ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

বিমানে প্রথম ভ্রমণ মানেই একধরনের উত্তেজনা। নতুন যাত্রায় অনেক কিছু ভেবে নিতে হয়; বিশেষ করে ব্যাগের বিষয়টি। কখনো ছোট কোনো নিয়ম না জানা থাকলে ফ্লাইটে চেক পয়েন্টে গিয়ে সমস্যা হতে পারে। তাই যাত্রীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আগে থেকে সতর্ক হওয়া জরুরি।
চেক‑ইন: যাত্রা শুরু হওয়ার আগে
আপনি যদি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ভ্রমণ করেন, মনে রাখবেন, চেক‑ইন কাউন্টারে ফ্লাইটের ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। যাত্রীদের সুবিধার জন্য আজকাল অনেক এয়ারলাইনস অনলাইনে চেক‑ইন সুবিধা দিয়ে থাকে। অনলাইনে চেক‑ইন করলে বিমানবন্দরে আপনার সময় অনেকটা বেঁচে যাবে। কিন্তু এয়ারপোর্টে চেক‑ইন করতে হলে সব প্রস্তুতি ঠিকঠাক রাখলে ঝামেলা এড়ানো সম্ভব।
চেকড ব্যাগে যা নিতে পারবেন: চেকড ব্যাগেজে সাধারণত ২০×১৫×১০ থেকে ২৭×১১×১৪ ইঞ্চি পর্যন্ত ব্যাগ নেওয়া যায়। একজন যাত্রী সাধারণত এক বা দুটি চেকড ব্যাগ বিনা মূল্যে নিতে পারেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় মনে রাখুন। চেকড ব্যাগে গয়না, টাকা, মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী রাখবেন না। কারণ, বিমান সংস্থা এই ধরনের মূল্যবান জিনিসের জন্য দায়বদ্ধ নয়। এ ছাড়া লিথিয়াম ব্যাটারি যুক্ত যন্ত্র, যেমন পাওয়ার ব্যাংক, চেকড ব্যাগে নেওয়া যায় না। আগুনসংক্রান্ত বা চাপযুক্ত তরল; যেমন স্প্রে পারফিউম, সেভিং ফোম, অ্যালকোহল ইত্যাদির ক্ষেত্রে ৫০০ মিলিলিটারের সীমা আছে।
হ্যান্ড ব্যাগেজ: ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ
হ্যান্ড ব্যাগেজ বা কেবিন ব্যাগেজের নিয়মটি অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রায় একই। সাধারণত একজন আন্তর্জাতিক যাত্রী একটি হ্যান্ডব্যাগ সঙ্গে নিতে পারেন, যার সর্বোচ্চ ওজন ৭ কেজি। মনে রাখবেন, যদি আপনার ব্যাগের সঙ্গে ল্যাপটপ থাকে বা ডিউটি ফ্রি শপ থেকে কিছু কেনাকাটা করেন, তবু মোট ওজনের সীমা ৭ কেজির বেশি হতে পারবে না। ব্যাগের আকারও গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ব্যাগ ২০×১৫×১০ ইঞ্চির বেশি হলে বিমানকর্মীরা এটিকে কেবিনে নেওয়ার অনুমতি না দিয়ে চেকড ব্যাগে দিতে বলবেন।

হ্যান্ড ব্যাগে যা নিতে পারবেন: স্বর্ণালংকার, টাকা, মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ, জরুরি কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় ওষুধ। তবে ছুরি, কাঁচি, ম্যাচ, লাইটার, ১০০ মিলিলিটারের বেশি তরল এবং যেসব জিনিস যাত্রী বা ক্রুর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, তা নেওয়া যাবে না।
তরল ও জেলজাতীয় জিনিস; যেমন শ্যাম্পু, লোশন, পারফিউম, ক্রিম, স্প্রে, নেইলপলিশ—প্রতিটি আইটেম ১০০ মিলিলিটার সীমার মধ্যে থাকতে হবে। এগুলো সব সময় স্বচ্ছ সিলযোগ্য ব্যাগে রাখা উচিত, যাতে চেক পয়েন্টে দ্রুত বের করা যায়।
নিষিদ্ধ আইটেম নিয়ে যদি বিমানবন্দরে পৌঁছান
যদি আপনার হ্যান্ড ব্যাগে নিষিদ্ধ কোনো জিনিস থাকে এবং আপনি তা নিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছান, তখন কী হয়, সে বিষয়ও জানা জরুরি। না জানলে ঝামেলা হতে পারে। চেক‑ইন কাউন্টারে আপনার ব্যাগে কেবিনে নেওয়া না যাওয়ার মতো কোনো জিনিস থাকলে সাধারণত দুটি বিকল্প দেওয়া হয়—
চেকড ব্যাগে দেওয়া: অনেক ক্ষেত্রে, যদি জিনিসটি চেকড ব্যাগে নেওয়া অনুমোদিত হয়, তখন বিমানকর্মীরা সেটি আপনার চেকড ব্যাগে রাখার ব্যবস্থা করবেন।
সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: যদি আপনার ব্যাগে থাকা জিনিসগুলো ফ্লাইটে পরিবহন নিষিদ্ধ জিনিসের তালিকায় থাকে, তবে চেক‑ইন হওয়ার আগে বিমান সংস্থা সেটি জব্দ করবে।
যাত্রীদের ভালো উপায় হলো, আগে থেকে সব বিধিনিষেধ জানা এবং হ্যান্ড ব্যাগে কেবল অনুমোদিত জিনিস নেওয়া।
বোর্ডিং, ফ্লাইট ও গন্তব্য
ফ্লাইটের বোর্ডিং শুরু হলে গেট এজেন্ট যাত্রীদের ডাকবেন। উড্ডয়নের আগে আপনাকে নির্ধারিত আসনে বসতে হবে। ফ্লাইটের সময় আপনি বিশ্রাম নিতে, ঘুমাতে বা সিনেমা দেখতে পারবেন। ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন, তবে এয়ারপ্লেন মোডে রাখতে হবে। গন্তব্যে পৌঁছানোর পর চেকড ব্যাগ সংগ্রহ করে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় নিয়ম মেনে চললে যাত্রা হবে নির্বিঘ্ন ও আরামদায়ক।
হ্যান্ড ব্যাগে শুধু প্রয়োজনীয় জিনিস রাখুন। চেকড ব্যাগে নিরাপদভাবে আপনার বড় ও ভারী সামগ্রী রাখুন এবং সময়মতো চেক‑ইন করুন। তাহলে বিমান ভ্রমণ অনেক সহজ ও নিরাপদ হয়। ছোট কিছু নিয়ম মানলে ফ্লাইটের আনন্দ, নিরাপত্তা ও আরাম নিশ্চিত করা সম্ভব।
সূত্র: স্কাই স্ক্যানার ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট

বিমানে প্রথম ভ্রমণ মানেই একধরনের উত্তেজনা। নতুন যাত্রায় অনেক কিছু ভেবে নিতে হয়; বিশেষ করে ব্যাগের বিষয়টি। কখনো ছোট কোনো নিয়ম না জানা থাকলে ফ্লাইটে চেক পয়েন্টে গিয়ে সমস্যা হতে পারে। তাই যাত্রীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আগে থেকে সতর্ক হওয়া জরুরি।
চেক‑ইন: যাত্রা শুরু হওয়ার আগে
আপনি যদি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ভ্রমণ করেন, মনে রাখবেন, চেক‑ইন কাউন্টারে ফ্লাইটের ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। যাত্রীদের সুবিধার জন্য আজকাল অনেক এয়ারলাইনস অনলাইনে চেক‑ইন সুবিধা দিয়ে থাকে। অনলাইনে চেক‑ইন করলে বিমানবন্দরে আপনার সময় অনেকটা বেঁচে যাবে। কিন্তু এয়ারপোর্টে চেক‑ইন করতে হলে সব প্রস্তুতি ঠিকঠাক রাখলে ঝামেলা এড়ানো সম্ভব।
চেকড ব্যাগে যা নিতে পারবেন: চেকড ব্যাগেজে সাধারণত ২০×১৫×১০ থেকে ২৭×১১×১৪ ইঞ্চি পর্যন্ত ব্যাগ নেওয়া যায়। একজন যাত্রী সাধারণত এক বা দুটি চেকড ব্যাগ বিনা মূল্যে নিতে পারেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় মনে রাখুন। চেকড ব্যাগে গয়না, টাকা, মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী রাখবেন না। কারণ, বিমান সংস্থা এই ধরনের মূল্যবান জিনিসের জন্য দায়বদ্ধ নয়। এ ছাড়া লিথিয়াম ব্যাটারি যুক্ত যন্ত্র, যেমন পাওয়ার ব্যাংক, চেকড ব্যাগে নেওয়া যায় না। আগুনসংক্রান্ত বা চাপযুক্ত তরল; যেমন স্প্রে পারফিউম, সেভিং ফোম, অ্যালকোহল ইত্যাদির ক্ষেত্রে ৫০০ মিলিলিটারের সীমা আছে।
হ্যান্ড ব্যাগেজ: ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ
হ্যান্ড ব্যাগেজ বা কেবিন ব্যাগেজের নিয়মটি অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রায় একই। সাধারণত একজন আন্তর্জাতিক যাত্রী একটি হ্যান্ডব্যাগ সঙ্গে নিতে পারেন, যার সর্বোচ্চ ওজন ৭ কেজি। মনে রাখবেন, যদি আপনার ব্যাগের সঙ্গে ল্যাপটপ থাকে বা ডিউটি ফ্রি শপ থেকে কিছু কেনাকাটা করেন, তবু মোট ওজনের সীমা ৭ কেজির বেশি হতে পারবে না। ব্যাগের আকারও গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ব্যাগ ২০×১৫×১০ ইঞ্চির বেশি হলে বিমানকর্মীরা এটিকে কেবিনে নেওয়ার অনুমতি না দিয়ে চেকড ব্যাগে দিতে বলবেন।

হ্যান্ড ব্যাগে যা নিতে পারবেন: স্বর্ণালংকার, টাকা, মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ, জরুরি কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় ওষুধ। তবে ছুরি, কাঁচি, ম্যাচ, লাইটার, ১০০ মিলিলিটারের বেশি তরল এবং যেসব জিনিস যাত্রী বা ক্রুর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, তা নেওয়া যাবে না।
তরল ও জেলজাতীয় জিনিস; যেমন শ্যাম্পু, লোশন, পারফিউম, ক্রিম, স্প্রে, নেইলপলিশ—প্রতিটি আইটেম ১০০ মিলিলিটার সীমার মধ্যে থাকতে হবে। এগুলো সব সময় স্বচ্ছ সিলযোগ্য ব্যাগে রাখা উচিত, যাতে চেক পয়েন্টে দ্রুত বের করা যায়।
নিষিদ্ধ আইটেম নিয়ে যদি বিমানবন্দরে পৌঁছান
যদি আপনার হ্যান্ড ব্যাগে নিষিদ্ধ কোনো জিনিস থাকে এবং আপনি তা নিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছান, তখন কী হয়, সে বিষয়ও জানা জরুরি। না জানলে ঝামেলা হতে পারে। চেক‑ইন কাউন্টারে আপনার ব্যাগে কেবিনে নেওয়া না যাওয়ার মতো কোনো জিনিস থাকলে সাধারণত দুটি বিকল্প দেওয়া হয়—
চেকড ব্যাগে দেওয়া: অনেক ক্ষেত্রে, যদি জিনিসটি চেকড ব্যাগে নেওয়া অনুমোদিত হয়, তখন বিমানকর্মীরা সেটি আপনার চেকড ব্যাগে রাখার ব্যবস্থা করবেন।
সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: যদি আপনার ব্যাগে থাকা জিনিসগুলো ফ্লাইটে পরিবহন নিষিদ্ধ জিনিসের তালিকায় থাকে, তবে চেক‑ইন হওয়ার আগে বিমান সংস্থা সেটি জব্দ করবে।
যাত্রীদের ভালো উপায় হলো, আগে থেকে সব বিধিনিষেধ জানা এবং হ্যান্ড ব্যাগে কেবল অনুমোদিত জিনিস নেওয়া।
বোর্ডিং, ফ্লাইট ও গন্তব্য
ফ্লাইটের বোর্ডিং শুরু হলে গেট এজেন্ট যাত্রীদের ডাকবেন। উড্ডয়নের আগে আপনাকে নির্ধারিত আসনে বসতে হবে। ফ্লাইটের সময় আপনি বিশ্রাম নিতে, ঘুমাতে বা সিনেমা দেখতে পারবেন। ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন, তবে এয়ারপ্লেন মোডে রাখতে হবে। গন্তব্যে পৌঁছানোর পর চেকড ব্যাগ সংগ্রহ করে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় নিয়ম মেনে চললে যাত্রা হবে নির্বিঘ্ন ও আরামদায়ক।
হ্যান্ড ব্যাগে শুধু প্রয়োজনীয় জিনিস রাখুন। চেকড ব্যাগে নিরাপদভাবে আপনার বড় ও ভারী সামগ্রী রাখুন এবং সময়মতো চেক‑ইন করুন। তাহলে বিমান ভ্রমণ অনেক সহজ ও নিরাপদ হয়। ছোট কিছু নিয়ম মানলে ফ্লাইটের আনন্দ, নিরাপত্তা ও আরাম নিশ্চিত করা সম্ভব।
সূত্র: স্কাই স্ক্যানার ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৫ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৭ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
২১ ঘণ্টা আগে