স্মার্টফোন বা মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করলে হোয়াটসঅ্যাপের সব মেসেজ গায়েব হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই ভয়ে অনেকে ঠেকায় পড়লেও নম্বর পরিবর্তন করেন না। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট অক্ষত রেখেই নম্বর পরিবর্তনের কৌশল আছে। এটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস উভয় ডিভাইসেই করা যায়। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে সহজেই এই কাজটি করা যায়।
তবে এই কৌশলটি কাজ করার জন্য নতুন নম্বরটি অবশ্যই চালু থাকতে হবে। কারণ সক্রিয় করার সময় ওই নম্বরে ওটিপি যাবে। সেটি না দিলে নতুন নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ সক্রিয় হবে না।
১. হোয়াটঅ্যাপ অ্যাপে সেটিংস-এ যান
২. ‘অ্যাকাউন্ড’ অপশনটি খুলুন এবং এরপর ‘চেঞ্জ নাম্বার’ অপশনটি সিলেক্ট করুন। এরপর নেক্সট-এ ক্লিক করুন।
৩. নেক্সট বাটনে ক্লিক করার পর আপনার বর্তমান ও নতুন মোবাইল নম্বর দিতে হবে। নতুন বলতে পরিবর্তন করে যে নম্বরটি আপনি দিতে চান।
৪. কনফারমেশনের জন্য স্ক্রিনে নতুন একটি মেসেজ দেখাবে।
৫. এখানে বেশ কয়েকটি অপশন থাকবে- অল কনট্যাক্টস, কনট্যাক্টস আই হ্যাভ এবং কাস্টম। এই অপশনগুলো সিলেক্ট করতে হবে।
৬. নোটিফিকেশনে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গে আপনার কনট্যাক্ট ইনফরমেশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ হয়ে যাবে।
৭. এবার ‘ডান’-এ ক্লিক করুন।
উপরের ধাপগুলো ঠিকঠাক সম্পন্ন হলে অ্যাপটি রিস্টার্ট করতে হবে এবং ওটিপি চাইবে। নতুন নম্বরে যাবে ওটিপি। ওটিপি দিলেই নতুন নম্বরেও আগের নম্বরে থাকা চ্যাট হিস্টোরি অক্ষত থাকবে।

কয়েক বছর ধরে সৌন্দর্যবিশ্বে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল কোরিয়ান গ্লাস স্কিন। কোরিয়ান ধারা মেনে তাই রূপসচেতনেরা এমনভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়া ও মেকআপ করা শুরু করলেন, যাতে ত্বক কোরিয়ানদের মতোই স্বচ্ছ ও চকচকে হয়ে ওঠে। তবে বিউটি ট্রেন্ডে সম্প্রতি লেগেছে নতুন হাওয়া।
৭ ঘণ্টা আগে
ডিজনিল্যান্ড এমন একটি পার্ক, যা সরাসরি নিয়ে যায় শৈশবের রঙিন স্মৃতির ভিড়ে। ডিজনির গল্পগুলোতে ছিল রাজা রানি, কথা বলতে পারা পশু, পাখি, গাছ। একেবারে রঙিন আর আকাঙ্ক্ষিত একটি জীবন। যেখানে কষ্টের পরের সুখটা সবাই উপভোগ করতে পারত। গল্প পড়া শেষ হতো একটা লাইন দিয়ে—অবশেষে তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে লাগল।
১১ ঘণ্টা আগে
পাহাড়ের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য দেখার সুবর্ণ সময় বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তকাল। সেই পাহাড় যদি হয় তিন পার্বত্য জেলায়, তাহলে তো কথাই নেই। এই সময়গুলোতে পাহাড় তার রূপের ডালি মেলে ধরে। চারপাশে সবুজ আর সবুজ। এবার আমাদের অভিযান ছিল রাঙামাটি জেলার গহিনে সৌন্দর্যের আধার রাইক্ষং ঝরনা। দলে ছিলাম ছয়জন।
১৪ ঘণ্টা আগে
ভোর চারটায় অ্যালার্ম। কানের তালা ফাটানো সেই শব্দে ঘুম ভাঙল আপনার। তাড়াহুড়ো করে তৈরি হয়ে দৌড়াতে হলো পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যোদয় দেখতে। এরপর লম্বা সারিতে দাঁড়িয়ে বিখ্যাত সেই ল্যান্ডমার্কের সামনে একটা ছবি তোলা। সবই দেখতে ঠিক হুবহু ইন্টারনেটে দেখা বাকি হাজারটা ছবির মতোই।
১৫ ঘণ্টা আগে