
ব্রণের ঘরোয়া চিকিৎসাঃ শীতকালটা একটু অন্যরকম। চারদিকে বিয়েসহ নানা অনুষ্ঠানের সমারোহ। এদিকে মুখে উঠতে থাকে ব্রণ! একেবারে উভয়সংকট। কারও কারও তো সামনে কোনো অনুষ্ঠান থাকলেই মুখে তরতরিয়ে ব্রণ গজিয়ে যায়। ব্রণ ভরা মুখে মেকআপ করে লাভই-বা কী? তাতে ভালোর চেয়ে খারাপই বেশি দেখাবে। তবে হ্যাঁ, বিপদ থাকলে তা থেকে মুক্ত থাকার দাওয়াইও হাতের কাছে থাকে। এ মৌসুমে যদি মুখে ব্রণ হয়, ঘরোয়া কিছু টোটকা নিয়মিত ব্যবহার করুন। ব্রণ তো দূর হবেই, পাশাপাশি ত্বকও হয়ে উঠবে উজ্জ্বল।
যেসব উপাদান ব্যবহার করতে পারেন–
নিমপাতা ও গোলাপজলের মিশ্রণ
ব্রণ তাড়াতে ঘরোয়া উপকরণ হিসেবে নিমপাতা স্বীকৃত। এটি খুব ভালো অ্যান্টিসেপটিক। অন্যদিকে গোলাপজল ত্বক সতেজ করে তোলে। নিমপাতা ধুয়ে পানিতে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন, তারপর সেদ্ধ পাতাগুলো বেটে নিন। এবার বেটে নেওয়া পাতার সঙ্গে দুই চা-চামচ গোলাপজল মেশান। এই মিশ্রণ ব্রণের ওপর লাগিয়ে শুকানোর জন্য সময় দিন। শুকিয়ে গেলে পানির ঝাপটায় ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার করে এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন। এতে ব্রণ দ্রুত শুকিয়ে যাবে, ব্যথা ও দাগ কমবে।

মধু ও দারুচিনি গুঁড়ার মিশ্রণ
দারুচিনি গুঁড়া করে নিন। তার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে ভালোভাবে পেস্ট তৈরি করে ব্রণের ওপর প্রলেপ দিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এভাবে ব্যবহার করলে ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর হবে। দারুচিনিতে অনেকের ত্বকে জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে। তাঁরা এর পরিবর্তে মধুর সঙ্গে আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলেও উপকার পাবেন।
লেবুর রস
ব্রণ ও এর দাগ দূর করতে লেবু ব্যবহার করা যেতে পারে। লেবুতে ভিটামিন সি রয়েছে। এই ভিটামিন ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের কোষ মেরামত করতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে। লেবুতে আলফা-হাইড্রক্সি অ্যাসিডও রয়েছে, যার ব্লিচিং বৈশিষ্ট্য দাগ হালকা করতে সহায়তা করে। লেবুর রসে তুলো ভিজিয়ে ব্রণ ও এর দাগের ওপর কয়েক সেকেন্ড চেপে ধরে রাখুন। এরপর রস ত্বকে শুকাতে দিন। শুকিয়ে এলে আবার একইভাবে রসে তুলো ভিজিয়ে ব্রণের ওপর চেপে ধরুন। এভাবে তিনবার লেবুর রস ব্যবহার করুন। তারপর ঠান্ডা পানির ঝাপটায় মুখ ধুয়ে নিন। অল্প কদিনেই ফল পাবেন।

তুলসী ও হলুদবাটা
মাঝারি আকারের দুটো কাঁচা হলুদ ও এক মুঠো তুলসীপাতা একসঙ্গে বেটে এয়ার টাইট বয়ামে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এই মিশ্রণ ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখুন। তারপর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ সেরে ওঠার আগ পর্যন্ত প্রতিদিন তিন বেলা এটি ব্যবহার করুন। এই মিশ্রণ ব্রণের পাশাপাশি এর দাগ দূর করতেও খুব ভালো কাজ করে।
চন্দনের ফেসপ্যাক
অল্প গোলাপজলে চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে সেটি ব্রণের ওপর লাগান। চন্দনে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণের প্রদাহ বা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
টি ট্রি অয়েল
আজকাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডগুলো টি ট্রি অয়েল বাজারে এনেছে। এর ব্যথানাশক এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য আছে। ফলে এই তেল জীবাণু ধ্বংস করতে পারদর্শী। ত্বকে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের সংক্রমণে যদি ব্রণের সমস্যা বাড়ে, তা হলে টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করে দেখতে পারেন। তুলোয় করে এক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল নিয়ে সরাসরি ব্রণের ওপর লাগান। রাতে ঘুমানোর আগে ত্বক পরিষ্কার করে এভাবে কয়েক দিন এটি ব্যবহার করুন। জলদি ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।
হলুদ ও মধুর প্যাক
হলুদে ব্যথানাশক ও অ্যান্টিসেপটিক গুণ রয়েছে। এটি ত্বকে প্রাকৃতিক আর্দ্রতা ধরে রাখে। আধা চা-চামচ হলুদবাটা ও এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। মুখে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন এই মিশ্রণ।
তবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে কাজ না হলে, ব্রণ বেশি বা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
সূত্র: স্টাইলক্রেজ ও অন্যান্য

নিজের সৌন্দর্য নিয়ে সব সময় চিন্তায় থাকার মতো অবস্থাকে এখন বলা হচ্ছে বিউটি অ্যাংজাইটি। খুঁজলে নিজের বন্ধুদের মধ্য়েও দু-একজনের দেখা পেয়ে যাবেন, যাঁরা প্রায়ই নিজের রূপ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। কী কী করলে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠা যায়, তা নিয়ে তাঁদের সারা দিনের যত ভাবনা। নিজের পোশাক, স্টাইল, চুল বাঁধার...
১২ ঘণ্টা আগে
ব্যস্ত সময়সূচি থাকা সত্ত্বেও ধারাবাহিক সৌন্দর্য ও সুস্থতার রুটিন বজায় রাখেন ম্রুণাল ঠাকুর। তিনি পর্যাপ্ত পানি পান, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং শরীরচর্চার মাধ্যমে নিজের সৌন্দর্যচর্চার রুটিন বজায় রাখেন। শুধু তা-ই নয়, ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে ম্রুণাল চিয়া বীজের পানীয় পান করতে পছন্দ করেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাজারে এখন পাকা আমের ছড়াছড়ি। তাই এই চেনা আম দিয়েই যদি তৈরি করে নেওয়া যায় একদম অন্য রকম, চটপটে আর রিফ্রেশিং কিছু? পাকা আমের মিষ্টি স্বাদ, সঙ্গে লেবুর টক, কমলার রিফ্রেশিং জুস আর হালকা মরিচের ঝাল! সব মিলিয়ে চুমুকেই মন ভালো করে দেওয়ার মতো এক পানীয়ের নাম চিলি লাইম ম্যাঙ্গো। মেক্সিকান এই পানীয়টি বানানো...
১৬ ঘণ্টা আগে
ধরুন অফিসে মিটিং চলছে। সেখানে আপনার বসের একটি আইডিয়া বা সহকর্মীর কাজের পরিকল্পনা আপনার একদম পছন্দ হলো না। আপনি এটাও নিশ্চিত যে এই পরিকল্পনা মেনে কাজ করলে প্রজেক্টটি ভালো হবে না। কিন্তু আপনি মুখ ফুটে কিছু বলতে পারছেন না।
১ দিন আগে