সম্প্রতি ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে দেশীয় খাবার আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার জন্য একটি বিশেষ রন্ধন অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় ছিল মিসেস বালবিরস কুকিং স্কুল। এক্সক্লুসিভ কুকিং ক্লাস ও বুফে লাঞ্চে অংশ নিতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন রন্ধনশিল্পী আল্পনা হাবিব। তিনি সেই অনুষ্ঠানে তাঁর সিগনেচার পদ, ‘আলো মামার তেহারি’, ‘ঘি চপ’ ও ‘শাহি টুকরা’ রান্না করে প্রদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানে মেক্সিকো ও শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূত, মালদ্বীপের কূটনীতিকেরা এবং চিলি, ইতালি, মিয়ানমার, নেপাল, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রদূতদের স্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বেশ কিছু কালিনারি শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথি। খাদ্যরসিক ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আল্পনার নিপুণ রন্ধন প্রদর্শনী উপভোগ করেন।
আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ও বেস্টসেলিং কুকবুক লেখক আল্পনা হাবিব তাঁর ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি সুস্বাদু রান্নার মধ্য দিয়ে অতিথিদের মন জয় করেন। তাঁর অনন্য রন্ধনশৈলী এবং বহুমাত্রিক পদসম্ভার উপস্থিত সবার মধ্যে বাংলাদেশের খাবার নিয়ে গভীর আগ্রহের সঞ্চার করে।
আন্তর্জাতিক এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ফায়াজ মুরশিদ কাজীও উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসকের একটি সতর্কবার্তা আমূল বদলে দিয়েছিল দিল্লির দম্পতি রূপিকা আনন্দ ও রাকেশ আনন্দের জীবন। শারীরিক অসুস্থতা থেকে সুস্থ জীবনের খোঁজে শহরের আরাম-আয়েশ ও সফল করপোরেট ক্যারিয়ার ছেড়ে তাঁরা বেছে নিয়েছিলেন কৃষিকাজ।
৩ ঘণ্টা আগে
ওজন কমানো বা নিজেকে ফিট রাখা যে কতটা কঠিন, তা ভুক্তভোগীরাই ভালো বোঝেন। এর চিন্তা মাথায় এলেই মনটা কেমন যেন ভারী হয়ে ওঠে। চোখের সামনে ভেসে ওঠে প্রিয় চকলেট কেকটিকে না ছুঁয়ে বিদায় জানানোর দুঃখ। কিংবা ধোঁয়া ওঠা কাচ্চি বিরিয়ানি প্লেটে নেওয়ার পর অপরাধবোধে ভোগার দৃশ্য। মন বলে ‘আরেকটু খাই’, যুক্তি বলে ‘না’।
৬ ঘণ্টা আগে
মানসিকভাবে মানুষ প্রতিটি সম্পর্কের এক জটিল ছক বা মানচিত্র তৈরি করতে ওস্তাদ। কে কার অনুগত, কার সঙ্গে কার প্রতিযোগিতা কিংবা কে কখন কার বিরুদ্ধে যেতে পারে—প্রতিনিয়ত আমাদের মন এসবের হিসাব রাখে। কিন্তু সম্পর্কের এই অভ্যন্তরীণ মানচিত্রে বন্ধুত্বের চেয়ে শত্রুতা বা বিরোধের ছাপ বেশি স্পষ্ট হয়। কখনো ভেবে দেখে
৮ ঘণ্টা আগে
ধারণা করা হয়, প্রায় ৭৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ জনসমক্ষে কথা বলতে ভয় পান বা ঘাবড়ে যান। অনেকের হয়তো ভয়ে বুক ধুকধুক করে বা হাতের তালু ঘামতে শুরু করে। অনেক সময় আমাদের মাথা ফাঁকা হয়ে যায়, কণ্ঠস্বর ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয় এবং হাত-পা কাঁপতে থাকে। অনেক মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় আমরা
৯ ঘণ্টা আগে