সুমন্ত গুপ্ত

সিলেট মানেই যেন নিসর্গের হাতছানি! কোথাও টিলার গায়ে চা-গাছের সবুজ চাদর, কোথাও পাথরের মাঝে পানির শীতল পরশ, কোথাওবা জল-বৃক্ষের মিতালি। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বের এই জনপদে নানা রূপে, নানা রঙে ধরা দিয়েছে প্রকৃতি। এমনই এক রূপের ডালি বিছানো রয়েছে সিলেটের জৈন্তাপুরের ডিবির হাওরে।
এ এক শাপলার রাজ্য। লতা-পাতা-গুল্মে ভরা বিলের পানিতে অসংখ্য লাল শাপলা হার মানিয়েছে সূর্যের আভাকেও। বিলের পানি প্রায় দেখাই যায় না। সবুজ পাতার আচ্ছাদনে ঢাকা পড়েছে স্রোতহীন বিস্তীর্ণ জলরাশি। বলে রাখা ভালো, স্নিগ্ধ শাপলা ফোটে স্রোতহীন শান্ত পানিতে। সে জন্যই হয়তো পুকুর বা হাওরে এদের দেখা মেলে, নদীতে নয়।
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত পাশাপাশি চারটি বিলে দেখা মিলবে চোখজুড়ানো শাপলার। বিলগুলোর নাম হচ্ছে ডিবি বিল, কেন্দ্রী বিল, হরফকাটা বিল ও ইয়াম বিল। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের কাছে এই বিল পরিচিতি পেয়েছে ‘ডিবি বিল’ নামে। বিল চারটির অবস্থান বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে।
সিলেট শহর থেকে ৪২ কিলোমিটারের যাত্রাপথ। শাপলা বিলের পুরো সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে সেখানে পৌঁছাতে হবে ভোরে। সূর্যের আলো ফোটার আগেই যেন শাপলার রূপ ফুটে বেরোয়। দূর থেকে দেখলে সবুজের মধ্যে অসংখ্য ক্ষুদ্র লাল ডট দেখে ঠাহর করা দুরূহ, জিনিসগুলো আসলে কী? দূরত্ব কমার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে উঠবে লাল শাপলার অস্তিত্ব। বিল দেখতে গিয়ে আমাদেরও তা-ই হলো। সেই ভোরবেলা চোখের সামনে অসংখ্য লাল শাপলা দেখে মনে হলো, পুব আকাশে সূর্যের লাল আভা হার মেনেছে! প্রকৃতির বুকে আঁকা এ যেন এক নকশিকাঁথা। বিলের যত ভেতরে যাচ্ছি, ততই বাড়ছে লালের আধিক্য।
এই বিলে যাঁরা থাকেন, তাঁদের জীবন-জীবিকা বেশ ভিন্ন। তাঁদের এই বিলের ওপর নির্ভর করে জীবন চলে। দেখলাম এক নারী শাপলা তুলছেন পানিতে নেমে। জানা গেল তাঁর নাম সুচিত্রা দেবী। অনুরোধ করায় রাজি হলেন ডিবির বিলের আশপাশ ঘুরে দেখাতে। আলাপের একপর্যায়ে তিনি জানালেন, এ বিলে ঠিক কবে থেকে শাপলা জন্মাতে শুরু করেছে, তা নিয়ে সঠিক কোনো তথ্য নেই। স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠরা জানান, জন্মের পর থেকেই তাঁরা শাপলা ফুটতে দেখছেন!
প্রায় ৭০০ একর জায়গায় বিস্তৃত বিল চারটি। সব বিল লালে লাল! প্রস্ফুটিত শাপলা দেখতে অনেকটা আলোকরশ্মি বিচ্ছুরিত নক্ষত্রের মতো। রাতের স্নিগ্ধতায় ফোটে শাপলা, দিনের আলোয় ধীরে ধীরে নেতিয়ে পড়ে। একটি শাপলার স্থায়িত্ব সাত দিন পর্যন্ত হয়।
ওপারে ভারতের মেঘালয়। সেখানে আকাশে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পাহাড়। সামনে ঠিক সমতলে বাংলাদেশের ডিবির হাওর। দেশি মাছের অভয়ারণ্য। এমনিতেই নেশা লাগা পরিবেশ! চোখ জুড়ায়, মনও জুড়ায়। উদ্ভিদবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে শাপলাকে পৃথিবীর আদিম দ্বিবীজপত্রী হিসেবে গণ্য করা হয়। এটি শুধুই যে সৌন্দর্যের প্রতীক, তা নয়; এর ঔষধি গুণ আছে।
একদিকে লাল শাপলার সমারোহ, অন্যদিকে মেঘালয়কন্যার অপরূপ রূপ! সুচিত্রা দেবী জানালেন, সীমান্তের ওপারে ভারতের মেঘালয়ের মুক্তাপুর থানা। আমরা এগিয়ে গেলাম বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কাছে। এপারের অধিবাসীরা বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির চাষ করেছেন। ওপারে ভারতের খাসিয়া অধিবাসীদের সুপারি ও কমলার বাগান। এত কাছে যে মনে হবে চলে যাই। কিন্তু আন্তর্জাতিক সীমান্ত সঠিক কাগজপত্র ছাড়া পার হওয়া অপরাধ। কী আর করা!
ডিবির হাওরে নৌকায় না ঘুরলে চলবে কেন? সেখানকার মাঝি শ্রীদাম বিশ্বাসের নৌকায় উঠলাম। কথিত আছে, জৈন্তিয়া রাজা বিজয় সিংহের সমাধিস্থল রয়েছে লাল শাপলার বিলে। মুক্তিযুদ্ধের ৪ নম্বর সাবসেক্টর মেঘালয়ের মুক্তাপুর। কেবল সৌন্দর্য নয়, সিলেটের জৈন্তাপুরের লাল শাপলার বিল প্রাগৈতিহাসিক ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দেয়। স্থানীয় লোকজনের মতে, জৈন্তা রাজ্যের রাজা রাম সিংহের মামা বিজয় সিংহকে এই হাওরে ষড়যন্ত্র করে ডুবিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। সেই স্মৃতিতেই নির্মিত ২০০ বছরের পুরোনো একটি মন্দিরও রয়েছে শাপলা বিলে।
সুচিত্রা দেবী নিয়ে গেলেন তাঁদের বস্তিতে। এখানকার সব নারী হাতের কাজ করেন। বাঁশের টুকরি, ডালা, কুলাসহ সব ধরনের বাঁশের কাজ। বিলবাসী মানুষের জীবনধারণ বিচিত্র। এই এলাকায় এখনো বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। কিছু বাড়িতে সোলার প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। খাওয়ার পানির ব্যবস্থা সুগভীর ইঁদারার ওপর নির্ভরশীল! এই এলাকার মানুষের বাড়িঘরের অবস্থা দেখলেই বোঝা যায় অর্থনৈতিক অবস্থা। কিন্তু আতিথেয়তা! তার কোনো তুলনা নেই।
যাবেন যেভাবে
সিলেট শহরের বন্দর বাজার পয়েন্ট থেকে জৈন্তাপুর বাজারের কিছু দূর পর দেখা যাবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ডিবির হাওর বিশেষ ক্যাম্প। সে পথ ধরে আরও কিছু দূর গেলে দেখা মিলবে বিলের। বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিংবা ব্যক্তিগত গাড়িতে যাওয়া যায় ডিবির হাওরে। সময় লাগবে ঘণ্টাখানেক।
কিছু তথ্য
সঙ্গে হালকা খাবার ও পানি নিয়ে যাবেন। রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে ছাতা নিতে পারেন। তবে চিপসের প্যাকেট বা পানির বোতল যেখানে-সেখানে ফেলে বিলের পরিবেশ নষ্ট করবেন না। ভারত সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দেখার চেষ্টা করবেন না।

সিলেট মানেই যেন নিসর্গের হাতছানি! কোথাও টিলার গায়ে চা-গাছের সবুজ চাদর, কোথাও পাথরের মাঝে পানির শীতল পরশ, কোথাওবা জল-বৃক্ষের মিতালি। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বের এই জনপদে নানা রূপে, নানা রঙে ধরা দিয়েছে প্রকৃতি। এমনই এক রূপের ডালি বিছানো রয়েছে সিলেটের জৈন্তাপুরের ডিবির হাওরে।
এ এক শাপলার রাজ্য। লতা-পাতা-গুল্মে ভরা বিলের পানিতে অসংখ্য লাল শাপলা হার মানিয়েছে সূর্যের আভাকেও। বিলের পানি প্রায় দেখাই যায় না। সবুজ পাতার আচ্ছাদনে ঢাকা পড়েছে স্রোতহীন বিস্তীর্ণ জলরাশি। বলে রাখা ভালো, স্নিগ্ধ শাপলা ফোটে স্রোতহীন শান্ত পানিতে। সে জন্যই হয়তো পুকুর বা হাওরে এদের দেখা মেলে, নদীতে নয়।
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত পাশাপাশি চারটি বিলে দেখা মিলবে চোখজুড়ানো শাপলার। বিলগুলোর নাম হচ্ছে ডিবি বিল, কেন্দ্রী বিল, হরফকাটা বিল ও ইয়াম বিল। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের কাছে এই বিল পরিচিতি পেয়েছে ‘ডিবি বিল’ নামে। বিল চারটির অবস্থান বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে।
সিলেট শহর থেকে ৪২ কিলোমিটারের যাত্রাপথ। শাপলা বিলের পুরো সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে সেখানে পৌঁছাতে হবে ভোরে। সূর্যের আলো ফোটার আগেই যেন শাপলার রূপ ফুটে বেরোয়। দূর থেকে দেখলে সবুজের মধ্যে অসংখ্য ক্ষুদ্র লাল ডট দেখে ঠাহর করা দুরূহ, জিনিসগুলো আসলে কী? দূরত্ব কমার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে উঠবে লাল শাপলার অস্তিত্ব। বিল দেখতে গিয়ে আমাদেরও তা-ই হলো। সেই ভোরবেলা চোখের সামনে অসংখ্য লাল শাপলা দেখে মনে হলো, পুব আকাশে সূর্যের লাল আভা হার মেনেছে! প্রকৃতির বুকে আঁকা এ যেন এক নকশিকাঁথা। বিলের যত ভেতরে যাচ্ছি, ততই বাড়ছে লালের আধিক্য।
এই বিলে যাঁরা থাকেন, তাঁদের জীবন-জীবিকা বেশ ভিন্ন। তাঁদের এই বিলের ওপর নির্ভর করে জীবন চলে। দেখলাম এক নারী শাপলা তুলছেন পানিতে নেমে। জানা গেল তাঁর নাম সুচিত্রা দেবী। অনুরোধ করায় রাজি হলেন ডিবির বিলের আশপাশ ঘুরে দেখাতে। আলাপের একপর্যায়ে তিনি জানালেন, এ বিলে ঠিক কবে থেকে শাপলা জন্মাতে শুরু করেছে, তা নিয়ে সঠিক কোনো তথ্য নেই। স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠরা জানান, জন্মের পর থেকেই তাঁরা শাপলা ফুটতে দেখছেন!
প্রায় ৭০০ একর জায়গায় বিস্তৃত বিল চারটি। সব বিল লালে লাল! প্রস্ফুটিত শাপলা দেখতে অনেকটা আলোকরশ্মি বিচ্ছুরিত নক্ষত্রের মতো। রাতের স্নিগ্ধতায় ফোটে শাপলা, দিনের আলোয় ধীরে ধীরে নেতিয়ে পড়ে। একটি শাপলার স্থায়িত্ব সাত দিন পর্যন্ত হয়।
ওপারে ভারতের মেঘালয়। সেখানে আকাশে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পাহাড়। সামনে ঠিক সমতলে বাংলাদেশের ডিবির হাওর। দেশি মাছের অভয়ারণ্য। এমনিতেই নেশা লাগা পরিবেশ! চোখ জুড়ায়, মনও জুড়ায়। উদ্ভিদবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে শাপলাকে পৃথিবীর আদিম দ্বিবীজপত্রী হিসেবে গণ্য করা হয়। এটি শুধুই যে সৌন্দর্যের প্রতীক, তা নয়; এর ঔষধি গুণ আছে।
একদিকে লাল শাপলার সমারোহ, অন্যদিকে মেঘালয়কন্যার অপরূপ রূপ! সুচিত্রা দেবী জানালেন, সীমান্তের ওপারে ভারতের মেঘালয়ের মুক্তাপুর থানা। আমরা এগিয়ে গেলাম বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কাছে। এপারের অধিবাসীরা বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির চাষ করেছেন। ওপারে ভারতের খাসিয়া অধিবাসীদের সুপারি ও কমলার বাগান। এত কাছে যে মনে হবে চলে যাই। কিন্তু আন্তর্জাতিক সীমান্ত সঠিক কাগজপত্র ছাড়া পার হওয়া অপরাধ। কী আর করা!
ডিবির হাওরে নৌকায় না ঘুরলে চলবে কেন? সেখানকার মাঝি শ্রীদাম বিশ্বাসের নৌকায় উঠলাম। কথিত আছে, জৈন্তিয়া রাজা বিজয় সিংহের সমাধিস্থল রয়েছে লাল শাপলার বিলে। মুক্তিযুদ্ধের ৪ নম্বর সাবসেক্টর মেঘালয়ের মুক্তাপুর। কেবল সৌন্দর্য নয়, সিলেটের জৈন্তাপুরের লাল শাপলার বিল প্রাগৈতিহাসিক ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে স্মরণ করিয়ে দেয়। স্থানীয় লোকজনের মতে, জৈন্তা রাজ্যের রাজা রাম সিংহের মামা বিজয় সিংহকে এই হাওরে ষড়যন্ত্র করে ডুবিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। সেই স্মৃতিতেই নির্মিত ২০০ বছরের পুরোনো একটি মন্দিরও রয়েছে শাপলা বিলে।
সুচিত্রা দেবী নিয়ে গেলেন তাঁদের বস্তিতে। এখানকার সব নারী হাতের কাজ করেন। বাঁশের টুকরি, ডালা, কুলাসহ সব ধরনের বাঁশের কাজ। বিলবাসী মানুষের জীবনধারণ বিচিত্র। এই এলাকায় এখনো বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। কিছু বাড়িতে সোলার প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। খাওয়ার পানির ব্যবস্থা সুগভীর ইঁদারার ওপর নির্ভরশীল! এই এলাকার মানুষের বাড়িঘরের অবস্থা দেখলেই বোঝা যায় অর্থনৈতিক অবস্থা। কিন্তু আতিথেয়তা! তার কোনো তুলনা নেই।
যাবেন যেভাবে
সিলেট শহরের বন্দর বাজার পয়েন্ট থেকে জৈন্তাপুর বাজারের কিছু দূর পর দেখা যাবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ডিবির হাওর বিশেষ ক্যাম্প। সে পথ ধরে আরও কিছু দূর গেলে দেখা মিলবে বিলের। বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিংবা ব্যক্তিগত গাড়িতে যাওয়া যায় ডিবির হাওরে। সময় লাগবে ঘণ্টাখানেক।
কিছু তথ্য
সঙ্গে হালকা খাবার ও পানি নিয়ে যাবেন। রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে ছাতা নিতে পারেন। তবে চিপসের প্যাকেট বা পানির বোতল যেখানে-সেখানে ফেলে বিলের পরিবেশ নষ্ট করবেন না। ভারত সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দেখার চেষ্টা করবেন না।

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৮ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৪ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৬ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
২০ ঘণ্টা আগে