
পায়েস আমাদের কাছে যতটা পরিচিত, পেরুর কিনোয়া কন লেচে তেমনি অপরিচিত। কিন্তু দুটি প্রায় একই রকম মিষ্টি স্বাদের খাবার। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ কিনোয়া, দুধ ও সুগন্ধি মসলার মিশ্রণে তৈরি এই ডেজার্ট একই সঙ্গে হালকা, ক্রিমি ও সুস্বাদু। দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ অঞ্চলে বহু শতাব্দী ধরে চাষ হয়ে আসা কিনোয়া ইনকা সভ্যতার অন্যতম প্রধান খাদ্য ছিল। সেই ঐতিহ্যবাহী উপাদান দুধ ও মসলার সঙ্গে মিশে পেয়েছে মিষ্টি রূপ। সকালের নাশতা বা বিকেলের স্ন্যাকস বা রাতের খাবারের ডেজার্ট হিসেবে ঘরেই বানিয়ে ফেলতে পারেন খাবারটি।
১ কাপ সাদা কিনোয়া, ২ থেকে ৩টি দারুচিনির স্টিক, ৩টি লবঙ্গ, ১ থেকে ২টি স্টার অ্যানিস, ১ কাপ পানি, ২ কাপ নারকেলের দুধ, ব্রাউন সুগার পরিমাণমতো, দারুচিনিগুঁড়া পরিমাণমতো, ১ চা-চামচ ভ্যানিলা এবং ১ কাপ দুধ।

প্রথমে কিনোয়া ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার একটি প্যানে দারুচিনি, লবঙ্গ ও স্টার অ্যানিস হালকা ভেজে নিয়ে নারকেলের দুধ ও পানি দিন। ৭ থেকে ১০ মিনিট হালকা আঁচে ফুটিয়ে মসলা থেকে সুগন্ধ বের করে নিন। এরপর মসলাগুলো তুলে ধুয়ে রাখা কিনোয়া দিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট রান্না করুন। কিনোয়া নরম হয়ে বেশির ভাগ তরল শুষে নিলে আঁচ কমিয়ে ব্রাউন সুগার, দারুচিনিগুঁড়া ও ভ্যানিলা মেশান। ধীরে ধীরে দুধ ঢেলে নেড়ে নিন। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে আরও কিছুক্ষণ নেড়ে নিন। প্রয়োজন হলে সামান্য দুধ যোগ করে পছন্দমতো ঘন করে নিতে পারেন।
কিনোয়া কন লেচে গরম অবস্থায় যেমন পরিবেশন করা যায়, তেমনি ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করেও খাওয়া যায়। ওপর থেকে সামান্য দারুচিনিগুঁড়া, বাদাম বা তাজা ফল ছড়িয়ে দিন।
সূত্র: ইট পেরু

ছবি বা সিনেমার সেটে আমরা প্রায়ই অদ্ভুত সব ঘরবাড়ি দেখে থাকি। মানুষের হাতের ছোঁয়া আর প্রকৃতির কারুকাজ। এই দুয়ে মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়া দৃশ্যগুলো মানুষকে বেশি আকৃষ্ট করে। পর্তুগালে এমন কিছু গ্রাম আছে, দেখে মনে হবে স্থাপত্যশিল্প ও প্রকৃতির মাঝে যেন এক অদৃশ্য বোঝাপড়া রয়েছে। পাহাড়ের খাদে ঝুলে থাকা...
৩ ঘণ্টা আগে
চুরি বিষয়টি সাধারণত গরিব মানুষের ব্যাপার মনে করা হয়। কিন্তু যে মানুষ হোটেলে এক রাত থাকতে ৫ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারে, তাকে তো আর যা-ই হোক, গরিব বলা চলে না। কিন্তু তারও কেন চুরি করার ইচ্ছা জাগে? তা-ও আবার হোটেলেরই জিনিস! বড় রহস্যময় বিষয়। এ ঘটনায় প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কোন জিনিসটি হোটেল থেকে...
১৫ ঘণ্টা আগে
চুল দ্রুত শুকিয়ে নিতে হেয়ার ড্রায়ার বেশ কার্যকরী একটি জিনিস। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে এটি অনেকটা সময় বাঁচায়। তবে চুল শুকানোর তাড়াহুড়ায় ড্রায়ার একেবারে মাথার কাছে ধরে ব্যবহার করা ঠিক নয়। এর অতিরিক্ত তাপ চুলের আর্দ্রতা কমিয়ে দিতে পারে, ফলে চুল হয়ে উঠতে পারে শুষ্ক, রুক্ষ ও ভঙ্গুর। তাই ড্রায়ার ব্যবহারের
১৯ ঘণ্টা আগে
কোনো তরুণীর দুই পায়ে দুই ধরনের স্ট্রাইপড মোজা চোখে পড়লে, নখে নীল ও সবুজ নেইলপলিশ, এক কানে দুল, নাকে বড় নথ, চোখে একটুখানি থেবড়ানো কাজল কিংবা চুলটা না খোঁপা না পনিটেইল করে বাঁধা দেখলে, ঠিক কী মনে হবে আপনার?
১ দিন আগে