
শসা ফল হলেও সবজি হিসেবে বেশি পরিচিত। এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের বিভিন্ন জটিলতা প্রতিরোধে সাহায্য করে। রমজান মাসে যখন দীর্ঘ সময় পানাহারে বিরত থাকতে হয়, তখন শসা খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। এতে পানির পরিমাণ এবং এর খাস্তা ভাব ফলের চেয়ে বেশি কার্যকরী।
পুষ্টিগুণ
শসায় ক্যালরি খুব কম কিন্তু প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল অনেক বেশি। প্রায় ৩০০ গ্রাম আকৃতির খোসাসহ শসায় থাকে ৪৫ ক্যালরি, ১১ গ্রাম কার্বস এবং দেড় গ্রাম আঁশ। ভিটামিন সি এর দৈনিক চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শসা থেকে আসে।
এ ছাড়া শসায় ভিটামিন কে প্রচুর থাকে। এতে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শসা সব সময় খোসাসহ খাওয়া উচিত। কারণ, খোসা ছিলে ফেললে এর আঁশ এবং অনেক পুষ্টি উপাদান কমে যায়।

পানিশূন্যতা রোধ
শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য পানি অপরিহার্য। আমরা পানি পানের মাধ্যমে এই চাহিদা পূরণ করি। তবে আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় পানির প্রায় ৪০ শতাংশ খাবার থেকে আসতে পারে। শসায় ৯৬ শতাংশ পানি থাকে, যা দীর্ঘ সময় শরীর সজল রাখতে দারুণ কার্যকর; বিশেষ করে ইফতারে শসা খেলে তা দিনের পানিশূন্যতা পূরণে জাদুর মতো কাজ করে।
ওজন কমাতে সাহায্য করে
যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা একটি আদর্শ খাবার। এক কাপ শসায় মাত্র ১৬ ক্যালরি থাকে। এর উচ্চ পানি এবং কম ক্যালরি উপাদান ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া ইফতারে বেশির ভাগ ভাজাপোড়াজাতীয় খাবার থাকে। ফলে রমজানের পর ওজন বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। তাই এই সময় ভারসাম্য বজায় রাখতে শসা খাওয়া উচিত।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, শসা রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে এবং ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ
পানিশূন্যতা কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রধান কারণ। রোজায় খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে অনেকের কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। শসায় পানি এবং পানিতে দ্রবণীয় আঁশ থাকে, যা অন্ত্রের পেশি সচল রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হজম প্রক্রিয়া সহজ করে। রমজানে এমনিতেই পানি পান কম হয়। তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সুবিধামতো সময় অনুযায়ী শসা খাওয়া যেতে পারে।
খেতে পারেন শসা ও খেজুর
ইসলামি ঐতিহ্য এবং আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান—উভয় মতেই শসা ও খেজুরের সংমিশ্রণ হতে পারে ইফতার বা সেহরির জন্য আদর্শ খাবার। খেজুরের প্রকৃতি হলো গরম ও শুষ্ক আর শসার প্রকৃতি শীতল ও আর্দ্র। এই দুইয়ের সংমিশ্রণ একটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অন্যটির মাধ্যমে প্রশমিত করে এবং শরীরে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখে। অর্থাৎ খেজুরের উত্তাপ শসার শীতলতা দিয়ে প্রশমিত হয়। খেজুর প্রাকৃতিক শর্করা ও ক্যালরিতে ভরপুর, যা ইফতারের পরপরই শরীরে শক্তি জোগায়। অন্যদিকে শসা পাকস্থলী শীতল রাখে। খেজুরের অতিরিক্ত মিষ্টি ভাব শসার পানসে স্বাদের সঙ্গে মিশে একটি চমৎকার এবং স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস তৈরি করে।
শসা খাওয়ায় সতর্কতা
সূত্র: হেলথ লাইন, শিকাগো ম্যাগাজিন, মিডিয়াম, ভেরি ওয়েল হেলথ

কখনো কখনো রূপচর্চার উপকরণগুলো মিলে গেলেও দেশ ও অঞ্চলভেদে রূপচর্চার ধরনে পার্থক্য হয়। যেমন চীন বা জাপানের রূপচর্চার ধরন একই রকম হতে পারে। কিন্তু সেই দেশগুলো থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর রূপচর্চার ধরন এবং অনেক ক্ষেত্রে উপকরণে ব্যাপক পার্থক্য থাকবে। একই ভাবে বাংলাদেশের রূপচর্চার সঙ্গে আরব অঞ্চলের...
৪ ঘণ্টা আগে
গাজরের রস প্রয়োজনীয় ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আঁশে ভরপুর একটি পানীয়। শরীর সুস্থ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে গাজর অনন্য। এক কাপ গাজরের রসে মাত্র ৯৪ ক্যালরি থাকে। রমজান মাসজুড়ে আমরা বিভিন্ন জুস পান করে থাকি ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত। সেই স্মুদি কিংবা শরবতের লিস্টে এবার যোগ করতে পারেন গাজর
১৮ ঘণ্টা আগে
ঈদের আনন্দ মানেই প্রিয়জনদের সঙ্গে আড্ডা, সুস্বাদু খাবার আর নিজেকে একটু বিশেষভাবে সাজিয়ে তোলা। নিখুঁত পোশাকের সঙ্গে যদি মানানসই মেকআপ না থাকে, তবে ঈদের সাজ যেন অপূর্ণ থেকে যায়। তবে উৎসবে ভারী মেকআপ নিয়ে দীর্ঘক্ষণ থাকা যেমন কষ্টের, তেমনি সময়ের অভাবে অনেকে খুব বেশি সাজতে পারেন না। তাই আজকের আয়োজনে
১ দিন আগে
রমজান মাসে দীর্ঘ সময় পানাহারে বিরত থাকার ফলে আমাদের শরীর ও ত্বক পানিশূন্যতায় ভোগে। পর্যাপ্ত পানির অভাবে শুধু যে তৃষ্ণা পায় তা নয়। এর সঙ্গে ক্লান্তি, তীব্র মাথাব্যথা, ত্বকের রুক্ষতা, পেশিতে টান এবং এমনকি রক্তচাপ কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী পানিশূন্যতা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর
১ দিন আগে