নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দলীয় নেতা-কর্মীদের সহিংসতায় না জড়াতে ও ঠান্ডা মাথায় চলার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ মঙ্গলবার তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সকল সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথ সভায় তিনি এ কথা জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দলমত-নির্বিশেষে দেশের অব্যাহত উন্নয়নযাত্রা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে, অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে দলের নেতা-কর্মীদের ঠান্ডা মাথায় চলতে হবে। কোথাও সহিংসতা বা সংঘাতে জড়ানো যাবে না। নেত্রী (শেখ হাসিনা) নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে যে বক্তব্য রেখেছেন, তাঁর বক্তব্য অক্ষরে-অক্ষরে পালন করতে হবে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা ও দেশ পরিচালনার চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করতে হবে।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘২০২৪ সালে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এই দেশে যাঁরা অশুভ রাজনীতি, অপরাজনীতির পথ অবলম্বন করেছেন, তাঁদের পক্ষে জনগণ থাকেনি। ভবিষ্যতেও বিশ্বাস করি জনগণ অপশক্তির সঙ্গে থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির তথাকথিত আন্দোলন বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিচ্ছি না। এগুলো নেতা-কর্মীদের চাঙা রাখার অপকৌশল। দেশের জনগণ বিপুল ভোট দিয়ে প্রমাণ করেছে। যারা বর্জনের ডাক দিয়েছে ভোটাররা তাদের বর্জন করেছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভবিষ্যতে কুচক্রীর বিরুদ্ধে আমাদের নজর আরও বাড়াতে হবে। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না কিন্তু বিএনপি করে। এটা তাদের জনবিচ্ছিন্নতার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে। কোনো ক্ষতি যেন করতে না পারে, সে জন্য আমরা সর্বদা সতর্ক। সবকিছু মোকাবিলা করেই আওয়ামী লীগ আজকের বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবিচল।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ, মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম প্রমুখ।

দলীয় নেতা-কর্মীদের সহিংসতায় না জড়াতে ও ঠান্ডা মাথায় চলার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ মঙ্গলবার তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সকল সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথ সভায় তিনি এ কথা জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দলমত-নির্বিশেষে দেশের অব্যাহত উন্নয়নযাত্রা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে, অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে দলের নেতা-কর্মীদের ঠান্ডা মাথায় চলতে হবে। কোথাও সহিংসতা বা সংঘাতে জড়ানো যাবে না। নেত্রী (শেখ হাসিনা) নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে যে বক্তব্য রেখেছেন, তাঁর বক্তব্য অক্ষরে-অক্ষরে পালন করতে হবে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা ও দেশ পরিচালনার চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করতে হবে।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘২০২৪ সালে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এই দেশে যাঁরা অশুভ রাজনীতি, অপরাজনীতির পথ অবলম্বন করেছেন, তাঁদের পক্ষে জনগণ থাকেনি। ভবিষ্যতেও বিশ্বাস করি জনগণ অপশক্তির সঙ্গে থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির তথাকথিত আন্দোলন বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিচ্ছি না। এগুলো নেতা-কর্মীদের চাঙা রাখার অপকৌশল। দেশের জনগণ বিপুল ভোট দিয়ে প্রমাণ করেছে। যারা বর্জনের ডাক দিয়েছে ভোটাররা তাদের বর্জন করেছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভবিষ্যতে কুচক্রীর বিরুদ্ধে আমাদের নজর আরও বাড়াতে হবে। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না কিন্তু বিএনপি করে। এটা তাদের জনবিচ্ছিন্নতার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে। কোনো ক্ষতি যেন করতে না পারে, সে জন্য আমরা সর্বদা সতর্ক। সবকিছু মোকাবিলা করেই আওয়ামী লীগ আজকের বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবিচল।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ, মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম প্রমুখ।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১১ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে