
একসঙ্গে অনেকজনকে বার্তা পাঠানোর বা বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দেওয়ার কার্যকরী মাধ্যম হলো মেসেঞ্জার। এই প্ল্যাটফর্মে গ্রুপ খুলে পরিবার, সহপাঠী, অফিসের টিম কিংবা পুরোনো বন্ধুরা সবাইকে এক জায়গায় নিয়ে সহজেই যোগাযোগ রাখা যায়। এতে একই সময়ে সবাইকে একই বার্তা পাঠানো যায় এবং দলগত কাজ বা আড্ডা আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠে।
অনেকে মেসেঞ্জার ব্যবহার করলেও কীভাবে নতুন করে একটি গ্রুপ তৈরি করতে হয়, তা জানেন না। আসলে এটি খুবই সহজ কাজ। তবে গ্রুপ চ্যাটের জন্য অন্তত দুজন ফেসবুক বন্ধু নির্বাচন করতে হবে।
মেসেঞ্জারে গ্রুপ চ্যাট তৈরি করবেন যেভাবে
১. স্মার্টফোনে মেসেঞ্জার চালু করুন।
২. ওপরের ডান দিকে থাকা একটি কলমের মতো আইকনে ট্যাপ করুন। এটি ফেসবুক আইকনের পাশে থাকবে।
৩. এরপর গ্রুপ চ্যাট অপশনের ওপর ট্যাপ করুন।
৪. ওপরের দিকে থাকা ‘গ্রুপ নেম’ বক্সে গ্রুপের জন্য একটি নাম টাইপ করুন।
৪. এখন গ্রুপে যাঁদের যুক্ত করতে চান, তাঁদের ফেসবুক আইডির নাম সার্চ বারে লিখুন বা স্ক্রল করে তাঁদের খুঁজে বের করুন।
৫. ফেসবুক বন্ধুদের নামের ওপর ট্যাপ করুন।
৬. এরপর ওপরের ডান পাশে থাকা ‘ক্রিয়েট’ বাটনে ট্যাপ করুন। এভাবে গ্রুপ চ্যাট তৈরি হবে। পরে সেটিংস থেকে অ্যাডমিনও নির্বাচন করতে পারবেন।
গ্রুপ তৈরি পর প্রথমেই সবাইকে স্বাগত জানানোর জন্য মেসেজ পাঠাতে পারেন। সেই সঙ্গে গ্রুপটি কী কারণে খোলা হয়েছে, তা–ও জানাতে পারেন।

চিকিৎসকের একটি সতর্কবার্তা আমূল বদলে দিয়েছিল দিল্লির দম্পতি রূপিকা আনন্দ ও রাকেশ আনন্দের জীবন। শারীরিক অসুস্থতা থেকে সুস্থ জীবনের খোঁজে শহরের আরাম-আয়েশ ও সফল করপোরেট ক্যারিয়ার ছেড়ে তাঁরা বেছে নিয়েছিলেন কৃষিকাজ।
২৪ মিনিট আগে
ওজন কমানো বা নিজেকে ফিট রাখা যে কতটা কঠিন, তা ভুক্তভোগীরাই ভালো বোঝেন। এর চিন্তা মাথায় এলেই মনটা কেমন যেন ভারী হয়ে ওঠে। চোখের সামনে ভেসে ওঠে প্রিয় চকলেট কেকটিকে না ছুঁয়ে বিদায় জানানোর দুঃখ। কিংবা ধোঁয়া ওঠা কাচ্চি বিরিয়ানি প্লেটে নেওয়ার পর অপরাধবোধে ভোগার দৃশ্য। মন বলে ‘আরেকটু খাই’, যুক্তি বলে ‘না’।
৪ ঘণ্টা আগে
মানসিকভাবে মানুষ প্রতিটি সম্পর্কের এক জটিল ছক বা মানচিত্র তৈরি করতে ওস্তাদ। কে কার অনুগত, কার সঙ্গে কার প্রতিযোগিতা কিংবা কে কখন কার বিরুদ্ধে যেতে পারে—প্রতিনিয়ত আমাদের মন এসবের হিসাব রাখে। কিন্তু সম্পর্কের এই অভ্যন্তরীণ মানচিত্রে বন্ধুত্বের চেয়ে শত্রুতা বা বিরোধের ছাপ বেশি স্পষ্ট হয়। কখনো ভেবে দেখে
৬ ঘণ্টা আগে
ধারণা করা হয়, প্রায় ৭৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ জনসমক্ষে কথা বলতে ভয় পান বা ঘাবড়ে যান। অনেকের হয়তো ভয়ে বুক ধুকধুক করে বা হাতের তালু ঘামতে শুরু করে। অনেক সময় আমাদের মাথা ফাঁকা হয়ে যায়, কণ্ঠস্বর ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয় এবং হাত-পা কাঁপতে থাকে। অনেক মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় আমরা
৭ ঘণ্টা আগে