আজকের পত্রিকা ডেস্ক

নামের বিভ্রাট যে কতটা বিড়ম্বনার কারণ হতে পারে, তার এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের দেউলিয়াত্ব বিষয়ক আইনজীবী মার্ক এস. জাকারবার্গ। তিনি ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এই মামলার মূল কারণ হলো, ফেসবুক বারবার তাঁর অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে দিচ্ছে এবং তাঁকে ‘একজন বিখ্যাত ব্যক্তির ছদ্মবেশ ধারণের’ অভিযোগে অভিযুক্ত করছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনা তাঁর পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।
তবে তিনি কোনো সাধারণ ব্যবহারকারী নন, তিনি এমন একজন যার নামের সঙ্গে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গের নামের আশ্চর্যরকম মিল রয়েছে।
বিবিসি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত আট বছরে এই প্রবীণ আইনজীবী তাঁর অ্যাকাউন্টটি পাঁচবার স্থগিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন। এর ফলে তাঁর হাজার হাজার ডলার ক্ষতি হয়েছে। মামলার নথিতে তিনি সগর্বে উল্লেখ করেছেন, তিনি প্রায় চার দশক ধরে আইন পেশায় নিয়োজিত, বলতে গেলে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গের শৈশবকাল থেকে। এই দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও, তাঁকে কেবল নামের মিলের কারণে এমন হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডব্লিউটিএইচআর-এর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে আইনজীবী জাকারবার্গ দুজনের নামের মধ্যেকার সুস্পষ্ট পার্থক্যটি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমি মার্ক স্টিভেন। আর উনি (ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা) হলেন মার্ক এলিয়ট।’ এরপর তাঁর কণ্ঠে হতাশা ও ক্রোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, ‘এটা কোনো হাস্যকর বিষয় নয়। বিশেষ করে যখন তারা আমার কাছ থেকে আমার টাকা কেড়ে নেয়। এই ঘটনা আমাকে সত্যিই ক্ষুব্ধ করেছে।’
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতার প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত মনোভাব ব্যক্ত করতে গিয়ে আইনজীবী জাকারবার্গ একটি ভিন্ন ধরনের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, গ্রহের অন্যতম ধনী ব্যক্তি যদি বিমানে করে এসে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়ে যান, অথবা তাঁকে তাঁর বিলাসবহুল ইয়টে এক সপ্তাহ কাটানোর সুযোগ দেন, তবেই তিনি এই ক্ষতিপূরণ মেনে নিতে প্রস্তুত!
আইনজীবীর এই অভিযোগের জবাবে ফেসবুকের মূল সংস্থা মেটা জানিয়েছে, তারা অ্যাকাউন্টটি পুনরায় চালু করেছে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের ভুল যাতে আর না হয়, সে জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মেটা বলেছে, ‘আমরা জনাব জাকারবার্গের এই বিষয়ে দীর্ঘ ধৈর্যের প্রশংসা করি এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কাজ করছি।’
এই আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই, মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আতিথ্যে আয়োজিত প্রযুক্তি টাইটানদের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ট্রাম্প প্রশাসন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে গবেষণা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগের বিষয়ে প্রশংসা করেন। সেখানে উপস্থিত উচ্চ আইকিউ সম্পন্ন ব্যক্তিদের দ্বারা বেষ্টিত ট্রাম্প বলেন, ‘এআই আমাদের দেশকে একটি নতুন স্তরে নিয়ে যাচ্ছে।’

নামের বিভ্রাট যে কতটা বিড়ম্বনার কারণ হতে পারে, তার এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের দেউলিয়াত্ব বিষয়ক আইনজীবী মার্ক এস. জাকারবার্গ। তিনি ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এই মামলার মূল কারণ হলো, ফেসবুক বারবার তাঁর অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে দিচ্ছে এবং তাঁকে ‘একজন বিখ্যাত ব্যক্তির ছদ্মবেশ ধারণের’ অভিযোগে অভিযুক্ত করছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনা তাঁর পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।
তবে তিনি কোনো সাধারণ ব্যবহারকারী নন, তিনি এমন একজন যার নামের সঙ্গে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গের নামের আশ্চর্যরকম মিল রয়েছে।
বিবিসি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত আট বছরে এই প্রবীণ আইনজীবী তাঁর অ্যাকাউন্টটি পাঁচবার স্থগিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন। এর ফলে তাঁর হাজার হাজার ডলার ক্ষতি হয়েছে। মামলার নথিতে তিনি সগর্বে উল্লেখ করেছেন, তিনি প্রায় চার দশক ধরে আইন পেশায় নিয়োজিত, বলতে গেলে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গের শৈশবকাল থেকে। এই দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও, তাঁকে কেবল নামের মিলের কারণে এমন হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডব্লিউটিএইচআর-এর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে আইনজীবী জাকারবার্গ দুজনের নামের মধ্যেকার সুস্পষ্ট পার্থক্যটি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমি মার্ক স্টিভেন। আর উনি (ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা) হলেন মার্ক এলিয়ট।’ এরপর তাঁর কণ্ঠে হতাশা ও ক্রোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, ‘এটা কোনো হাস্যকর বিষয় নয়। বিশেষ করে যখন তারা আমার কাছ থেকে আমার টাকা কেড়ে নেয়। এই ঘটনা আমাকে সত্যিই ক্ষুব্ধ করেছে।’
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতার প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত মনোভাব ব্যক্ত করতে গিয়ে আইনজীবী জাকারবার্গ একটি ভিন্ন ধরনের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, গ্রহের অন্যতম ধনী ব্যক্তি যদি বিমানে করে এসে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়ে যান, অথবা তাঁকে তাঁর বিলাসবহুল ইয়টে এক সপ্তাহ কাটানোর সুযোগ দেন, তবেই তিনি এই ক্ষতিপূরণ মেনে নিতে প্রস্তুত!
আইনজীবীর এই অভিযোগের জবাবে ফেসবুকের মূল সংস্থা মেটা জানিয়েছে, তারা অ্যাকাউন্টটি পুনরায় চালু করেছে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের ভুল যাতে আর না হয়, সে জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মেটা বলেছে, ‘আমরা জনাব জাকারবার্গের এই বিষয়ে দীর্ঘ ধৈর্যের প্রশংসা করি এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কাজ করছি।’
এই আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই, মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আতিথ্যে আয়োজিত প্রযুক্তি টাইটানদের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ট্রাম্প প্রশাসন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে গবেষণা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগের বিষয়ে প্রশংসা করেন। সেখানে উপস্থিত উচ্চ আইকিউ সম্পন্ন ব্যক্তিদের দ্বারা বেষ্টিত ট্রাম্প বলেন, ‘এআই আমাদের দেশকে একটি নতুন স্তরে নিয়ে যাচ্ছে।’

কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের রূপ দেখে মুগ্ধ হলেন দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের ২১ ব্যাচের সি সেকশনের নেপালি শিক্ষার্থীরা। অনুষদ আয়োজিত এই দেশ ভ্রমণের সুযোগ পেয়ে তাঁরা অনেক খুশি। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর!
৫ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার জেদ বুর্জ খলিফার চেয়েও উঁচুতে থাকবে। পুরোনো কোনো চাচা বা খালু হুট করে এসে হাজির হতে পারেন। সাবধান, আজকের দিনে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে লোন বা টাকা নিয়ে কথা বলতে যাবেন না, ইজ্জত এবং মানিব্যাগ দুটোই পাংচার হতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
ভিয়েতনামের সংস্কৃতির প্রধান ভিত্তি তেত কিংবা চান্দ্র নববর্ষ। এটি শুধু একটি ক্যালেন্ডার পরিবর্তন নয়, বরং ভিয়েতনামের মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য এবং পারিবারিক পুনর্মিলনের এক মহোৎসব। ভিয়েতনামের প্রতিটি প্রান্তে এ সময়ে এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।
৫ ঘণ্টা আগে