বাতাসে পূজার গন্ধ বইতে শুরু করেছে। যত আধুনিক নারীই হোক না কেন, উৎসবের আয়োজনে বাঙালি মেয়েদের প্রথম পছন্দ শাড়ি। শাড়িতে সাজের পূর্ণতার জন্য চুলের সাজটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যতই দিন যাচ্ছে, চুলের সাজে আসছে নিত্যনতুন স্টাইল। নবমীতে একটু ভিন্ন লুকে হাজির হতে চাচ্ছেন? নানান রং-ঢঙের এসব চুলের সাজ কোন শাড়ির সঙ্গে, কোন অনুষ্ঠানে কীভাবে করলে মানানসই হবে, তা-ও তো আগে থেকে ঠিক করে রাখা চাই, জেনে রাখা চাই।

বেনারসি বা কাতান শাড়ির সঙ্গে
শাড়ি হিসেবে বেনারসি বা কাতান এমনিতেই অনেক অভিজাত। তাই এর সঙ্গে চুলের সাজটা হওয়া চাই একেবারে পরিপাটি। কপালের মাঝ বরাবর সিঁথি কেটে নিন। এবার একেবারে চেপে চেপে চুল আঁচড়ে একটু নিচু করে ঘাড়ের কাছে বা মাথার একেবারে ওপরে খোঁপা বেঁধে নিন। চাইলে খোঁপায় গজরা, বেলি ফুল জড়াতে পারেন। এখন আবার খোঁপায় পরার মতো কৃত্রিম ফুল পাওয়া যায়। চাইলে সেগুলোও পরতে পারেন। এ ছাড়া চুল সামনে থেকে হালকা পাফ করে পেছনে টাইট খোঁপা বা এলোমেলো খোঁপাও দারুণ মানাবে এ ধরনের শাড়ির সঙ্গে।
সুতি, জামদানি বা তাঁতের শাড়ির সঙ্গে
এ ধরনের শাড়ির সঙ্গে মেসি বান, সামনের চুল কিছুটা পাফ করে দুই পাশে চাপিয়ে চুল বেঁধে খোঁপা, সাইড খোঁপা, মাঝে সিঁথি করে সামনের কিছু চুল নিয়ে বেণি করে পেছনে নিচু করে বাঁধা খোঁপা বেশ মানিয়ে যাবে। আর এই খোঁপাগুলোর সঙ্গে গজরা, বেলি ফুলের মালা জড়াতে পারেন। চাইলে পছন্দের অন্য ফুলও খোঁপায় গুঁজে দিতে পারেন। এ ছাড়া এ শাড়িগুলোর সঙ্গে সাধারণ বেণি, ফ্রেঞ্চ বেণি এবং খোলা চুলও বেশ মানাবে।

সিল্ক ও শিফন শাড়ির সঙ্গে
এই শাড়িগুলোর সঙ্গে চুলের লুজ কার্ল, ব্যারেল কার্ল, বিচ ওয়েভস, হাফ আপ কার্ল, ভিনটেজ কার্ল করলে খুব ভালো মানাবে। এই শাড়িগুলো সাধারণত গায়ের সঙ্গে একটু সেঁটে থাকে। তাই এই পাফড হেয়ারস্টাইলগুলো করলে সামগ্রিকভাবে একটা সুন্দর লুক আসে। এ ছাড়া যদি এই শাড়িগুলোর সঙ্গে স্মোকি আই মেকআপ করে রাতের অনুষ্ঠানের জন্য অভিজাত লুক আনতে চান, তাহলে চুলে জেল দিয়ে চাপিয়ে স্লিক লো পনিটেইল, স্ট্রেইট হাই পনিটেইল, পাফি পনিটেইলও করতে পারেন।
অরগাঞ্জা বা হাফ সিল্ক শাড়ির সঙ্গে
এ ধরনের শাড়ির সঙ্গে হেয়ারস্টাইল এমন হওয়া চাই যেন সামগ্রিক লুকে একটা টিপটপ, পরিপাটি ব্যাপার থাকে। ব্রেইডেড লো বান, সাউথ ইন্ডিয়ান স্টাইল বান উইথ গাজরা, ফ্লোরাল রিংলেট বান, নটেড বান, রেট্রো বান কিংবা বুকে বান করে নিতে পারেন এই শাড়িগুলোর সঙ্গে। তবে এ হেয়ারস্টাইলের মধ্যে আজকাল বুকে বানটাই খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নানান রঙের বা এক রঙের গোলাপ দিয়ে পুরো খোঁপা সাজানো হয় এই হেয়ারস্টাইলে।

জেনে রাখা ভালো
চুল স্টাইলিংয়ের সময় যদি হেয়ার স্প্রে ব্যবহার করা হয়, তাহলে বাসায় ফিরে প্রথমে চুলে হট অয়েল ম্যাসাজ করতে হবে। এর আধা ঘণ্টা পর চুল ভালোভাবে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিতে হবে এবং সবশেষে কন্ডিশনার লাগাতে হবে।
ভেজা চুল আঁচড়াবেন না। তা ছাড়া ভেজা চুল বাঁধাও ঠিক না। তাতে চুল পড়ার আশঙ্কা থাকে। চুল ভালোভাবে শুকিয়ে তারপরই স্টাইলিং করুন।
উৎসবে নানাভাবে চুল স্টাইলিং করা হবে। তাই উৎসব শেষে চুলের যত্নও নিতে হবে নিয়মিত। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন নারকেল তেল হালকা গরম করে মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে লাগাতে হবে। এক ঘণ্টা পর ভালো মানের শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। এতে চুল মসৃণ ও ঝলমলে থাকবে।
সূত্র: দ্য এথনিক ওয়ার্ল্ড ও অন্যান্য

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। এই আনন্দ পূর্ণতা পায় তখন, যখন ঘরদোর থাকে পরিপাটি ও পরিচ্ছন্ন। কিন্তু ব্যস্ত সময়ে মেঝের দাগ বা কালচে ভাব দূর করা বেশ ঝক্কির কাজ বলে মনে হতে পারে। রোজ ডিটারজেন্ট মেশানো পানি দিয়ে মোছার পরও অনেক সময় ঘরের মেঝে পরিচ্ছন্ন দেখায় না। কিন্তু হাতের কাছে থাকা উপকরণ দিয়ে খুব অল্প...
১ ঘণ্টা আগে
উৎসবে নিজেকে সাজাতে মেয়েদের জন্য মেহেদি এক অনন্য অনুষঙ্গ। আগেকার দিনে ঈদে হাতভর্তি নকশায় মেহেদি লাগানোর চল থাকলেও এখন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চলে বদল এসেছে। এখনকার তরুণীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে মেহেদি লাগানোর চেয়ে ছিমছাম বা এককথায় সিম্পল নকশা বেশি পছন্দ করছেন। মেহেদির সৌন্দর্য কেবল তার গাঢ় রঙে নয়....
২ ঘণ্টা আগে
অতিরিক্ত আর্দ্রতা, অযত্ন এবং রুক্ষতার কারণে চুল অনেক সময় নিয়ন্ত্রণে থাকতে চায় না। বিশেষ করে কোঁকড়া বা ঢেউখেলানো চুলে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা দেয়। চুলের উষ্কখুষ্ক ভাব দূর করা কোনো কঠিন কাজ নয়, প্রয়োজন শুধু একটু সচেতনতা ও সঠিক যত্ন।
৩ ঘণ্টা আগে
ঘরদোর পরিষ্কার করে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা ঈদের অবিচ্ছেদ্য অংশ। দামি আসবাব বা আলোকসজ্জার ভিড়ে একচিমটি সতেজতা যোগ করতে পারে জীবন্ত ইনডোর প্ল্যান্ট। এগুলো কেবল ঘরের সৌন্দর্যই বাড়ায় না; বরং দীর্ঘ উপবাসের পর আপনার ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ রাখতে এবং মন শান্ত রাখতে সাহায্য করে। গাছ কেবল ঘর সাজানোর একটি উপকরণ...
৩ ঘণ্টা আগে