
বসন্ত হাওয়া বইছে। ওদিকে আবার রোদের তাপে পুড়ছে ত্বক। দিন শেষে ত্বকে হালকা তামাটে ভাব চোখে পড়ছে, যাকে আমরা সানট্যান বলে জানি। সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্মির ছাপ আমাদের চোখে, মুখে, হাত-পায়ে পড়লে সহজে মুক্তি মেলে না। সামনে ঈদ। ত্বকের মলিন ভাব ঈদের আনন্দই না জানি মাটি করে দেয়—এ ভাবনায় অনেকে। এমন যাঁরা আছেন, এ লেখা তাঁদের জন্যই। ট্যান মোকাবিলায় আপনার শক্তি হয়ে উঠতে পারে ঘরে থাকা উপকরণ। রান্নাঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় উপাদান দিয়ে তৈরি করে ফেলতে পারেন বিভিন্ন ধরনের প্যাক। তা ব্যবহার করে পেতে পারেন ঝকঝকে ত্বক।
চিনি ও লেবুর মিশ্রণ
রান্নাঘরে খুব সহজে এই দুটি উপাদান পাওয়া যায়। লেবুতে প্রচুর ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক অ্যাসিড রয়েছে। এগুলো মিলিতভাবে ত্বকের ট্যান দূর করতে সাহায্য করে। চিনি হলো এক প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর, যা ট্যান দূর করে ত্বক মোলায়েম ও উজ্জ্বল করে তোলে। একটা পাত্রে প্রথমে ১ টেবিল চামচ চিনি ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস নিন। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে ১০ মিনিট স্ক্রাব করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
অ্যালোভেরা, হলুদ ও মধুর প্যাক
অ্যালোভেরায় অ্যালোসিন রয়েছে, যা ত্বক ঠান্ডা রাখে। হলুদের মধ্যে থাকা অ্যান্টিসেপটিক ত্বকের প্রদাহ রোধে সাহায্য করে। এর জন্য ৩ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল নিন। এর সঙ্গে ২ টেবিল চামচ মধু, ১ চা-চামচ হলুদগুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এই পেস্ট মুখে, হাতে বা গলায় ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিটের মতো অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এর ব্যবহার ট্যান দূর করতে ম্যাজিকের মতো কাজ করবে।

টমেটোর প্যাক
টমেটো অ্যান্টঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এটি গরমে ত্বক মসৃণ করে এবং ট্যান দূর করতে সহায়ক। একটা পাকা টমেটো নিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর ছেঁকে অবশিষ্ট পাল্প মুখ ও হাতে মেখে নিন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করলে দেখবেন ট্যান ত্বক থেকে খুব সহজে বিদায় নিচ্ছে।
মুলতানি মাটির প্যাক
মুলতানি মাটিকে প্রাকৃতিক স্ক্রাবার ও ক্লিনজার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ মাটির সঙ্গে টক দই ও গোলাপজল মিশিয়ে নিন। ত্বক শুষ্ক হলে মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। এবার সূর্যের আলোয় ত্বকে যে কালো দাগছোপ হয়েছে, তাতে লাগিয়ে নিন। এই প্রলেপ আধা ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। অতিরিক্ত সিবাম উপাদান বন্ধ করবে এই ফেসপ্যাক। এ কারণে ব্রণের সমস্যার জন্যও মুলতানি মাটি ব্যবহার করতে পারেন।
চন্দন ফেসপ্যাক
চন্দনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি ত্বক ঠান্ডা রাখে। রোদ থেকে এসে এর ব্যবহারে ত্বক শুধু উজ্জ্বল হয় না, আরামও পায়। এ ছাড়া এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণের কথা তো সবাই জানে। শুধু গোলাপজলের সঙ্গে চন্দনবাটা মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন এটি। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো অরগানিক চন্দন ব্যবহার করা। এ ছাড়া মিহি করে বাটা আমন্ডের সঙ্গে চন্দন বাটা ও দুধ মিশিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে গোসলের আগে পুরো শরীরে মাখুন। কিছুক্ষণ রেখে কুসুম গরম পানিতে গোসল করে নিন।
জাফরান
রোজা ও ঈদের বরাতে বাড়িতে জাফরান রয়েছে নিশ্চয়! ফেসপ্যাক তৈরিতে জাফরান ব্যবহার করতে পারেন। এটি দুধের সরের সঙ্গে মিশিয়ে সারা রাত রেখে সকালে উঠে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে নিন। সপ্তাহে দু-তিন বার করতে পারলে ত্বকে ট্যানের চিহ্ন থাকবে না।
সূত্র: স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য
মডেল: সিমি
ছবি: মঞ্জু আলম

আজ আপনার অফিসে সম্মান বাড়বে, কিন্তু সেটা যেন আবার আপনার অহংকারের বেলুন না হয়ে যায়। আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব দিয়ে মানুষের মন জয় করবেন ঠিকই, তবে সাবধান—বেশি মিষ্টি কথা বলে আবার কাউকে ধার দিয়ে বসবেন না! সম্পত্তি সংক্রান্ত জটিলতা মিটে যেতে পারে, কিন্তু আপনার পুরোনো কোনো ঝগড়া আবার রি-ইউনিয়ন করতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
আধুনিক জীবনধারায় অতিথি আপ্যায়নের সংজ্ঞা এখন বদলে গেছে। এখনকার অতিথিরা কেবল খাবারের স্বাদ নয়; বরং আপনার বাড়িতে এসে কতটা গুরুত্ব পেলেন বা কতটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করলেন, সেটিকে বেশি প্রাধান্য দেন। বর্তমানে নিখুঁত আয়োজনের চেয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনাই আতিথেয়তার আসল চাবিকাঠি। তাই এবারের ঈদে অতিথিকে মনে রাখার মতো...
৪ ঘণ্টা আগে
ইটিং ডিজঅর্ডার শুধু খাদ্যের সমস্যা নয়; এটি একটি জটিল মানসিক অবস্থা, যা প্রাণঘাতী হতে পারে। খাদ্যাভ্যাস বা ডায়েট করা আধুনিক জীবনের অংশ হলেও কখন এটি মানসিক ও শারীরিক রোগে রূপ নেয়, তা বোঝা জরুরি। এর লক্ষণগুলো একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে।
১ দিন আগে
ঈদের প্রস্তুতিতে কেনাকাটা করা হবে, এটা স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু তা আর বিপণিবিতানে সীমাবদ্ধ নেই; ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইনেও। নাগরিক জীবনে সময়ের অভাবে অনলাইনে কেনাকাটা এখন অনেকের জন্য জরুরি। তবে সমস্যা হলো, অনলাইনে কেনাকাটা এখন আর শুধু প্রয়োজনেই সীমাবদ্ধ নেই, এটি এখন অনেকের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ দিন আগে