো গ্রুপের পরিচালক ইকবাল আহমেদ, এ বি সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ ইকরামুল্লাহ খান, শাহ মঞ্জুরুল হক রীম, এইচ শামসুদ্দোহা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওসমান কায়সার চৌধুরী মামলার আসামি।

জনতা ব্যাংকের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আব্দুছ ছালাম, তৎকালীন এমডি আব্দুল জব্বার, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক উপব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) শাজাহান, সাবেক এজিএম মো. হুমায়ুন কবীর ঢালী এবং সাবেক ম্যানেজার শ ম মাহাতাব হোসেনকেও আসামি করা হয়।

একই সঙ্গে কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান খান, পরিচালক সৈয়দ তানভীর এলাহী, ক্রিসেন্ট অ্যাকসেসরিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নাঈম মাহমুদ ও পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমানও মামলার আসামি।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডের অনুকূলে ইডিএফ সুবিধাসহ বিভিন্ন ঋণ অনুমোদন এবং বিতরণ করেন। পরে এলসির মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি দেখিয়ে ঋণপত্রের মূল্য পরিশোধে স্বীকৃতি (অ্যাকোমোডেশন বিল) তৈরি করে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করা হয়।

এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪৭৭(ক) ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২- এর (সংশোধিত ২০১৫) ৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

কারাগারে প্রথম ‘সেক্স রুম’ চালু করল ইতালি

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া অনন্য গাঙ্গুলীর মরদেহ উদ্ধার

ইরানে হামলা হতে পারে আজই, মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের সতর্ক করেছেন ট্রাম্প

বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ ৭৪ শতাংশ বাড়াল ভারত

‘সব খারিজ হবে, তুই খালি টাকা পাঠাবি’, ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ভাইরাল

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত