
যদি আপনি খুশকিনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করে ক্লান্ত হয়ে পড়েন, আর তা যদি কাজ না করে, তাহলে এখনই সময় চুলের যত্নের পদ্ধতি বদলে ফেলার। খুশকির আক্রমণ থেকে বাঁচতে নিমপাতা ব্যবহার শুরু করতে পারেন। এটি প্রাকৃতিকভাবে খুশকি দূর করে। নিমের অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা খুশকি ও মাথার ত্বকের চুলকানি কমাতে সহায়তা করে। শুধু তা-ই নয়, সোরিয়াসিস এবং ডার্মাটাইটিস নামক আরও দুটি ত্বকের রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে নিমপাতা। আপনি যদি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মাথার ত্বক ও চুল সুস্থ চান, তাহলে বাজারের অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পুর পরিবর্তে তাজা নিমপাতাবাটা ব্যবহারের চেষ্টা করুন।
নিম স্বাভাবিকভাবে খুশকি তাড়াতে কার্যকর। খুশকি তাড়াতে আপনাকে আরও খেয়াল রাখতে হবে, মাথার ত্বক যেন অবশ্যই সব সময় পরিষ্কার থাকে। পাশাপাশি নিজের চিরুনি ও তোয়ালে আলাদা রাখার মতো স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলা জরুরি। শোভন সাহা, কসমেটোলজিস্ট, শোভন মেকওভার
খুশকির জন্য নিমপাতা যেভাবে ব্যবহার করবেন

গোলাপজল ও নিমপাতা
কিছু তাজা নিমপাতা পেস্ট করে তাতে কয়েক ফোঁটা গোলাপজল বা রোজমেরি তেল যোগ করুন। এরপর এই মিশ্রণ মাথার ত্বকে ঘষুন। ৩০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্যবহারে খুশকি এবং মাথার ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়।
অ্যালোভেরা সহযোগে
নিমপাতাগুঁড়া বা নিমপাতা পেস্ট ও ঠান্ডা দই এক টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এই প্যাক চুলকে হাইড্রেট ও ময়শ্চারাইজ করে। পাশাপাশি খুশকির বিরুদ্ধে লড়াই করে।
নিমের তেল
চুলের যত্নের রুটিনে নিম তেল যোগ করুন। এই তেলের গভীর হাইড্রেটিং বৈশিষ্ট্য শুষ্ক চুলের মসৃণতা ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করে। খুশকি এবং মাথার শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করতে একটি সস প্যানে তিন টেবিল চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে কয়েকটি শুকনো নিমপাতা মিশিয়ে নিন। অল্প আঁচে ১ মিনিট গরম করুন। তারপর অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে নিন। এরপর মিশ্রণটি একটি কাপড় দিয়ে ছেঁকে নিয়ে তেল আলাদা করে আধা ঘণ্টা রেখে দিন। ঠান্ডা হলে সেই তেল বোতলে পুরে রাখুন। এই তেল মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করে ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করলে চুল খুশকিমুক্ত ও ঝলমল করবে।
নিমের তেল ও তুলসীর জাদু
নিজের হাতে তৈরি নিমের তেলের কয়েক ফোঁটা, কিছু তাজা তুলসীপাতা এবং এক চা-চামচ ভৃঙ্গরাজ, শিকাকাই এবং মেথি গুঁড়া দিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এ জন্য একটি পাত্রে সব উপাদান একসঙ্গে মেশান। এই পুষ্টিকর মিশ্রণ আপনার মাথার ত্বকে মাখুন। আধা ঘণ্টার মধ্যে পুরো মিশ্রণটি চুল শুষে নেবে। এরপর শ্যাম্পু করে নিন। দুই বা তিন সপ্তাহের মধ্যে পার্থক্য নিজেই দেখতে পারবেন।
চটজলদি সমাধান পেতে
খুশকি থেকে দ্রুত চুল বাঁচাতে মেথিবাটা, টক দই ও লেবুর রসের সঙ্গে নিমপাতাবাটা মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য মেথি পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ৩ ঘণ্টা। এর সঙ্গে নিমপাতা মিশিয়ে একটু পানি দিয়ে ব্লেন্ড করুন। এই পেস্টের মধ্যে টক দই ও লেবুর রস মেশান। চুলে তেল দিয়ে তাতে এই পেস্ট লাগিয়ে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এরপর চুল শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে ২ বার এই পেস্ট ব্যবহার করুন ভালো ফল পাওয়ার জন্য।
অন্যান্য উপায়েও ব্যবহার করা যায়
একটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে তাতে নিমপাতা ভিজিয়ে রাখুন সারা রাত। পরদিন সকালে এই ঠান্ডা পানি ছেঁকে নিয়ে চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহার করুন। এটি খুশকি ও চুলকানি কমাতে সাহায্য করবে। নিমপাতা বেটে বা ব্লেন্ড করে তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই প্যাক চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি চুল নরম ও ঝলমলে করে।
নিমপাতা সেদ্ধ পানি এবং আপেল সিডার ভিনেগার সমান পরিমাণে মিশিয়ে নিন। শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোয়ার পর এই মিশ্রণ শেষ ধোয়ায় ব্যবহার করুন। এটি মাথার ত্বক সতেজ রাখবে। নিমপাতার সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করলেও উপকার পাওয়া যায়।

অমলেট বলতেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে ডিম, পেঁয়াজ আর কাঁচা মরিচের পরিচিত আয়োজন। কিন্তু পারস্যের রান্নাঘরে ডিমের এই পরিচিত পদ পেয়েছে একেবারে ভিন্ন রূপ। কুকু সাবজি হলো তাজা হার্বস, মসলা ও ডিম দিয়ে তৈরি একধরনের বেকড পার্সিয়ান অমলেট। সকালের নাশতা, ব্রাঞ্চ বা হালকা খাবার হিসেবে বাংলাদেশি রান্নাঘরে এটি হতে...
১ ঘণ্টা আগে
দুজন মানুষের পছন্দ-অপছন্দ বা জীবনধারা আলাদা হওয়াটাই স্বাভাবিক। ভিন্ন মানসিকতা বা অভ্যাস সত্ত্বেও বহু দম্পতি বছরের পর বছর সুখে একসঙ্গে কাটিয়ে দেন। ছোটখাটো মতবিরোধ হলেও তা ভালোবাসায় বাদ সাধে না। কিন্তু সাম্প্রতিককালে সম্পর্কের সমীকরণে নীরবে ফাটল ধরাচ্ছে নতুন এক আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ...
৩ ঘণ্টা আগে
কয়েক বছর ধরে সৌন্দর্যবিশ্বে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল কোরিয়ান গ্লাস স্কিন। কোরিয়ান ধারা মেনে তাই রূপসচেতনেরা এমনভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়া ও মেকআপ করা শুরু করলেন, যাতে ত্বক কোরিয়ানদের মতোই স্বচ্ছ ও চকচকে হয়ে ওঠে। তবে বিউটি ট্রেন্ডে সম্প্রতি লেগেছে নতুন হাওয়া।
২০ ঘণ্টা আগে
ডিজনিল্যান্ড এমন একটি পার্ক, যা সরাসরি নিয়ে যায় শৈশবের রঙিন স্মৃতির ভিড়ে। ডিজনির গল্পগুলোতে ছিল রাজা রানি, কথা বলতে পারা পশু, পাখি, গাছ। একেবারে রঙিন আর আকাঙ্ক্ষিত একটি জীবন। যেখানে কষ্টের পরের সুখটা সবাই উপভোগ করতে পারত। গল্প পড়া শেষ হতো একটা লাইন দিয়ে—অবশেষে তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে লাগল।
১ দিন আগে